• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

জাতীয়

জাতিসংঘের ‘মানবতাবিরোধী’ তদন্তে সরকারের পূর্ণ সহযোগিতা প্রয়োজন

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ৮:১৫
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ৮:১৫

জাতিসংঘের ‘মানবতাবিরোধী’ তদন্তে সরকারের পূর্ণ সহযোগিতা প্রয়োজন

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
জুলাই অভ্যুথানের গণহত্যায় জাতিসংঘের মানবতাবিরোধী তদন্তে সরকারের পূর্ণ সহযোগিতা করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন নেত্র নিউজের প্রধান সম্পাদক তাসনিম খলিল।

বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ‘মায়ের ডাক’ কর্তৃক ‘জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদন এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ-বিচার প্রক্রিয়া: আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তারা। সভায় গুম হওয়া পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তাসনিম খলিল বলেন, গতকাল জাতিসংঘ একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, যাকে আমরা সাধুবাদ জানাতে চাই। তাদের রিপোর্টের মূল কথাটা ছিল, জুলাই অভ্যুত্থানে আন্দোলনকারীদের উপর সংঘবদ্ধভাবে যে আক্রমণ চালানো হয়েছে, তা যে মানবতাবিরোধী অপরাধ, সেটা প্রমাণিত হয়েছে। তবে জাতিসংঘ বলছে যে, মানবতাবিরোধী অপরাধ আরো ভালোভাবে প্রমাণের জন্য অধিক তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে। আর এটা প্রমাণিত হয়ে গেলে তখন তা আর বাংলাদেশের বিষয় থাকবে না, এটি আন্তর্জাতিক একটি বিষয় হয়ে যাবে। এতে করে যারা অপরাধের সাথে জড়িত ছিল, তাদের আইনের আওতায় নিয়ে এসে বিচারকাজ করার ব্যাপারটি উঠে আসবে।

তিনি বলেন, আমরা চাই বাংলাদেশ সরকার জাতিসংঘের এই তদন্তে যা সহযোগিতা প্রয়োজন, তা সরবরাহ করুক। আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের যারা তদন্তকারী আছেন, তাদের সদিচ্ছার কোনো অভাব নেই। কিন্তু ক্যাপাসিটির একটি গুরুতর ঘাটতি রয়েছে, কারণ ফরেনসিক আর্কিটেকচার নিয়ে আমাদের কোনো স্পেশালিষ্ট নেই। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহায়তা আমরা চাইতেই পারি। এখানে জাতিসংঘ আমাদের হেল্প করতে পারে এবং সরকারের পক্ষ থেকেই উচিত এই এপ্রোচটা করা।

তিনি আরও বলেন, পাশাপাশি যে ব্যাক্তিরা বাংলাদেশ থেকে প্রচুর টাকা বিদেশে পাচার করেছেন, সে টাকা উদ্ধারেও সরকারের উচিত জাতিসংঘের সহায়তা নেয়া। এছাড়া আরো কি কি পদক্ষেপ নেয়া যায়, তা মানবাধিকার সংগঠনগুলো একসাথে বসে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, জনগণের কাছ থেকে একটি দাবি আসা। জনগণ বা ভুক্তভোগী পরিবাররা যদি মনে করেন যে সার্বিক বিষয়ে জাতিসংঘের সহায়তা চাওয়া হোক, তাহলে বর্তমান সরকার সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

গুম হওয়া পরিবারের সদস্যরা বলেন, পৃথিবীতে মানবতাবিরোধী সবচেয়ে বড় অপরাধ হচ্ছে গুম। কারণ গুম করা হলে হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তিটির কোন চিহ্নই থাকে না। পরিবারের কাছে কেবল তার স্মৃতিটুকুই থাকে। তার আর কোন অস্তিত্ব থাকে না। যারা ফিরে আসে নি তারা হয়তো আর্তনাদ করে বলেন, আমাকে ছেড়ে দেন আমি আর কিছুই করবো না, রাজনীতি করবো না। আমার ঘরে ছোট সন্তান আছে, বৃদ্ধ বাবা-মা আছে, আমাকে ছেড়ে দেন। কিন্তু ঘাতকদের কানে সেই আর্তনাদ পৌঁছায় না। যারা এই গুমের মতো ঘটনা ঘটিয়েছে আমরা তাদের সুষ্ঠু বিচার চাই।

বক্তব্যে গুম হওয়া সাংবাদিকের ছেলে মনোরম পলক বলেন, আমার বাবাকে গুমের পর জেলে রাখা হয়। কিন্তু জামিন দেয়া হয় নি। গুমের সেলগুলো এখনো ভাঙা হচ্ছে, রং করা হচ্ছে। তার মানে এর পেছনে এখনো টাকা খরচ করা হচ্ছে। সেটা কে করছে?

আরেক বক্তব্যে গুম পরিবারের সদস্য লামিয়া ইসলাম মীম বলেন, আমার কিচ্ছু লাগবে না। শুধু আমার বাবার হাতটা ধরে হাটতে চাই। আমরা শুনেছি আমার বাবা আয়নাঘরে আছে। কই? আমরা তো আয়না ঘরে দেখলাম, বাবাকে তো পেলাম না।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com