• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

বিনোদন

আইম্যাক্সে ‘দ্য ওডিসি’ দেখে যা বললেন স্পর্শিয়া

প্রকাশ: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১০:৪৮
আপডেট: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১০:৪৮

আইম্যাক্সে ‘দ্য ওডিসি’ দেখে যা বললেন স্পর্শিয়া

বিনোদন ডেস্ক
ছবি সংগৃহীত
বিশ্বখ্যাত পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলানের নতুন চলচ্চিত্র ‘দ্য ওডিসি’ দেখার দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হলো জনপ্রিয় অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়ার। নিউইয়র্ক ও নিউ জার্সির পুরো অঞ্চলে থাকা একমাত্র আইম্যাক্স ৭০ মিমি প্রযুক্তির প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি দেখেছেন তিনি। তবে নোলানের নির্মাণশৈলী ও আইম্যাক্স অভিজ্ঞতায় মুগ্ধ হলেও, এই ধরণের সীমিত প্রদর্শনব্যবস্থা ও গল্পের উপস্থাপন নিয়ে নিজের কিছু গঠনমূলক মতামত প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে স্পর্শিয়া জানান, সিনেমাটির অরিজিনাল আইম্যাক্স ৭০ মিমি ফরম্যাটের প্রদর্শনী দেখতে পাওয়াটা একপ্রকার অলৌকিক ব্যাপারই ছিল। তার কথায়, ‘অবশেষে ‘দ্য ওডিসি’ দেখলাম এর প্রকৃত ফরম্যাটে আইম্যাক্স ৭০ মিমি। টিকিট পাওয়া রীতিমতো দুঃস্বপ্নের মতো কঠিন ছিল। তবে ভাগ্য ভালো, ভোরের শো-য়ের একটি টিকিট পেয়ে গেছি। কারণ নিউইয়র্ক ও নিউ জার্সি মিলিয়ে পুরো এলাকায় মাত্র একটি প্রেক্ষাগৃহেই আইম্যাক্স ৭০ মিমি ফিল্ম প্রজেকশনের সুবিধা রয়েছে।’

‘দ্য ওডিসি’র টিকিট প্রসঙ্গে স্পর্শিয়া ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘আমার পরিবার এখানে থাকে, তাই পারিবারিক ভ্রমণে এসেছি। ওয়েবসাইটে প্রতিনিয়ত টিকিট খুঁজছিলাম; কেউ একজন টিকিট বাতিল করার সাথে সাথেই আমি সেটি কেটে নিয়েছি।’

অভিনেত্রীর ভাষ্যে, ‘ছোটবেলায় যে সাহিত্য ও পৌরাণিক কাহিনিগুলো ভালোবাসতাম, নোলানের বিশাল পর্দায় সেগুলো দেখা ছিল অসাধারণ এক অভিজ্ঞতা। এর নির্মাণশৈলী ও কারিগরি দক্ষতার প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা রয়েছে। তবে প্রশ্ন হলো, ছবিটি যেভাবে নির্মাণ করা হয়েছে, সেভাবে যদি অধিকাংশ দর্শক দেখতেই না পারেন, তাহলে এর সার্থকতা কোথায়?’

তিনি আরও বলেন, ‘এছাড়া ১০ বছরের দীর্ঘ যাত্রা এবং অসংখ্য ঘটনাকে মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যে তুলে ধরা নিঃসন্দেহে কঠিন। তবে নোলান এটিকে গল্প বলার ক্ষেত্রে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে পারতেন এবং আইম্যাক্স ৭০ মিমির ওপর পুরোপুরি নির্ভর না করে গল্প বলায় আরও বেশি মনোযোগ দিতে পারতেন। এই ধরনের প্রদর্শনব্যবস্থা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়।’

শেষে লিখেছেন, ‘বিশ্বজুড়ে মাত্র ৪১টি প্রেক্ষাগৃহে ছবিটি প্রদর্শনের সক্ষমতা রয়েছে, যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ২৫টি। তাই পুরো বিষয়টিকে বাস্তব অর্থে সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতার চেয়ে বরং একটি প্রিমিয়াম ইভেন্ট বলেই বেশি মনে হচ্ছে।’