• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

রাজনীতি

১২ দফা অঙ্গীকারে ‘আগামী ভালুকা’র রূপরেখা দিলেন ডা. জাহিদ

প্রকাশ: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৪:৫৫
আপডেট: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৪:৫৫

১২ দফা অঙ্গীকারে ‘আগামী ভালুকা’র রূপরেখা দিলেন ডা. জাহিদ

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
ছবি: প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ-১১ ভালুকা আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ডা. জাহিদুল ইসলাম তার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।

রবিবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ভালুকা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত জোটের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ইশতেহার প্রকাশ করেন।

‘আগামী ভালুকার ইশতেহার’ শীর্ষক এ ঘোষণায় ১২ দফা অঙ্গীকারের মাধ্যমে একটি আধুনিক, উন্নত ও টেকসই ভালুকা গড়ার রূপরেখা তুলে ধরেন তিনি। শাপলা কলি প্রতীকের এ প্রার্থী বলেন, আমি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আপনাদের কর্মচারী হিসেবে কাজ করতে চাই। এই ইশতেহার কোনো অলীক স্বপ্ন নয়; এটি ভালুকার প্রতিটি মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার একটি বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ।

সংবাদ সম্মেলনে ভালুকার বর্তমান অবকাঠামোগত দুরবস্থার চিত্র তুলে ধরে ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন, গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ঘুরে সাধারণ মানুষের যে ভোগান্তি তিনি দেখেছেন, তা অত্যন্ত হতাশাজনক। তিনি বলেন, পাশের উপজেলাগুলো যেখানে আধুনিক সড়ক ও অবকাঠামোয় এগিয়ে যাচ্ছে, সেখানে ভালুকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর অবস্থা এমন যে অনেক জায়গায় ধান চাষ করা যায়।

তিনি উল্লেখ করেন, স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে বারবার ভালুকার অভ্যন্তরীণ সড়কের খানাখন্দ ও ভেঙে পড়া ড্রেনেজ ব্যবস্থার খবর প্রকাশিত হলেও কার্যকর কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। এ কারণে তার ইশতেহারে অবকাঠামো উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

ইশতেহারে ঘোষিত ১২ দফার মধ্যে রয়েছে, পরিবেশ সুরক্ষায় রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং ও বনায়ন, প্রতিটি ইউনিয়নে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন, ১০০ শয্যার আধুনিক উপজেলা কমপ্লেক্স ও মোবাইল ক্লিনিক চালু, দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়ন, নারী ক্ষমতায়নে আইটি ও ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ, স্মার্ট কৃষি ব্যবস্থা, কোডিং ও ম্যাথ সলভিংসহ আধুনিক শিক্ষা, মাতৃস্বাস্থ্যে ‘মমতা কেন্দ্র’, পরিকল্পিত শিল্পায়ন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও সড়ক উন্নয়ন, নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ এবং মাসিক গণশুনানির মাধ্যমে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা।

ডা. জাহিদুল ইসলাম দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, নির্বাচনের পর অনেক জনপ্রতিনিধিকে এলাকায় পাওয়া যায় না। কিন্তু আমি নির্বাচিত হলে প্রতি মাসে জনগণের কাছে আমার কাজের হিসাব দেব এবং জনগণের মতামতের ভিত্তিতেই এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করব।

সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় জোটের স্থানীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং একটি সমৃদ্ধ, মানবিক ও উন্নত ভালুকা গড়তে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।