• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

স্বাস্থ্য

আধুনিক জীবনযাত্রার প্রভাবে মাতৃদুগ্ধ বঞ্চিত অনেক শিশু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬ ৪:১১
আপডেট: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬ ৪:১১

আধুনিক জীবনযাত্রার প্রভাবে মাতৃদুগ্ধ বঞ্চিত অনেক শিশু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবিঃ সংগৃহীত
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আধুনিক জীবনযাত্রার কারণে অনেক নবজাতক প্রয়োজনীয় মাতৃদুগ্ধ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্বাস্থ্য ও স্বাভাবিক মানসিক বিকাশের জন্য উদ্বেগজনক।

শনিবার (০১ আগস্ট) রাজধানীর ন্যাশনাল বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান আয়োজিত বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, অতীতে পরিবারে শিশুর লালন-পালন এবং মাতৃদুগ্ধ পান নিশ্চিত করার বিষয়ে যে সচেতনতা ছিল, আধুনিক জীবনযাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে তা অনেকটাই কমে এসেছে। জন্মের পরপরই নবজাতককে মায়ের কাছ থেকে আলাদা করে রাখা, কর্মব্যস্ততা এবং পরিবর্তিত জীবনধারার কারণে অনেক মা শিশুকে প্রয়োজনীয় সময়ে মাতৃদুগ্ধ পান করাতে পারছেন না। ফলে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ছে।

তিনি বলেন, এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় জন্মের প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যেই নবজাতককে শালদুধ পান করানোর কোনো বিকল্প নেই। মায়ের দুধই শিশুর সর্বোত্তম ও প্রাকৃতিক খাদ্য, যা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি, শারীরিক বৃদ্ধি এবং মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে মায়ের স্নেহ, স্পর্শ ও মাতৃদুগ্ধ শিশুর সুস্থ মানসিক বিকাশের অন্যতম ভিত্তি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, পরিবারে অশান্তি, অবহেলা কিংবা শিশুকে দীর্ঘ সময় মায়ের কাছ থেকে দূরে রাখার নেতিবাচক প্রভাব তার আচরণ ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর পড়ে। অপুষ্টির কারণে অনেক শিশু সংক্রমণের ঝুঁকিতে থাকে। নিয়মিত মাতৃদুগ্ধ পান নিশ্চিত করা গেলে তাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে এবং সংক্রামক রোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়বে।

তিনি অতিরিক্ত ফাস্ট ফুড গ্রহণ, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও সুষম খাদ্যের অভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি শিশুর খাদ্য হিসেবে মায়ের দুধের পরিবর্তে বাজারজাত বিকল্প খাদ্যের ওপর অতিনির্ভরশীলতা কমানোর আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার, পরিবার পরিকল্পনার মহাপরিচালক ডা. জিন্নাত রেহানা এবং জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউনূস আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।