জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি:সংগৃহীত
সামনে স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় তিনি বলেন, অন্যায়কারী ও খারাপ লোকদের কমিটিতে আনা যাবে না।
রবিবার (৯ আগস্ট) রাত ৮টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউ হোটেলের অডিটোরিয়ামে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাংগঠনিক সভায় দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ এরশাদ উল্লাহ।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান প্রায় ২০ মিনিট নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সাংগঠনিক দিকনির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, সামনে স্থানীয় নির্বাচনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের আরও দায়িত্বশীল ও সতর্ক হয়ে কাজ করতে হবে। কোনো অন্যায়কারী বা খারাপ ব্যক্তিকে সাংগঠনিক কমিটিতে স্থান দেওয়া যাবে না। উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন এমনকি ওয়ার্ড পর্যায়ে একাধিক যোগ্য প্রার্থী থাকতে পারেন। কিন্তু দলের সমর্থন পাবেন একজন। সবার দায়িত্ব হবে ওই প্রার্থীর জন্য কাজ করে তাকে বিজয়ী করে আনা।
তারেক রহমান বলেন, কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে কোনো অন্যায়কারী, সন্ত্রাসী কিংবা মানুষের জন্য ক্ষতিকর ব্যক্তিকে রাখা যাবে না। নেতাকর্মীদের এমনভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ তাদের কর্মকাণ্ডে কষ্ট না পায়।
তিনি সতর্ক করে বলেন, আপনারা যদি অন্যায় করেন, মানুষকে কষ্ট দেন, তাহলে আমার সরকারে থাকা কষ্ট হয়ে যাবে। দেশে কোনো ধরনের অন্যায়, সন্ত্রাস, রাহাজানি কিংবা সাধারণ মানুষকে হয়রানি বা কষ্ট দেওয়া যাবে না উল্লেখ করে তিনি নেতাকর্মীদের জনগণের পাশে থাকার নির্দেশনা দেন।
সাংগঠনিক সভায় স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় কমিটি গঠন ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা, যোগ্যতা ও জনসম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
চট্টগ্রাম নগর যুবদলের সাবেক সহ প্রচার সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বলেন, সব ষড়যন্ত্র রুখে দেয়ার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী। তৃণমূল হচ্ছে বিএনপি’র প্রাণ। দেশ ও মানুষের জন্য সবাইকে কাজ করার আহবান জানান তিনি।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র আহবায়ক এরশাদ উল্যাহ এমপি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সাংগঠনিক সভায় বক্তব্য রাখেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।
একাধিক বিএনপি নেতাকর্মীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সভায় নেতাকর্মীদের প্রবেশের ক্ষেত্রে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল। চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের জেলা, উপজেলা, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রায় এক হাজার নেতাকে সাংগঠনিক সভায় প্রবেশের কার্ড দেয়া হয়। তবে প্রধানমন্ত্রী সভাস্থলে প্রবেশের পর যারা সভাস্থলে পৌঁছেছেন তারা আর প্রবেশের সুযোগ পায়নি।

