• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

রাজনীতি

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে ‘আরেকটা জুলাই’ অবধারিত: আযাদ

প্রকাশ: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৭:৩৯
আপডেট: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৭:৩৯

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে ‘আরেকটা জুলাই’ অবধারিত: আযাদ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে গণতন্ত্রের কথা বললে তা দেশে নতুন করে অস্থিরতার জন্ম দিতে পারে। তিনি বলেন, যদি জুলাই চেতনা নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়, তাহলে দেশে ‘আরেকটা জুলাই’ অবধারিত হয়ে উঠবে।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) মাল্টিপারপাস হলরুমে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভার আয়োজন করে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামী। অনুষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহিদ দিবসের প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত হয়।

ড. আযাদ বলেন, “গণতন্ত্র সুসংহত করতে হলে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। জুলাই সনদ বাদ দিয়ে যারা গণতন্ত্রের কথা বলে, তারা মূলত স্বৈর্তন্ত্র কায়েমের পথে হাঁটছে।” তিনি আরও বলেন, জনগণের রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে যে আন্দোলন ও সংগ্রাম গড়ে উঠেছে, তার রাজনৈতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়ন না করলে পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হতে পারে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ রক্তপাত ও অধিকার হরণের গণতন্ত্র চায় না। জনগণ চায় এমন এক রাষ্ট্রব্যবস্থা, যেখানে মৌলিক অধিকার নিশ্চিত থাকবে এবং রাষ্ট্র জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ হবে।

ড. আযাদ একুশের চেতনার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রতিটি আন্দোলন স্বৈরতন্ত্র ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে গড়ে উঠেছিল। তিনি বলেন, “একুশের চেতনা মানে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি বা স্বৈরতন্ত্র নয়। একুশ থেকে জুলাই– প্রতিটি সংগ্রামই ছিল মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই।”

তিনি সতর্ক করে বলেন, রাজনৈতিক অঙ্গীকার থেকে বিচ্যুত হয়ে কেউ যদি জনগণের রায়কে উপেক্ষা করে, তাহলে তা গণতন্ত্রকে দুর্বল করবে। তিনি বলেন, “জুলাই চেতনা যদি সরকার বিনষ্টের চেষ্টা করে, তাহলে আবারও জুলাই আসবে।”

সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের নায়েবে আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুস সবুর ফকির। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।

সভায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয় এবং সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।