• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

জাতীয়

নির্বাচন কমিশনের নতুন কোনো চ্যালেঞ্জ নেই: ইসি সানাউল্লাহ

প্রকাশ: শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১০:১৬
আপডেট: শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১০:১৬

নির্বাচন কমিশনের নতুন কোনো চ্যালেঞ্জ নেই: ইসি সানাউল্লাহ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
ছবি: প্রতিনিধি
আমাদের নির্বাচন কমিশনের নতুন কোনো চ্যালেঞ্জ নেই। আমাদের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হলো সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ একটি নির্বাচন নিশ্চিত করা। ইনশাআল্লাহ, আমরা সেই পথেই এগিয়ে যাচ্ছি এবং এটি সফল হবে বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

Stamford Details mid

তিনি বলেন, ‘আমি পটুয়াখালী এসেছিলাম রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ আমাদের ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলকে সঙ্গে নিয়ে। আমরা দুইটি টিমের মাধ্যমে জেলায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছি। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ‌১২ দিন বাকি থাকলেও আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রস্তুতি দেখে অত্যন্ত সন্তুষ্ট এবং আশাবাদী যে, পটুয়াখালীতে খুব ভালো নির্বাচন হবে।’

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) পটুয়াখালীতে জাতীয় সংসদ সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, ‘নির্বাচন কোনো নির্দিষ্ট শতাংশের ওপর নির্ভর করে না। আমরা চাই শতভাগ ভোটার ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হোক। আমরা পরিবেশ ও পরিস্থিতি যথাযথভাবে তৈরি করেছি এবং মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে বলে আশা করি।’

তিনি সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে বলেন, ‘বাংলাদেশে নির্বাচনের সময় সাধারণত যে পরিবেশ থাকে, তার তুলনায় এবার পরিস্থিতি মোটামুটি ভালো। কিছু ঘটনা ঘটে থাকলেও তা সীমিত। আমরা চাই না নির্বাচনের কারণে কোনো অস্থিরতা সৃষ্টি হোক। প্রতিদ্বন্দ্বী দলের মধ্যে কিছু উত্তেজনা হতে পারে, তবে সেটি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকলে ভালো। নির্বাচনের পর আমরা সবাই একসঙ্গে সমাজে বসবাস করব।’

বিলবোর্ড-সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, বিলবোর্ডের জন্য কোনো রঙিন পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ নয়। তবে ব্যানার, ফেস্টুন ও হ্যান্ডবিলের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে। ডিজিটাল বিলবোর্ড থাকলে সেগুলো সাদা-কালো করার প্রয়োজন নেই।

নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ‘আমরা নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নেইনি; শুধু আইন অনুযায়ী নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫-এর ২১ নম্বর ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, সাধারণ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তারা কোনো পক্ষপাতমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারবেন না বা প্রার্থীদের পক্ষে-বিপক্ষে প্রস্তাব দিতে পারবেন না। তারা কেবল নির্বাচন-সংক্রান্ত তথ্য জনগণকে অবহিত করতে পারবেন।’

সভায় আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ভোটকেন্দ্রভিত্তিক প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয় এবং ভিজিল্যান্স টিমের দায়িত্ব ও কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বলেও জানান তিনি।

সভায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা এবং নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কমিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য করতে সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।