• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

আইন-আদালত

বিএনপি নেতা ইসহাক হত্যা : সাবেক এমপি শাহজাহান ওমর গ্রেপ্তার

প্রকাশ: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬ ২:৫৭
আপডেট: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬ ২:৫৭

বিএনপি নেতা ইসহাক হত্যা : সাবেক এমপি শাহজাহান ওমর গ্রেপ্তার

বিএনপি নেতা ইসহাক হত্যা : সাবেক এমপি শাহজাহান ওমর গ্রেপ্তার

রাজধানীর আদাবর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে স্থানীয় বিএনপি নেতা ইসহাক জোমাদ্দারকে গুলি করে হত্যার মামলায় ঝালকাঠি-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মুহাম্মদ শাহজাহান ওমরকে সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত।

রবিবার (৩০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার উপপরিদর্শক মহেশ চন্দ্র সিংহ তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
আরো পড়ুন
২ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস
২ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, নিহত ইসহাক জোমাদ্দার (৫০) ছিলেন আদাবর থানা এলাকার ৩০নং ওয়ার্ডের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিকেলে আদাবর থানার শ্যামলী ক্লাব মাঠের বিপরীত পাশে আন্দোলন চলাকালে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। পরে গুরুতর অবস্থায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওই ঘটনায় হওয়া মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
আরো পড়ুন
সোমবার মন্ত্রিসভায় উঠছে পে স্কেল, বৃহস্পতিবারের মধ্যে প্রজ্ঞাপন
সোমবার মন্ত্রিসভায় উঠছে পে স্কেল, বৃহস্পতিবারের মধ্যে প্রজ্ঞাপন

তদন্তকারী কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নির্দেশে আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলি করা হয়, এতে ইসহাক নিহত হন। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও আসামি জামিনে মুক্তি পেয়ে আত্মগোপনে যাওয়া ঠেকাতে তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন ছিল।

এছাড়া ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমরের বিরুদ্ধে নিউমার্কেট, ঝালকাঠির রাজাপুর থানাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক হত্যা, দুর্নীতি ও বিস্ফোরক মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

google newsকালের কণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
Add as a preferred source on GoogleGoogle-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

এক মামলায় জামিনের পর নতুন মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক রেলমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:০৯ | আপডেট: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:২৫
এক মামলায় জামিনের পর নতুন মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক রেলমন্ত্রী
জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন এলাকায় মো. পারভেজ মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় সাবেক রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। রবিবার (৩০ আগস্ট) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হকের আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।

এ সময় সাবেক রেলমন্ত্রী একটি মামলায় জামিনের পর নতুন করে আরেক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার দাবি জানান।

মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক মো. জাকির হোসেন গত ১৯ আগস্ট এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। ওই দিন আদালত আসামির উপস্থিতিতে আজ রবিবার শুনানির দিন ধার্য করেন।

ওই আবেদনে বলা হয়, আসামি নূরুল ইসলাম সুজন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত বা অভিযুক্ত হওয়ায় তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো একান্ত প্রয়োজন।

এদিন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ আসামিকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী মোর্শেদ আলম শাহীন এর বিরোধিতা করেন।

শুনানির একপর্যায়ে কাঠগড়ায় দাঁড়ানো অবস্থায় আদালতের অনুমতি নিয়ে সাবেক রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘আমি পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেছি। আমি সেখান থেকে নির্বাচিত এমপি। আমার রাজনীতির ক্যারিয়ার ওখানেই। ওইখানে আমি ৪০ বছর ধরে অবস্থান করছি। সর্বশেষ আমি রেলমন্ত্রী হিসেবে ছিলাম। একটি মামলায় জামিন হলে আরেকটি মামলায় শ্যোন এরেস্ট দেখানো। কিসের ভিত্তিতে দেখানো হচ্ছে তা আপনার (বিচারক) বিবেচনা করা উচিত। তবে এই সময়ে আপনি (বিচারক) বিবেচনা করতে পারবের কি না আমি জানি না, তবে এটা এখন মূল বিষয়। এই বিষয়ে উচ্চ আদালতেও অনেক সিদ্ধান্ত রয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘কেউ দোষী হয়ে থাকলে অবশ্যই তার বিচার হবে। বর্তমান সরকার বড় বড় পদে থেকে মন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনেক ভালো ভালো কথা বলছেন। কিন্তু তার বাস্তব প্রয়োগ তো নেই। এ জন্য এগুলোতে বলব, মামলায় দুই বছর হলো, এজাহারে নাম নেই, ফরোয়ার্ডিংও নেই। অথচ এই মামলায় আমাকে শ্যোন এরেস্ট দেখানো হলো। এই শ্যোন এরেস্টটি আদৌও হবে কি না, আপনি (বিচারক) কেস ডকেটটা একটু দেখবেন। যদি সত্যি হয়, তাহলে অবশ্যই আপনি (বিচারক) আদেশ দেবেন। তবে এই পর্যায়ে এসে আপনি আদেশ দিতে পারবেন কি না আমার জানা নেই।’ বিচারক শুনানি শেষে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই আন্দোলনে অংশ নেন মো. পারভেজ মিয়া। ওই দিন বিকেল ৫টায় আসামিদের ছোড়া গুলিতে তিনি আহত হন। প্রথমে মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ বিশেষায়িত হাসপাতাল থেকে সুজনকে আটক করে পুলিশ। এরপর তাকে একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।

সালমান শাহ হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ফের পেছাল
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:০০
সালমান শাহ হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ফের পেছাল
চিত্রনায়ক মোহাম্মদ শাহরিয়ার (ইমন) ওরফে সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগে তার স্ত্রী সামীরা হক, সামীরার মা লতিফা হক লিও ওরফে লুসি ও খলনায়ক আশরাফুল হক ডনসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছেন আদালত।

রবিবার (৩০ অগাস্ট) এ মামলা প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদ আদালতে কোনো প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এজন্য ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ২০ মে হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে এই চিত্রনায়কের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে ২৪ মে সালমান শাহ’র মরদেহ উত্তোলনপূর্বক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার অনুমতি দেওয়া হয়। তখন বাদীপক্ষ মরদেহ উত্তোলনের আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আবেদনটি নথিভুক্ত করেন। গত ২২ জুন সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে কবর থেকে তার দেহাবশেষ উত্তোলনের প্রক্রিয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়।

সিলেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহা এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করেন। ওই আদেশের অনুলিপি সম্প্রতি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হলে তা নথিভুক্ত করা হয়।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ। সেসময় এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা করেছিলেন তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন জানান তিনি। অপমৃত্যু মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত। ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি।

প্রতিবেদনে সালমান শাহ’র মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। ওই বছরের ২৫ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন গৃহীত হয়। সেসময় সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী রিভিশন মামলা করেন। সবশেষ গত ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদীপক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি করেন সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামীরা হকসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

সামীরা ছাড়া মামলার অপর আসামিরা হলেন— শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাত আরো অনেককে আসামি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এ মামলায় গ্রেপ্তার আসামি খলনায়ক আশরাফুল হক ডন পাঁচ দিনের রিমান্ডে আছেন।

মামলার অভিযোগে মোহাম্মদ আলমগীর উল্লেখ করেন, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার বোন নিলুফার জামান চৌধুরী (নীলা চৌধুরী), বোনের স্বামী কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী এবং তাদের ছোট ছেলে শাহরান শাহ নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহের সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারেন, সালমান ঘুমাচ্ছেন।

কিছুক্ষণ পর প্রোডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে জানান, সালমানের কিছু হয়েছে। দ্রুত তারা বাসায় ফিরে দেখেন, সালমান শয়নকক্ষে নিথর পড়ে আছেন এবং কয়েকজন বহিরাগত নারী তার হাত ও পায়ে তেল মালিশ করছেন। পাশের কক্ষে সামীরার আত্মীয় রুবি বসে ছিলেন।

সালমানের মা চিৎকার করে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করেন। পথে তারা সালমানের গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখতে পান। পরে তাকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, সালমান শাহ অনেক আগেই মারা গেছেন।

মোহাম্মদ আলমগীর আরো উল্লেখ করেন, সালমানের বাবা কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী মৃত্যুর আগে ছেলের মৃত্যুকে হত্যা বলে সন্দেহ করে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি দরখাস্ত দাখিল করেন। এতে তিনি রমনা থানার অপমৃত্যু মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ এবং সিআইডির মাধ্যমে তদন্তের আবেদন জানান। সালমানের বাবার মৃত্যুর পর আলমগীর তার বোনের পক্ষ থেকে মামলাটি পরিচালনা করছেন।

৬৪ জেলায় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপকে দেওয়া দায়িত্ব চ্যালেঞ্জ করে রিট
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:১৪ | আপডেট: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:২২
৬৪ জেলায় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপকে দেওয়া দায়িত্ব চ্যালেঞ্জ করে রিট
মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপদের জেলাভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টনের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন বিরোধী দলের ১১ জন সংসদ সদস্য। তাদের পক্ষ থেকে আজ রবিবার এ রিট আবেদন করেন আইনজীবী শিশির মনির।

দেশের বিভিন্ন জেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণসহ সার্বিক সরকারি কার্যাবলি তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপদের। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

আবেদনকারী সংসদ সদস্যরা হলেন নাজিবুর রহমান, মীর আহমেদ বিন কাসেম, গোলাম রাব্বানী, নুরুল ইসলাম, মাসুদ পারভেজ, মো. আজিজুর রহমান, শেখ মনজুরুল হক, শফিকুল ইসলাম মাসুদ, সালাউদ্দিন ও মো. জহিরুল ইসলাম। হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে এর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির জানান, ২০০১ সালে একইভাবে জেলা ভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছিল। তৎকালীন এই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন দায়ের করা হয়। উক্ত রিট মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ দায়িত্ব বণ্টন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক ঘোষণা করেন।

বাংলাদেশের সংবিধান ও উচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী এই ধরনের সিদ্ধান্ত আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত এবং বেআইনি বলে মন্তব্য করেছেন শিশির মনির।

আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন হাবিবুল গনি
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১১:০০ | আপডেট: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১১:৫২
আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন হাবিবুল গনি
সংগৃহীত ছবি
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মো. হাবিবুল গনি। রবিবার (৩০ আগস্ট) সকালে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি তাকে শপথবাক্য পাঠ করান।

শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী।

গত ২৭ আগস্ট বিচারপতি মো. হাবিবুল গনিকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত বিচারক মো. হাবিবুল গনিকে তার শপথ গ্রহণের তারিখ হতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, আপিল বিভাগের বিচারক নিয়োগদান করেছেন। এ নিয়োগ শপথ গ্রহণের তারিখ হতে কার্যকর হবে।

বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তার নিয়োগের মধ্য দিয়ে প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা দাঁড়াল ৫ জন।