নিউজ ডেস্ক
সংগৃহীত ছবি
জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত দেশের পুলিশ প্রধানদের ৫ম সম্মেলনে ইউএন-কপস-২০২৬ অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
রবিবার (৫ জুলাই) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ সদরদপ্তর।
পুলিশ সদরদপ্তর জানায়, গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত দেশের পুলিশ প্রধানদের ৫ম সম্মেলনে ইউএন-কপস ২০২৬ অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ইউএনকপস ২০২৬ সম্মেলনে পাঁচ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে রয়েছেন। আইজিপি ছাড়া প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন অতিরিক্ত আইজি খোন্দকার রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুন প্রমুখ।
সম্মেলনের মূল অধিবেশনে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বক্তব্য রাখবেন। তাদের বক্তব্যে ভবিষ্যতে জাতিসংঘের পুলিশ কার্যক্রমে বাংলাদেশের অব্যাহত অঙ্গীকার, বাংলাদেশ পুলিশের পেশাগত দক্ষতা ও সক্ষমতা, শান্তিরক্ষা মিশনে দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও জনবান্ধব পুলিশিং ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হবে।
পুলিশ সদরদপ্তর জানিয়েছে, সম্মেলনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্যরা জাতিসংঘ পুলিশ ডিভিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন। এসব বৈঠকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পৃক্ততা, জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ে বাংলাদেশ পুলিশের কর্মকর্তাদের প্রতিনিধিত্ব আরও বাড়ানোর বিষয়, পুলিশের প্রশিক্ষণ ও পেশাগত সক্ষমতা উন্নয়ন এবং বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘ পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
দুই দিনব্যাপী ইউএন-কপস (ইউনাইটেড নেশনস চিফস অব পুলিশ সামিট) সম্মেলন আগামী ৭ ও ৮ জুলাই নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হবে।
পুলিশ সদরদপ্তর আরও উল্লেখ করেছে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে পুলিশ সদস্য প্রেরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ। দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এই সম্মেলনে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ পুলিশের পেশাগত সক্ষমতা, নেতৃত্বের দক্ষতা এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে দেশের অবদানকে আরও সুদৃঢ় ও দৃশ্যমান করতে সহায়ক হবে।













