• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

মতামত

সরকারের ১০০ উপলক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ। নির্বাচন নিয়ে শুভঙ্করের ফাঁকি !

প্রকাশ: সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৪ ১১:৩৯
আপডেট: সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৪ ১১:৩৯

96665896

সরকারের ১০০ উপলক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ। নির্বাচন নিয়ে শুভঙ্করের ফাঁকি !

আমাদের প্রধান উপদেষ্ঠা ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুস তার সরকারের ১০০ দিন পূর্ণ হবার পর জাতির উদ্দেশে একটি ভাষণ দিয়েছেন। আসলে এই ভাষণে জাতির জন্য কি কি বার্তা আছে ? প্রধান উপদেষ্ঠা তারা ভাষণে সরকারের সফলতার কথাই বেশি ফোকাস করেছেন যতটুকু সফলতা তুলে ধরেছেন ততটুকু সফলতা আসলে আসেনি। জনগণের আশার ১০% ও কিছুই হয়নি। যদি বলি প্ৰশাসন কি ঠিক করতে পেরেছেন? দ্রব্যমূল্যে কি নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছেন ? আহতদের চিকিৎসায় একরেবারে সরকার ব্যার্থ হয়েছে সরকার। পুরুপুরি একটি ব্যালান্স বক্তব্য দিয়েছেন । যাই হউক তার বক্তব্যে সবচাইতে যে বেশি আকষণীয় ছিল নির্বাচন নিয়ে তিনি কি বলেছেন –আর এটির আগ্রহই জাতির কাছে সবচাইতে বেশি ছিল। দেশের সমস্ত মিডিয়াতেই ফলাও খবর ছেপেছে নির্বাচনে ট্রেন চলতে শুরু করেছে থামবে না —কিন্তু কথা হলো সেই ট্রেনতো গন্তব্যহীন –যার শেষ নেই —মূল কথা হলো প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে কি নির্বাচন নিয়ে কোন পরিপূর্ণ কমিটমেন্ট কি মিলেছে ? একেবারেই মিলে নাই –আসুন কয়েকটি পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করি –তিনি বলেছেন সংস্কারের সিদ্ধান্ত হলে নিবার্চনী রোডম্যাপ পেয়ে যাবেন -আরেকটি কথা বলেছেন পয়েন্ট সেটি হলো সংস্কারকে পাশ কাটাবেন না বলেছেন –এই দুটি কথা থেকে বুঝা গেলো সংস্কার করতে সরকার বদ্ধ পরিকর -এই মেসেজটা তিনি দিয়েছেন। তার মানে নির্বাচন নিয়ে আশ্বাস দিলেও সংস্কারটা কিন্তু প্রায়োরিটিতে রয়ে গেছে। এরই সূত্র ধরে তিনি কি বললেন? বললেন সসংস্কারের জন্য প্রযোজ্য হলে নির্বাচন কয়েকমাস পিছাবে -গুরুত্ব পূর্ণ সংস্কার শেষ না করে সরকার নির্বাচনী রড ম্যাপ দিবে না এটি তার বক্তব্য থেকে স্পষ্ট বুঝা গেছে তাতে সন্দেহ নেই। একেবারে তিনি স্পষ্ট করে আরেকটি কথা বলেছেন যে সবাই ঐক্যমত হওয়ার পরে রোডম্যাপ আসবে –সবাই কখন ঐক্যমত হবে ? বড় প্যাচটি এখানেই —-বলা হয়েছে সংস্কার কমিশনের রিপোর্টার পর জানুয়ারিতে এগুলো নিয়ে বসা হবে , এর পর কতটুকু সংস্কার করা যাবে এই সিদ্ধান্তের পর সবার মত মত চাওয়া হবে এর পর সবাই ঐক্যমত হলে -সেই সংস্কারটুকু হলে পরে নির্বাচনে যাবে। যে সবাই ঐক্যমত্ম হবে পর ! এখন কথা হলো এই সংস্কারে যদি সবাই ঐক্যমত না হয় তাহলে কী হবে ? ঐক্যমত হওয়ার কি কোন লক্ষ্য আছে ? ইতোমধ্যে আপনারা দেখেছেন যে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ইস্যুতে ঐক্যমত হয়নি , নতুন সংবিধান লেকের ক্ষেত্রে কীট ঐক্যমত কেউ হয় নাই , বিভক্তি লক্ষ করছি ,
তাহলে এতে যদি ঐক্যমত না হয় তাহলে নিবার্চন কি হবে ? সে আবার একটি জগাখিচুড়ি তৈরী হবে –মাসের পর মাস সময় নষ্ট হবে।
এখানে আরেকটি প্যাচ ও উদ্দেশ উদ্দেশ আছে এই সংস্কারের সময় নিয়ে খেলে সময় অতিবাহিত করে নতুন একটি রাজনৈতিক দোল গঠন করা হবে।
এই বার্তাটি এখন একেববারে স্পষ্ট যে নতুন একটি রাজনৈতিক দোল গঠনে প্রক্রিয়া চলছে , তাহলে কি আমরা ধরে নিতে পারিনা যে সময় পার করার মধ্যে দিয়ে অপেক্ষা করা হচ্ছে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করার , তখন নির্বাচনী রোডম্যাপ আসবে যাতে ওই নতুন রাজনৈতিক দলটিও নির্বচনের জন্য প্রস্তুতি ও পরিকল্পনার সময় পায় । সর্বশেষ কথা হল এই মারপ্যাচের মধ্যে দিয়ে সময় অতিবাহিত হবে কিন্তু এতো সজজে নির্বাচনে মুখ দেখা যাবে না।
অনিশ্চয়তা!!!!!
লেখকঃ আরিফ আল মাহফুজ, সাংবাদিক


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com