জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবিঃ সংগৃহীত
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
একই সঙ্গে ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালায় বড় ধরনের সংশোধনী এনে ভোটকক্ষে ভোটার সংখ্যা বাড়ানো, ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা আগেভাগে প্রকাশ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক গোপন কক্ষ স্থাপনের বিধান রেখে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সাংবিধানিক সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী মাঠ কর্মকর্তাদের পাঠানো এক চিঠিতে ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময়সূচি জানান।
এতে বলা হয়, ৩১ জুলাই ২০০৮ বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী এবং ৩১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত নিবন্ধিত বা নিবন্ধনযোগ্য ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা হবে। ৪ আগস্টের মধ্যে খসড়া তালিকার পিডিএফ মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হবে, ৯ আগস্ট খসড়া প্রকাশ, ২৪ আগস্ট পর্যন্ত দাবি-আপত্তি গ্রহণ, ২৭ আগস্ট নিষ্পত্তি এবং ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।
বর্তমানে দেশে মোট ভোটার ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং হিজড়া ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন।
অন্যদিকে, ভোটকক্ষ বরাদ্দের নিয়মে বড় পরিবর্তন এনে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০২৫ সংশোধন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সংস্থাটি।
গত ৭ জুলাই প্রকাশিত ওই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, স্থানীয় সরকারের যে কোনো সাধারণ নির্বাচন ও উপনির্বাচন— উভয় ক্ষেত্রেই প্রতি ৬০০ জন পুরুষ এবং ৫০০ জন নারী ভোটারের জন্য একটি ভোটকক্ষ নির্ধারণ করা হবে। আগে এ সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৪০০ এবং ৩০০-৩৫০ জন। উপনির্বাচনেও একই নিয়ম কার্যকর হবে।
সংশোধিত নীতিমালায় ভোটগ্রহণের অন্তত ২৫ দিন আগে ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা প্রকাশের বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে, যা আগে ছিল ১৫ দিন। ভোটকক্ষ কমলেও ভোটগ্রহণে গতি বজায় রেখে ভোটারের চাপ কমাতে প্রতিটি ভোটকক্ষে প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক গোপন কক্ষ স্থাপনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে গড়ে প্রতি দুই হাজার ভোটারের জন্য একটি ভোটকেন্দ্র নির্ধারণসহ মৌলিক বিধানগুলো অপরিবর্তিত থাকছে।

