শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি : সংগৃহীত
তামাক ও নিকোটিন পণ্য ব্যবহারের কারণে হৃদরোগ, স্ট্রোক, ক্যান্সারসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগে মানুষ মৃত্যুবরণ করেছে। বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭৪ শতাংশই এসব রোগের কারণে ঘটছে।
শক্তিশালী আইন প্রণয়ন ও কঠোর বাস্তবায়ন ছাড়া অসংক্রামক রোগজনিত অকাল মৃত্যু এক-তৃতীয়াংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন কঠিন। তাই তামাক ও নিকোটিন পণ্যের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) ও অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স (আত্মা) আয়োজিত ‘তামাক নিয়ন্ত্রণ, এনসিডি ও এসডিজি: বাংলাদেশের অগ্রগতি ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এ আহ্বান জানানো হয়।
বৈঠকে বলা হয়, দেশে তামাক ব্যবহারজনিত রোগে প্রতি বছর প্রায় ২ লাখ মানুষ মারা যান। এটি এসডিজির স্বাস্থ্যবিষয়ক লক্ষ্য-৩ অর্জনের পথে অন্যতম বড় বাধা। শুধু স্বাস্থ্য নয়, দারিদ্র্য নির্মূল, খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই কৃষি, মানসম্মত শিক্ষা, লিঙ্গ সমতা, পরিবেশ, জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণসহ এসডিজির প্রায় সব লক্ষ্য অর্জনেই তামাক বড় অন্তরায় হিসেবে কাজ করছে।
গোলটেবিল বৈঠকে আরও বলা হয়, সম্প্রতি সরকার তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করেছে, যা প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তবে ই-সিগারেট, ভেপিংসহ উদীয়মান তামাক ও নিকোটিন পণ্যকে আইনের আওতার বাইরে রাখা উদ্বেগজনক। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এসব পণ্যের ক্ষেত্রেও যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় বিশ্বের অনেক দেশ ইতোমধ্যে এসব পণ্য নিষিদ্ধ করেছে।
বৈঠকে সদ্য পাশ হওয়া আইনের আওতায় দ্রুত প্রয়োজনীয় বিধিমালা প্রণয়ন এবং তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ থেকে আইন ও নীতিকে সুরক্ষায় এফসিটিসির আর্টিকেল ৫.৩ বাস্তবায়নের তাগিদ দেওয়া হয়।
আ/আ

