• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

ফিচার পোস্ট

কুসিক নির্বাচন : সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কায় ৪ মেয়রপ্রার্থী

প্রকাশ: সোমবার, ১৩ জুন, ২০২২ ৮:৫৫
আপডেট: সোমবার, ১৩ জুন, ২০২২ ৮:৫৫

কুসিক নির্বাচন : সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কায় ৪ মেয়রপ্রার্থী

ডেস্ক নিউজ

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচার শেষ, কাল ভোট। অন্যদের মতো মেয়রপ্রার্থীরাও বাড়িতে বসেই ভোটের দিনের কর্মসূচিতে চোখ বুলাচ্ছেন। দেখে নিচ্ছেন পোলিং এজেন্টদের তালিকা। কে কোন কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন, এ বিষয়ে কথা বলছেন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে।

এমন পরিস্থিতিতে সোমবার নিজ বাড়িতে বসেই যুগান্তরের সঙ্গে একান্তে কথা বলেছেন ৫ মেয়র প্রার্থী। একান্ত সাক্ষাৎকারে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ছাড়া অপর ৪ জনই সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়েছেন

সিটিতে ঝুঁকিপূর্ণ কোনো ভোটকেন্দ্র নেই: আরফানুল হক রিফাত

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী আরফানুল হক রিফাত বলেছেন, নির্বাচনে কোনো ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র নেই। এখানে মোট ২৭টি ওয়ার্ড আছে। আমি প্রতি ওয়ার্ডে ৫-৬ বার করে গিয়েছি। আমি আশাবাদী কোনো জায়গায় কোনো সমস্যা হবে না। সুন্দর নির্বাচন হবে। আমার প্রতিদ্বন্দ্বীরা না চাইলে কোনো ঝামেলাই হবে না। সোমবার দুপুরে শহরের নিজ বাসভবনে যুগান্তরকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

সদর আসনের ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় সংসদ-সদস্য কুমিল্লায় থেকে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে প্রভাববিস্তার করছেন বলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা অভিযোগ করছেন। এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে সরকারি দলের এই মেয়র প্রার্থী বলেন, তারা অভিযোগের একটা উদাহরণ দিক। তিনি কি আমার পক্ষে কোনো প্রচারে অংশ নিয়েছেন? তিনি স্থানীয় এমপি, নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি। কুমিল্লার মানুষ তাকে ভালোবাসে। ওনার ব্যাপারে যদি কেউ কোনো অবাস্তব সমস্যার কথা ইসিতে অভিযোগ আকারে জানায়, তবে আমি বলব-নগরবাসী ভোটের মাধ্যমে এর জবাব দেবে। কারণ, বাহার ভাই খুবই জনপ্রিয় মানুষ।

তিনি বলেন, ইভিএম-এ ভোট একটু ধীরগতিতে হয়, আমরাও এমনটাই শুনছি। এজন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব ভোটারদের কেন্দ্রে উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য। তারা যেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে গিয়ে ভোট দিতে পারেন, সেই চেষ্টা আমাদের থাকবে।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী এবং যারা দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন, তারা আপনার পক্ষে নেমেছেন কি না? আপনি তাদের কার্যক্রম নিয়ে সন্তুষ্ট কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রথমেই আমি আসি সীমার (আঞ্জুম সুলতানা সীমা) বিষয়ে। তিনি সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ-সদস্য। তার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তার কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবুও নির্বাচনি আইন মেনে তিনি কাজ করছেন। আমি বিশ্বাস করি, নেত্রীর নির্দেশের প্রতি তাদের আনুগত্য থাকবে। এর বাইরে গিয়ে যদি কেউ সমালোচনা করেন বা নৌকার হয়ে কাজ না করেন, তবে একটা সময় অবশ্যই নেত্রীর কাছে তাদের জবাবদিহি করতে হবে। গতকালও (রোববার) তানিম সাহেব মিছিল করেছেন। আমার জন্য ভোট চেয়েছেন। পাশাপাশি আমি মিঠুর সঙ্গে কথা বলেছি। সে আমাকে বলেছে, আপনি মনোনয়ন পেয়েছেন, আমি খুশি হয়েছি। এটা আপনার প্রাপ্য ছিল। কবির শিকদারের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। ওমর ফারুক ভাইয়ের সঙ্গেও আমার কথা হয়েছে। তারা যার যার বলয় থেকে নৌকার পক্ষে সক্রিয়।

আপনি নির্বাচনে ইশতাহার দেননি কেন? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি ইশতাহার দিইনি। আমি কুমিল্লার মানুষের কাছে কমিটমেন্ট দিয়েছি। তাদের বলেছি, এটা আমার অঙ্গীকারনামা।

সাবেক মেয়র সাক্কুর বিরুদ্ধে আপনি কিছু অভিযোগ তুলেছেন। এটা আপনি কেন আগে তুলেননি? সাক্কুর দাবি, ভোটের আগে উদ্দেশ্যমূলকভাবে এসব অভিযোগ সামনে আনা হচ্ছে? এ বিষয়ে আপনি কি কিছু বলবেন? জবাবে রিফাত বলেন, এই অভিযোগগুলো নতুন নয়। এগুলো অনেক আগেই আনা হয়েছে। আমি ওনার সামনে বসে এগুলো নিয়ে কথা বলতে চেয়েছি। আমি বলতাম, উনি উত্তর দিতেন। একটা ড্রেন চারবার করা হয়েছে। চারবার টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। একটা রাস্তা করেছে। ১০-১২ দিন পরে সব উঠে গেছে। আমার কাছে প্রমাণ আছে।

আপনি নৌকার প্রার্থীর বাইরে ব্যক্তি রিফাতকে কেন ভোট দেবে? জবাবে তিনি বলেন, আমি খেলার মাঠের মানুষ। খেলার মাঠের মানুষ মনের দিক দিয়ে অনেক বড়ো হয়। আমি মানুষের সঙ্গে ছিলাম। আমার সংগ্রাম ছিল কুমিল্লার মানুষকে মাদকমুক্ত রাখা। নতুন প্রজন্মকে খেলার মাঠে রাখা। এছাড়া আমি ছাত্ররাজনীতি করেছি। সেখান থেকে মানুষের জন্য কাজ করতে রাজনীতিতে এসেছি।

বিজয়ের ব্যাপারে কতটা আশাবাদী জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি আমার বিজয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। বিজয়ী হলে আপনার প্রথম কাজ কী হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার প্রথম কাজ হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে। যারা বিগত বছরগুলোয় সিটি করপোরেশনে দুর্নীতি করেছে, আমি তাদের শ্বেতপত্র প্রকাশ করব। সে যেই হোক। কারণ আমি চাই-কোনো কিছুই যেন আনচ্যালেঞ্জ না যায়। আমি যদি মেয়র হই, দুর্নীতি করি, তবে আমার পরে যিনি আসবেন তিনিও যেন আমার দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ করেন। আমি চাই-এই জায়গায় যে যাবে, তাকে যেন মানুষের কাছে জবাবদিহি করতে হয়।

বহিরাগত এনে ভোট স্লো করতে চায়: মনিরুল হক সাক্কু

সাবেক মেয়র এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী টেবিল ঘড়ি প্রতীকের মনিরুল হক সাক্কু বলেছেন, আমি শুনছি তারা বাইরে থেকে লোক এনে প্যানিক সৃষ্টি করবে, ভয়ভীতি দেখাবে। ভোট স্লো করার জন্য কেন্দ্রের সামনে বাইরের লোক এনে রাখবে। ফলে ভোটাররা ভয়ে কেন্দ্রে যাবে না। সিটি করপোরেশনের আশপাশে সবই ইউনিয়ন পরিষদ। আর সেখানে চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে সব কিন্তু আওয়ামী লীগের। আমি যতটুকু জেনেছি ও শুনেছি, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে লোক এনে তারা ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে। তাই শঙ্কার কথা বললাম। ভয়ের পরিবেশ তৈরি করলে তো ভোট স্লো হবে। সোমবার দুপুরে নিজ বাসভবনে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। মনিরুল হক সাক্কু আরও বলেন, ভোটারদের কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য আমরা কর্মীদের দিয়ে চেষ্টা করছি। আমি নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করব-তারা ভালো সুযোগ পেয়েছে, ভালো ভোট উপহার দিয়ে জনগণের কাছে প্রমাণ করুক তারা পারে। জয়-পরাজয় তো আল্লাহর ইচ্ছা। এখন মানুষ খুব সজাগ। ভোট সুষ্ঠু হয়েছে কি না, তারা তা দেখবে।

এক প্রশ্নের জবাবে সদ্য সাবেক এই মেয়র বলেন, আগের দুই নির্বাচনেও আমি বিরোধী দলেই ছিলাম। বিরোধী দলে থাকলে তো আমরা চাপের মধ্যেই থাকি। এটাই নিয়ম। কিন্তু এবার এমপি মহোদয় নিজেই হেলিং করতেছে। উনি যেটা করছেন, সেটা আইনের মধ্যে পড়ে না। কিন্তু আমরা তো সরাসরি তাকে কিছু বলতে পারি না। আমরা যেখানে বলার, সেই নির্বাচন কমিশনে বলেছি। তারা কী করে, সেটা দেখার অপেক্ষায় আছি।

দলীয় প্রার্থী না হলেও আপনার দলেরই আরেকজন প্রার্থী রয়েছেন, এটা আপনার ভোটে প্রভাব ফেলবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার হাত দিয়েই তার রাজনীতি শুরু। প্রথম পোস্ট তাকে আমি আমার হাত দিয়েই দিই। ডিগ্রি কলেজের সভাপতি আমিই তাকে বানিয়েছি। রাজনীতিতে উত্থানপতন হয়। তারা এখন বড় হয়ে গেছে। আরও বড় হোক। কিন্তু রাজনীতি আর ভোট এক জিনিস নয়। ভোট করতে হলে আপনাকে আগে ভোটারের কাছে যেতে হবে। এটা না হলে কেন আপনি নির্বাচন করবেন। আমি তো হঠাৎ করে নির্বাচন করছি না। কিন্তু উনি তো হঠাৎ এসেছেন। আমি মনে করি, এতে আমার জন্য ভালোই হয়েছে। তারা অতীত থেকেই আমার বিরোধিতা করেছে। এই বিরোধীদের ভোট কিন্তু নৌকায় যেত। এবার নৌকায় না দিয়ে, তাদেরটা তারা পাবে। তাদের এই ভোট কিন্তু আমি জীবনেও পাইতাম না।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী অভিযোগ করেছেন আপনি নগরের উন্নয়নে কাজ করেননি এবং সীমাহীন দুর্নীতি করেছেন-এ বিষয়ে কী বলবেন? তিনি বলেন, তারা তো কুমিল্লারই মানুষ। এই অভিযোগ তো তারা আগেই করতে পারত। নির্বাচনের আগে, মেয়র প্রার্থী হওয়ার পরে কেন এমন অভিযোগ তোলা হচ্ছে? তাদের কাছে কোনো প্রমাণ থাকলে সেটা বলতে পারত। এটা করতে কি নয় বছর লাগে? এটা তো যে কেউ যখন-তখনই করতে পারত। কিন্তু এটা ভোটের আগে কেন? নিশ্চয় কোনো কারণ আছে।

নির্বাচনের পরিবেশ কেমন দেখছেন এবং আপনার কোনো অভিযোগ আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর ইসি স্থানীয় সংসদ-সদস্যকে চিঠি দিয়েছে। তারপরও কি তিনি সরেছেন? সরেননি। তিনি বরং সবাইকে ডেকে মিটিং করছেন। এখানে ইসির ব্যর্থতা রয়েছে দাবি করে তিনি আরও বলেন, এখানে ইসি ব্যর্থ, সিইসি ব্যর্থ। আবার এটাও সত্য-আইনপ্রণেতাই আইন ভঙ্গ করছেন। তবে আইন ভঙ্গ করলে কী করতে হয়, সেটাও তো নির্বাচন কমিশন জানে। আইন তো সবার জন্য সমান।

সংসদ-সদস্য এলাকায় থাকলে তিনি ভোটে মেকানিজম করতে পারেন-এমন আশঙ্কা করছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা শুধু আশঙ্কা নয়। এটা প্রমাণিত। উনি তিনবারের এমপি। ওনার তো একটা প্রভাব আছে। আপনার নেতাকর্মীদের গ্রেফতার, হয়রানি করা হচ্ছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা তো চলছেই। অহরহ হচ্ছে। আমার এজেন্ট কে হতে চায় বা কে হচ্ছে, তাদের বলা হচ্ছে ১৫ তারিখের পরে দেখে নেব। তাদের মনোবল নষ্ট করতে চায়। গতকাল একটা সামান্য ঘটনায় আমার এক কর্মীকে আটক করে ৩০৭ ধারায় মামলা দিয়েছে। এটা কোনোভাবেই হতে পারে না। তবুও এটা করেছে। এগুলো চলছে।

সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ দেখছি না: নিজাম উদ্দিন কায়সার

বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী নিজাম উদ্দিন কায়সার বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো পরিবেশ দেখছি না। স্থানীয় সংসদ-সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার নগরীতে অবস্থান করে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। নির্বাচন কমিশন ওই সংসদ-সদস্যের ব্যাপারে অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছে। তার মানে, এ নির্বাচন কমিশন মেরুদণ্ডহীন। এ কমিশনের অধীনে কোনোভাবেই সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করা যায় না।

সোমবার দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। নিজাম উদ্দিন কায়সার ঘোড়া প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। তিনি বলেন, ওই সংসদ-সদস্য নির্বাচনের দিন ব্যাপক প্রভাববিস্তারের প্রস্তুতি নিয়েছেন। আমার কর্মী-সমর্থকদের নানাভাবে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। শেষ মুহূর্তে এসে পরিবেশটাকে একেবারেই ঘোলাটে করে দেওয়া হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে কোনোভাবেই নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে বলে আমি মনে করছি না। আমার উদ্বেগের বিষয়গুলো রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবরে লিখিতভাবে জানিয়েছি। কায়সার বলেন, বিএনপি-জামায়াতসহ সরকারবিরোধী ভোটের প্রবাহ আমার দিকেই রয়েছে। এছাড়া দানবীয় শাসনের বিরুদ্ধে আমিই সবচেয়ে বেশি প্রতিবাদ করে আসছি। মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করছি। কুমিল্লাবাসী এবার তারুণ্যের জয় দেখতে চায়, পরিবর্তনের লক্ষ্যে আমাকেই নগরপিতার আসনে দেখতে চায়। তিনি বলেন, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলে আমি ঘোড়া প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে জয়লাভ করব।

অন্য দুই প্রার্থী যা বললেন : স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল আহসান বাবুল বলেন, সরকারদলীয় প্রার্থী কিছুটা প্রভাববিস্তার করছে, এতে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে, সরকারদলীয় প্রার্থীর অবৈধ প্রভাববিস্তার বন্ধ করতে পারলে নির্বাচনটা সুন্দর হবে। অন্যথায় ভোট সুষ্ঠু হবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা আছে।

ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী রাশেদুল ইসলাম বলেন, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা পির সাহেব চরমোনাইয়ের নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি। এ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর প্রভাববিস্তারের বিষয়টি অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে গেছে। আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ প্রভাবমুক্ত নির্বাচন দাবি করছি। কিন্তু বাস্তবে কতটা হবে, তা নিয়ে আশঙ্কা আছে।