• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তির বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৩:৩৫
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৩:৩৫

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তির বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
সংগৃহীত ছবি
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যচুক্তি ঘিরে পরিস্থিতি এখনো ‘বিকাশমান’, এ বিষয়ে সরকার পর্যালোচনা চালাচ্ছে। বিশদ মূল্যায়নের পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী নেতারা।

মন্ত্রী জানান, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কসংক্রান্ত পদক্ষেপ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। বিষয়টিকে তিনি “ইভলভিং সিনারিও” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত আগের ধার্য করা ট্যারিফ বহালযোগ্য নয় বলে ঘোষণা করেছে। এরপর দেশটি প্রথমে সব দেশের জন্য ১০ শতাংশ এবং পরে ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়। তবে এসব বিষয়ে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত বিভিন্ন মাধ্যমে ঘোষণার তথ্য পেলেও সরকারি পর্যায়ে কোনো লিখিত নির্দেশনা পায়নি।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ট্যারিফ সংক্রান্ত বিষয় ১৫০ দিনের মধ্যে মার্কিন কংগ্রেস-এ অনুমোদন পেতে হয়। বাকি তথ্য গণমাধ্যমে দেখা যাচ্ছে, কিন্তু সরকারি কোনো কাগজপত্র এখনো পাওয়া যায়নি। ফলে পরিস্থিতি এখনো পরিবর্তনশীল।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আগের সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে বাণিজ্য চুক্তি করেছে, সেটি নিয়েও এখনো চূড়ান্ত মত দেওয়ার সময় আসেনি। তিনি বলেন, একটি চুক্তির পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন দিক থাকে, সেগুলো পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চুক্তি আলোচনার সময় কিছু নন-ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট ছিল এবং বিষয়টি সংবেদনশীল হওয়ায় এখনই এ নিয়ে মন্তব্য করা সমীচীন নয়। সংশ্লিষ্ট দেশটি বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় বিকাশমান পরিস্থিতিতে সতর্ক অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী জানান, ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে চুক্তি ছাড়াও বিভিন্ন খাতের সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং কোন খাতে কী ধরনের প্রতিবন্ধকতা রয়েছে তা তুলে ধরা হয়েছে।

বর্তমান বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যেসব পণ্যের আমদানি তদারকি করে সেগুলোর দাম স্বাভাবিক রয়েছে। তবে কিছু সবজি পণ্যের দাম একসঙ্গে বেশি পরিমাণে কেনাকাটার কারণে বেড়েছে।

তিনি বলেন, রমজান শুরুর আগে অনেকেই এক মাসের বাজার একসঙ্গে করে থাকেন, ফলে সাময়িকভাবে চাহিদা বাড়ে। বিক্রেতারাও কখনো পরিস্থিতির সুযোগ নেয়। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, ৪০–৫০ টাকার লেবু ১২০ টাকায় উঠেছিল, তবে পরে আবার স্বাভাবিক দামে ফিরে এসেছে।

চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “চাঁদাবাজি বন্ধে এত দিন বিভিন্ন সরকার আশ্বাস দিলেও কাজ হয়নি। অপেক্ষা করেন, আমরা কাজ করে দেখাব।”