জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি সংগৃহীত
প্রতি বছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালনে সরকারি নির্দেশনা দিয়ে পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখার উপসচিব আফরোজ স্বাক্ষরিত পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়।
পরিপত্রে বলা হয়, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ৭ নভেম্বরকে প্রতি বছর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবসের মর্যাদায় পালন করা হবে।
এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১১ মার্চ ২০২৬ তারিখের পূর্ববর্তী পরিপত্র অনুযায়ী ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবসের তালিকায় এ দিবসকে অন্তর্ভুক্ত হিসেবে গণ্য করার কথাও এতে বলা হয়েছে।
এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে বলেও পরিপত্রে উল্লেখ রয়েছে।
এর আগে গত ১৬ এপ্রিল সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি সাংবাদিকদের জানান, ৭ নভেম্বর আগে ‘জাতীয় বিপ্লব ও গণসংহতি দিবস’ হিসেবে পালিত হতো। দীর্ঘ ১৬ বছর পর দিবসটি পুনরায় চালু করা হয়েছে এবং এদিন সরকারি ছুটি থাকবে।
তিনি আরও জানান, ৬ জুলাই ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস’ হিসেবে পালন করা হবে, তবে এ উপলক্ষে কোনো সরকারি ছুটি থাকবে না।
উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর ৩ নভেম্বর জেলহত্যা এবং ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লবসহ ধারাবাহিক ঘটনাপ্রবাহ দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত। এসব প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বর্তমান সরকার ৭ নভেম্বরকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

