• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

জাতীয়

প্রকল্পের মেয়াদ-ব্যয় বৃদ্ধি রোধে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

প্রকাশ: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৫:৩২
আপডেট: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৫:৩২

প্রকল্পের মেয়াদ-ব্যয় বৃদ্ধি রোধে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি সংগৃহীত
সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে বারবার মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ার প্রবণতা ঠেকাতে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা জোরদার, বাস্তবায়ন প্রস্তুতি দ্রুত করা, মনিটরিং বাড়ানো এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

একই সঙ্গে শিল্পখাতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও নতুন এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমদানি করা জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে ২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্তত ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে পৃথক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান।

স্পিকার হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে বেলা সাড়ে ৩টায় সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির পেছনে দুর্বল সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, যথাযথ ব্যয় প্রাক্কলনের ঘাটতি, ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্ব, ক্রয় প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা, দুর্বল মনিটরিং ও জবাবদিহিতার অভাবসহ বিভিন্ন কারণ রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে প্রকল্প অনুমোদনের আগে নির্ভুল সমীক্ষা নিশ্চিত, বাস্তবায়ন প্রস্তুতি দ্রুত এবং প্রকল্প পর্যালোচনা জোরদার করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ড্যাশবোর্ড স্থাপনের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে তদারকি বাড়ানো হচ্ছে।’

৩০ শতাংশের কম অগ্রগতি থাকা প্রকল্পের উপযোগিতা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনে পুনর্বিন্যাস, পরিধি পরিবর্তন বা বন্ধের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প শেষ না হলে বিলম্ব ও ব্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখে দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক নিয়োগে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব এবং সরকারি ক্রয়ে ই-জিপি সম্প্রসারণের কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

শিল্পখাতে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ৪ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার ২ডি ও ৪ হাজার ২০০ বর্গকিলোমিটার ৩ডি সাইসমিক সার্ভে করা হবে। কুতুবজোমে নতুন ভাসমান এবং মাতারবাড়ীতে ল্যান্ড-বেইজড এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কাজ চলছে। যথাক্রমে ২০২৮ ও ২০৩০ সালের মধ্যে এসব টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহের আশা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ২০৩০ সালের মধ্যে অন্তত ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। এর আওতায় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট এবং ভূমিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে উৎসাহ দিতে সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জামে কর ও শুল্ক সুবিধা এবং ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে গ্রিডে সরবরাহ করা উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের জন্য বিশেষ মূল্য নির্ধারণের কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।