• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

নির্বাচন

স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে ঝিকরগাছার ১১টি ইউনিয়নে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা

প্রকাশ: বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫ ৫:০২
আপডেট: বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫ ৫:০২

স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে ঝিকরগাছার ১১টি ইউনিয়নে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা

বেনাপোল প্রতিনিধি
ছবি: প্রতিনিধি

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ঝিকরগাছা উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন পরিষদ ও ১টি পৌরসভায় দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির উপজেলা শাখার উদ্যোগে জরুরি বৈঠকে এ প্রার্থী তালিকাটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই শেষে এই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দলীয় সূত্র।

দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইসলামি মূল্যবোধ, সুশাসন, জনসেবা ও সামাজিক ন্যায়ের আলোকে পরিচালিত একটি শক্তিশালী স্থানীয় সরকার গঠন করাই তাদের লক্ষ্য। জামায়াত মনে করে, একটি কার্যকর ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা গড়ে তোলার জন্য জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে হলে আদর্শবান, সৎ এবং কর্মঠ নেতৃত্ব প্রয়োজন—এই লক্ষ্যেই তারা জনবান্ধব প্রার্থীদের মনোনয়ন দিয়েছে।

ঝিকরগাছার পৌর মেয়র পদে অধ্যাপক হারুন অর রশিদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়া উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীরা হলেন, মাওলানা সাইফুল ইসলাম (গঙ্গানন্দপুর ইউপি), মাগুরা ইউনিয়ন – নাম ঘোষণা প্রক্রিয়াধীন, মাষ্টার মনিরুজ্জামান (শিমুলিয়া ইউপি), মাওলানা নজরুল ইসলাম খান (গদখালি ইউপি), মিজানুর রহমান লাল্টু (পানিসারা ইউপি), মাওলানা আব্দুল আলিম (ঝিকরগাছা ইউপি), জিয়াউল হক (নাভারন ইউপি), মাওলানা আনারুল ইসলাম (নির্বাসখোলা ইউপি), অধ্যাপক শফিকুর রহমান (হাজিরবাগ ইউপি), আলহাজ নেছার উদ্দিন (শংকরপুর ইউপি) ও অ্যাডভোকেট হাবিব কায়সার (বাঁকড়া ইউপি)।

প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন অভিজ্ঞ আলেম, জনপ্রিয় শিক্ষক, সমাজসেবক, আইনজীবী এবং ব্যবসায়ী—যারা দীর্ঘদিন ধরে নিজ নিজ এলাকায় সমাজ উন্নয়ন ও ন্যায়ের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন।

দলীয় এই ঘোষণা স্থানীয় রাজনীতিতে ইতোমধ্যে আলোড়ন তুলেছে। জামায়াতের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর বিভিন্ন ইউনিয়নে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ করা যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে অনেক জায়গায়।

স্থানীয় একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, “জামায়াতে ইসলামীর এই আগাম প্রস্তুতি এবং তৃণমূল পর্যায়ের প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া প্রমাণ করে, দলটি এবার মাঠে সংগঠিতভাবে নামতে চায়।”