• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

সারাদেশ

চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও গ্রামে অবনতি

প্রকাশ: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬ ৬:৫৩
আপডেট: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬ ৬:৫৩

চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও গ্রামে অবনতি

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবিঃ সংগৃহীত
টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢল কিছুটা কমায় চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে। তবে নগরবাসীর মনে স্বস্তি ফিরলেও জেলার উপজেলাগুলোর গ্রামীণ জনপদে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে চরম মানবিক সংকটে পড়েছেন। দুর্গত এলাকায় প্রশাসনের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।​

স্থানীয় সূত্র ও প্রশাসন জানায়, গত দুই দিন বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে আসায় নগরীর চকবাজার, কাতালগঞ্জ, মুরাদপুর, বহদ্দারহাট ও আগ্রাবাদসহ নিচু এলাকাগুলো থেকে পানি নেমে গেছে। অধিকাংশ সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে নগরজীবনে।

তবে পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় গ্রামীণ এলাকার নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।​


দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী এবং উত্তর চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি, হাটহাজারী ও বোয়ালখালী উপজেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল ও লোকালয় এখন পানির নিচে। গ্রামীণ কাঁচা-পাকা রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় জেলা সদরের সাথে অনেক ইউনিয়নের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ঘরবাড়িতে পানি ওঠায় হাজার হাজার পরিবার গবাদিপশু ও জরুরি আসবাবপত্র নিয়ে সাইক্লোন শেল্টার ও উঁচু বাঁধে আশ্রয় নিয়েছেন।

দুর্গত এলাকাগুলোতে বিশুদ্ধ খাবার পানি, শুকনো খাবার ও গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।​

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় মাঠে থাকা সেনাবাহিনীর ১০ ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা স্পিডবোট নিয়ে দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকা থেকে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার করছেন। একই সাথে সেনাবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্প ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বানভাসি মানুষের মাঝে চাল, ডাল, শুকনো খাবার ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, গ্রামীণ এলাকার বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সরকারি ও বেসরকারিভাবে ত্রাণ তৎপরতা আরও বেগবান করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পাশাপাশি সেনাবাহিনী সহায়তা করছে। যার যার অবস্থান থেকে বানবাসীদের সহযোগিতার আহবান জানাচ্ছি।