• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

সারাদেশ

আন্দোলনের মুখে অস্থায়ী কর্মচারীদের পর্যায়ক্রমে স্থায়ী করার ঘোষণা চসিক মেয়রের

প্রকাশ: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৯:৪৭
আপডেট: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৯:৪৭

আন্দোলনের মুখে অস্থায়ী কর্মচারীদের পর্যায়ক্রমে স্থায়ী করার ঘোষণা চসিক মেয়রের

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে দীর্ঘদিন ধরে অস্থায়ীভাবে কর্মরত কর্মচারীদের চাকরি আন্দোলনের মুখে পর্যায়ক্রমে স্থায়ী করার ঘোষণা দিয়েছেন মেয়র ডা. শাহদাত হোসেন। পাশাপাশি ডোর টু ডোর প্রকল্পের শ্রমিকদের নিয়োগপত্র প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

দীর্ঘ আন্দোলন চলমান রাখায় রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে অস্থায়ী কর্মচারীদের সাথে মত বিনিময়কালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, অস্থায়ী কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের শ্রম, নিষ্ঠা ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ধাপে ধাপে তাদের স্থায়ী করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে অস্থায়ীভাবে কর্মরত কয়েকশ শিক্ষক, চিকিৎসকসহ বিভিন্ন পদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্থায়ী করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কর্মচারীদের মধ্যে কাজের প্রতি আরও উৎসাহ, দায়বদ্ধতা এবং মনোবল বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করি।

তিনি আরও বলেন, একটি দক্ষ, স্বচ্ছ ও মানবিক প্রশাসন গড়ে তুলতে কর্মচারীদের চাকরির স্থায়ীকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সিটি কর্পোরেশন নাগরিক সেবাকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে কর্মীদের কল্যাণে বিভিন্ন ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

“অস্থায়ী যে সমস্ত কর্মচারীদের স্থায়ী করার জন্য জনবল কাঠামোতে পদ আছে এবং মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র আছে সেসব পদে আমরা পর্যায়ক্রমে স্থায়ী করে দিচ্ছিI এর বাইরে যারা অস্থায়ী আছেন তাদের স্থায়ীকরণের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য পদে কর্মরত অস্থায়ী কর্মচারীদেরও স্থায়ী করে দেওয়া হবে।

ডোর টু ডোর শ্রমিকদের নিয়োগপত্র প্রদান করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে জানিয়ে মেয়র বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রায় দুই হাজার শ্রমিক ডোর টু ডোর প্রকল্পের আওতায় কাজ করছেন। তাদের নিয়োগ পত্র না থাকায় তাদের শৃঙ্খলার মধ্যে আনা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। এজন্য ডোর টু ডোর প্রকল্পের আওতায় যে সমস্ত কর্মচারী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে কর্মরত আছেন তাদেরও নিয়োগপত্র দেওয়ার বিষয়টি আমরা বিবেচনা করছি। তবে কেউ কাজে ফাঁকি দিলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কেউ কাজ না করলে তাদেরকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে নতুনভাবে শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া হবে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী প্রমুখ।