• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

জাতীয়

ভারতের সঙ্গে করা ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা হচ্ছে, শিগগিরই সিদ্ধান্ত: চিফ হুইপ

প্রকাশ: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৩:০৬
আপডেট: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৩:০৬

ভারতের সঙ্গে করা ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা হচ্ছে, শিগগিরই সিদ্ধান্ত: চিফ হুইপ

শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে করা ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনা করছে বর্তমান সরকার। এসব চুক্তির মধ্যে দেশের স্বার্থবিরোধী কোনো বিষয় রয়েছে কি না, তা যাচাই করে শিগগিরই প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

চিফ হুইপ বলেন, দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় সরকার। তবে বন্ধুত্বের নামে কোনোভাবেই বাংলাদেশের স্বার্থ বিসর্জন দেওয়া হবে না। শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে করা চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করে দেশের স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো বিষয় পাওয়া গেলে তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চট্টগ্রাম বন্দরের প্রসঙ্গ তুলে নুরুল ইসলাম মনি বলেন, বাংলাদেশ ও কোনো বন্ধুদেশের দুটি জাহাজ একই সময়ে বন্দরে এলে বন্ধুদেশের জাহাজ আগে খালাস করার মতো বিভিন্ন ব্যবস্থা ও চুক্তি আগের সরকার করে গেছে। দেশের স্বার্থবিরোধী এমন অসংখ্য চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে বর্তমান সরকার। দেশের স্বার্থ রক্ষার পরই অন্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রাখা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত আমন্ত্রণ না জানানোর বিষয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন চিফ হুইপ। স্বাধীন দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁকে আমন্ত্রণ না জানানোয় অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনে সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমও তুলে ধরেন নুরুল ইসলাম মনি। তিনি জানান, নয় কার্যদিবসের এ অধিবেশনে ছয়টি বিল পাস হয়েছে। সংসদ সদস্যদের ১ হাজার ৬৭৮টি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি ১৫টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।

সম্পত্তি হস্তান্তরসংক্রান্ত একটি বিলের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মা-বাবা জীবদ্দশায় সন্তানকে সম্পদ দান করার পরও তাঁদের ভোগদখলের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। এ বিলের বিরোধিতা করে বিরোধী দলের নেতারা ওয়াকআউট করায় সরকারি দলের সদস্যরা মর্মাহত হয়েছেন।

এসময় বিদ্যুৎ সংকট নিয়েও কথা বলেন চিফ হুইপ। তিনি বলেন, নতুন ৫০০ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে কমপক্ষে দুই থেকে আড়াই বছর সময় লাগে। আগের সরকারের সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন না করেও বিভিন্ন কেন্দ্রকে ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়ার মাধ্যমে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হয়েছে।

বর্তমান সরকার আগের দায়মুক্তির ব্যবস্থা বাতিল করেছে বলেও জানান তিনি। দেশকে স্বাবলম্বী ও এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ।