• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

রাজনীতি

চ্যানেল আইয়ের বিশ্লেষণতারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ভিডিওর ভিউ ৩০ কোটি

প্রকাশ: শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ৬:৫৭
আপডেট: শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ৬:৫৭

চ্যানেল আইয়ের বিশ্লেষণতারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ভিডিওর ভিউ ৩০ কোটি

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
অবিশ্বাস্যই বলতে হবে। ফেসবুক এবং ইউটিউবে তারেক রহমানকে নিয়ে যে ঝড় চলছে, সে ঝড়ের মাত্র ১২ ঘণ্টার এনালিটিক্স তুলে ধরছে কল্পনাতীত এক পরিসংখ্যান। দেশে পৌঁছানোর পর বাংলাদেশ এবং প্রবাসীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রায় পুরোটাই দখল করে নিয়েছেন তারেক রহমান। মিম থেকে শুরু করে গুরুগম্ভীর টক-শো, সাধারণ মানুষ থেকে সেলিব্রেটিদের পোস্ট, কার্টুন থেকে সিরিয়াস ফটোকার্ড- সব জায়গাতেই ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফেরা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্পর্শে প্রত্যাবর্তনের খবর। এসবই মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্রাউজ করে দেখা যাচ্ছে।

কিন্তু ডেটা এনালাইসিস করে পাওয়া যাচ্ছে আরও গভীরের তথ্য। ২৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার তারেক রহমানকে বহন করা ফ্লাইটটি সিলেটের মাটি স্পর্শ করার পর থেকে রাতে তার বাসায় ফেরার কিছু সময় পর পর্যন্ত মোটামুটি ১২ ঘণ্টার সোশ্যাল মিডিয়ায় মূলধারার গণমাধ্যমের লাইভ এবং কন্টেন্ট পর্যালোচনা করেছে চ্যানেল আই এনালিটিক্স। এর মধ্যে ছিল সামাজিক মাধ্যমে সম্প্রচারিত চ্যানেল আইসহ বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল এবং দৈনিক পত্রিকা ও ওয়েব পোর্টালের লাইভ স্ট্রিমিং এবং টিভি-পত্রিকা পোর্টালের ভিডিও রিপোর্ট বা ক্লিপস।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, চ্যানেল আইসহ ৩০টি টিভি চ্যানেল টানা ১২ ঘণ্টা অর্থাৎ প্রায় ৩৬০ ঘণ্টা নিরিবিচ্ছিন্নভাবে স্যাটেলাইটে মূল চ্যানেলের পাশাপাশি ফেসবুক এবং ইউটিউবেও লাইভ স্ট্রিমিং করেছে। পাশাপাশি ভিডিও রিপোর্টের সংখ্যা ছিল আড়াই হাজার। যার মধ্যে ছিল ব্রেকিং স্পিচ এবং জনসমাবেশের ছোট ছোট ক্লিপস। এর বাইরে চ্যানেল আই অনলাইনসহ একশটি নিউজ পোর্টাল এবং ফেসবুক পেইজ ও ইউটিউব চ্যানেলে লাইভ ফিড ছিল ৫০০ ঘণ্টার বেশি। সকল সোর্স মিলিয়ে লাইভ এবং ক্লিপসের দৈর্ঘ্য এক হাজার ঘণ্টার।

একজন দর্শক যদি এই এক হাজার ঘণ্টার সব ভিডিও এক সেকেন্ডও বিরতি না দিয়ে টানা দেখতে চান তাহলে তার সময় লাগবে ৪১ দিন। এর বাইরে শুধু ফেসবুক পোস্টগুলোতে একবার করে নজর দিলেও লাগবে আরও অনেক দিন। বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে ১২ ঘন্টায় চ্যানেল আই এবং চ্যানেল আই অনলাইনসহ গণমধ্যমগুলোর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের সংখ্যা প্রায় দশ হাজার। যার মধ্যে ছিল টেক্সট, ফটোকার্ড এবং ভিডিও।

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন হাইভোল্টেজ ইভেন্ট হওয়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিউ এবং রিচ ছিল স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক বেশি। ফেসবুক এবং ইউটিউব মিলিয়ে মোট ভিউ ৩০ কোটি। এর মধ্যে ফেসবুকে ৭৫ শতাংশ এবং ইউটিউবে ৩০ শতাংশ। এনালিটিক্স বলছে, পিক কনকারেন্ট ভিউ অর্থাৎ একই সময়ে সর্বোচ্চ দর্শক ছিল প্রায় দুই কোটি। এটি ছিল তারেক রহমানের বক্তৃতার সময়। তবে এর চেয়ে অনেক বেশি মানুষ তার বক্তৃতা শুনেছেন সরাসরি টেলিভিশন সেটে। ওয়াচ টাইম বা দেখার সময়ের এনালিটিক্স দেখাচ্ছে গড়ে একজন দর্শক একটি ভিডিও ১.৭ মিনিট করে দেখেছেন। তবে লাইভ ইভেন্টে এটি ছিল গড়ে ২. ২৫ মিনিট। গড়ে দুই মিনিট ধরলে সোশ্যাল মিডিয়ার সকল দর্শক সব মিলিয়ে তারেক রহমানের দেশে ফেরার যে ভিডিওগুলো দেখেছেন তার মোট পরিমাণ ষাট কোটি মিনিট বা এক কোটি ঘণ্টা অর্থাৎ চার লাখ ১৬ হাজার ছয়শত ৬৬ দিন অথবা এক হাজার একশ ৪১ বছর।

বিশ্লেষণ আরও বলছে, লাইভ স্ট্রিমিং এবং দ্রুত শেয়ারের কারণে ৭৫ শতাংশ ওয়াচ টাইম ফেসবুক থেকে এসেছে। গ্রামীণ এবং মফস্বল এলাকার দর্শকরা ফেসবুকেই বেশি সক্রিয় ছিলেন। প্রবাসী দর্শকদের বড় অংশ ইউটিউব ব্যবহার করেছেন। অনেক প্রবাসী আবার তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন প্রত্যক্ষ করেছেন ওটিটি প্ল্যাটফর্মে। এর মধ্যে শীর্ষে ছিল আই স্ক্রিন।