জনতার আওয়াজ ডেস্ক
নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারে ‘সুপারিশ’ প্রসঙ্গে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, ‘যারা গুরুতর মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন। ফেরারি আসামি। যারা নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলার ব্যাপারে ভয়াবহ ভূমিকা পালন করেছেন। তারা যেন নির্বাচনী অঙ্গন থেকে বিতাড়িত হন, এটা আমরা চেষ্টা করেছি।’
মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) টক-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দোষী সাব্যস্ত হলে তারা যেন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারেন। যারা কারাগারে রয়েছেন তারা ছাড়া অন্যরা সশীরে উপস্থিত হয়ে যেন মনোনয়নপত্র জমা দেন।’
তিনি বলেন, ‘আমরা কাউকে জোর করে বা অন্যায় করে বা অযাচিতভাবে কাউকে দূরে রাখার চেষ্টা করছি না। যারা অপরাধ করেছে, শাস্তি পেয়েছে বা প্রাথমিকভাবে অপরাধের প্রমাণ পেয়েছে, তাদের নির্বাচনি ব্যবস্থা থেকে দূরে রাখার সুপারিশ করেছি। আশা করি সরকার এসব সুপারিশ গ্রহণ করবে।’
ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোকে দায়বদ্ধ হতে হবে, আর্থিক দিক থেকে স্বচ্ছ হতে হবে। সদস্যদের কাছ থেকে নেয়া ফি, অনুদান আমরা নির্ধারণ করে দিয়েছি; দলের ব্যয় ইসিতে দেওয়ার পর তা প্রকাশ করতে হবে। অপরাধে জড়িতদেরকে যেন রাজনৈতিক দলের সদস্য না করে। রাজনৈতিক অঙ্গনও পরিচ্ছন্ন করার সুপারিশ দিয়েছি।’
এছাড়া ৪০ শতাংশের নিচে ভোট পড়লে পুনর্নির্বাচন, প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত, ইসির হাতে এনআইডি সেবা রাখা, দলের নিবন্ধন নবায়ন, বিদেশি শাখা বন্ধ, নতুন দলের নিবন্ধন সহজ করার বিষয়েও সুপারিশ রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

