জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. তাসনিম জারা তার নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহে সফলতা দেখিয়েছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জানিয়েছেন, মাত্র ১৪ ঘণ্টার মধ্যে ২৩ লাখ ৬৮ হাজার টাকা অনুদান পেয়েছেন।
ডা. জারা জানান, তাদের মোট ফান্ডরেইজিং লক্ষ্য ৪৬,৯৩,৫৮০ টাকা। এই লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকের বেশি ইতোমধ্যেই অর্জিত হয়েছে। তাই লক্ষ্যমাত্রা পূর্ণ হলে তারা ফান্ডরেইজিং বন্ধ করবেন।
তিনি আরও জানান, বিকাশের লিমিট শেষ হওয়ায় যারা অনুদান দিতে চাচ্ছেন কিন্তু দিতে পারছেন না, তারা ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে দান করতে পারবেন।
ডা. জারা নিশ্চিত করেছেন, পুরো ফান্ডরেইজিং প্রক্রিয়া স্বচ্ছতার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি বলেন:
1 -তারা কেবল বিকাশ ও ব্যাংকের মাধ্যমে অনুদান নিচ্ছেন, যাতে প্রতিটি টাকার রেকর্ড থাকে যা ভবিষ্যতে যাচাইযোগ্য।
2-সংগ্রহকৃত টাকার তথ্য নিয়মিত জানানো হবে এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হবে।
3- ব্যয়বিবরণও স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা হবে।
এর আগে তিনি জানান, মাত্র ৭ ঘণ্টায় ১২ লাখ টাকার বেশি অনুদান জমা হয়েছে। ডা. জারা অনুদানদাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং বলেছিলেন, তাদের সহযোগিতা কল্পনার বাইরে।
মাত্র ১৪ ঘণ্টায় আপনারা ২৩ লাখ ৬৮ হাজার টাকা ডোনেট করেছেন, যা আমাদের ফান্ডরেইজিং লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকের ও বেশী। আপনাদের অকল্পনীয় সাড়া ও ভালোবাসায় আমরা অভিভূত।
আমাদের টার্গেট ৪৬,৯৩,৫৮০ টাকা। এটা পূর্ণ হলেই আমরা ফান্ডরেইজিং বন্ধ করে দিবো।
যেভাবে ডোনেট করতে পারবেন – ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস:
Account Name: Tasnim Jara
Account Number: 1261570464960
Bank Name: Dutch-Bangla Bank PLC
Branch: Elephant Road
Routing number: 090261338
একটি জরুরি আপডেট: আমাদের বিকাশ অ্যাকাউন্টের লিমিট আজ রাত ২টার সময় শেষ হয়ে গেছে। যারা এখনো অনুদান পাঠাতে চাচ্ছেন কিন্তু বিকাশ সমস্যার কারণে পারছেন না, তারা দয়া করে আমাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ডোনেট করবেন।
আমি শুরু থেকেই একটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছি যে এই ফান্ডরেইজিং হবে পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে। এটা নিশ্চিত করতে আমরা কী কী করছি?
১। আমরা ক্যাশ ডোনেশন না নিয়ে বিকাশ ও ব্যাংকের মাধ্যমে ডোনেশন নিচ্ছি। তাই আমাদের প্রাপ্ত প্রতিটি টাকার একটি রেকর্ড থাকছে, যা আমার টিমের দ্বারা তৈরি না বরং বাংলাদেশ ব্যাংক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এই রেকর্ড ভবিষ্যতে যাচাইযোগ্য থাকবে।
২। আমরা আপনাদেরকে নিয়মিত জানাচ্ছি যে এখন পর্যন্ত মোট কত টাকা সংগ্রহ হয়েছে। কোন মাধ্যমে কত টাকা এসেছে। এই সকল ডকুমেন্ট নির্বাচন কমিশনের কাছে আমরা জমা দিবো। নির্বাচন কমিশন এটা যাচাই করতে পারবেন।
৩। কোন খাতে কত টাকা ব্যয় করা হবে, তা আপনাদেরকে স্পষ্ট করে জানানো হবে।
এছাড়া স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আপনাদের আরও পরামর্শ থাকলে জানাবেন।

