• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

মতামত

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ১ বছরবিটিভি নিউজ ফ্যাসিস্ট হাসিনার আস্থাভাজনদের নিয়ন্ত্রণে

প্রকাশ: শনিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৫ ১০:২৬
আপডেট: শনিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৫ ১০:২৬

966666598

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ১ বছরবিটিভি নিউজ ফ্যাসিস্ট হাসিনার আস্থাভাজনদের নিয়ন্ত্রণে

মোহাম্মদ অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার

ছাত্র -জনতার গণ-অভ্যুত্থানের ১ বছর অতিবাহিত হলেও একমাত্র রাষ্ট্রীয় চ্যানেল বাংলাদেশ টেলিভিশন এ মহাপরিচালক ও জেনারেল ম্যানেজার পরিবর্তন ছাড়া হয়নি কোন সংস্কার। ছাত্রদের দাবীর প্রেক্ষিতে প্রধান উপদেষ্টার চাওয়ায় দ্রুত সময়ের মধ্যে চালু করা হয় বিটিভি নিউজ নামের আলাদা টিভি চ্যানেল।
দুর্ভাগ্যের বিষয় হলেও সত্যি জুলাই ২০২৪ এ ছাত্র হত্যায় ইন্দনদাতাদের অন্যতম কুশীলব বিটিভির তৎকালীন বার্তা প্রধান হাসিনা ও হাছান মাহমুদের আস্থাভাজন মুন্সী ফরিদুজ্জামানকে সম্প্রতি দেয়া হয় বিটিভি নিউজের প্রধান বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব। শুধু তাই নয় হাসিনাস ম্যান সাবেক সিনিয়র সচিব মোঃ মহসিনের দুর্নীতিবাজ স্ত্রী ড. সৈয়দা তাসমিনা আহমেদকে দেয়া হয়েছে বিটিভির উপ- মহাপরিচালক বার্তার দায়িত্বে।
ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার প্রায় ১৬ বছরের শাসনামলে ড. সৈয়দা তাসমিনা আহমেদ বিটিভিতে অন্যতম প্রভাবশালী ও আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত। বিটিভির একাধিক সূত্র জানায়, তার ক্ষমতার উৎস ছিল, তার ভাসুর হিসেবে পরিচিত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলের সাবেক মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক ও তার স্বামী হাসিনার আমলে অন্যতম লুটপাটের মন্ত্রণালয় দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব মো. মহসিন।

শুধু তাই নয় বিটিভিতে শিল্পী তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের সাথে জড়িত এই তাসমিনাকে নিয়ে যখন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে তদন্ত চলছে তাকেই কোন ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রের স্পর্শকাতর এ দায়িত্ব প্রদান করা হল তাতে সকলেই হতবাক।
অপরদিকে , শেখ হাসিনার আস্থাভাজন হিসেবে ২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রেস উইং এ ছিলেন বিটিভির মুন্সী ফরিদুজ্জামান। সেসময়কার তার বন্ধুমহলের অধিকাংশ এখন পলাতক কেউবা জেলে। আর তিনি উল্টো প্রমোশন নিয়ে বিটিভি নিউজের প্রধান বার্তা সম্পাদক। বর্তমানে কখনও তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা , কখনও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিবের নাম ভাঙিয়ে দাপটের সাথে বিটিভি নিউজকে হরিলুটের আখড়ায় পরিণত করেছেন এই মুন্সী ফরিদ। সব সময় উপর মহল ম্যানেজের দাম্ভিকতা দেখান তিনি।
কে এই মুন্সী ফরিদুজ্জামান ? ২০০৭ সালে ফখরুদ্দিন -মইনুদ্দিনের শাসনামলে ওয়ান ইলিভেনের কারিগরদের সাথে যোগসাজসে বিটিভির হয়ে যোগ দেন তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দিন আহমেদের প্রেস উইং এ।
পরবর্তীতে হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে এইচ টি ইমাম ও মাহবুবুল আলম শাকিলের গড়া মিডিয়া সিন্ডিকেটে যুক্ত হয়ে বিটিভি সংবাদকে একপেশে করে ফেলে। কেউ প্রতিবাদ করলেই চাকুরীচ্যুত বা বদলির হুমকি দিতেন মহাপরিচালকের মাধ্যমে। ২০০৮ এ হাসিনা ক্ষমতায় এসেই তার প্রেস উইং এ যুক্ত করেন মুন্সী ফরিদুজ্জামানকে। একজন সরকারি চাকুরীজীবি হয়েও সব সরকারের হালুয়া -রুটি খাওয়া থেকে যাতে বাদ না পরে সেজন্য শুরু করেন বিটিভিতে হাসিনার ক্ষমতার প্রভাব খাটাতে ।
একটা পর্যায়ে এতটাই অপ্রতিরোধ্য হয়ে পড়েন তিনি বিদেশ ট্যুরের টাকার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দে জড়িয়ে পড়েন শেখ হাসিনার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি শাখাওয়াত মুনের সঙ্গে। অফিস বিধি লংঘনের দায়ে তাকে দেয়া হয় বিভাগীয় মামলা। শাস্তিস্বরূপ পান পদাবনতি অর্থাৎ চলমান পোস্ট থেকে একধাপ নিচে নামিয়ে দেয়া হয়। বিভাগীয় আদালতে আপীল করেও ফিরে পাননা পদ। অবশেষে তার আপা ( শেখ হাসিনা ) বিশেষ ক্ষমতাবলে চাকুরীর পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে দেন।
ফরিদুজ্জানের প্রতি এতটাই হাসিনা আস্থাশীল ছিল পরবর্তীতে তার সিনিয়রকে ( বর্তমানে বিটিভির জেনারেল ম্যানেজার নুরুল আজম পবন ) ডিঙিয়ে প্রধান বার্তা সম্পাদক হিসেবে বিটিভিতে নিয়োগ দেয় ফ্যাসিস্ট হাসিনা। শুধু তাই নয় আওয়ামীলীগের সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ডক্টর আব্দুর রাজ্জাকের কাছ থেকে কি পরিমান অনৈতিক সহায়তা নিয়েছেন তা বিটিভির সবার মুখে মুখে।
সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের এতটাই বিশ্বস্থ ছিলেন এই ফরিদ প্রায় রাতেই মন্ত্রীর ৩৪ মিন্টু রোডের বাসায় দেখা যেত দুইজনকে অন্তরঙ্গ আলাপচারিতায়। সেই সময় মুন্সী ফরিদের কাছে তুলে দেওয়া হাছান মাহমুদের একজন নিউজ প্রেজেন্টার এখনও বীরদর্পে খবর পড়ছেন বিটিভি নিউজে। বর্তমান জিএম বাধা দিলেও বলেন উপরের নির্দেশে তার নিউজ চলবে ? তবে কি উপর বলে বর্তমান সরকারকেও বিব্রত করার চেষ্টা করছেন এই ফরিদুজ্জামান।

অথচ জুলাই আন্দোলনে ছাত্রদের পক্ষে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াতে বিনা কারনে নিউজ থেকে বাদ দেন অনেককেই। বিটিভির মহাপরিচালক মাহবুবুল আলম বর্তমান সরকারের সময়ে নিয়োগ পেলেও বিটিভির সাবেক কর্মকর্তা হাওয়ায় চক্ষু লজ্জায় কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননা বলে জানা যায়।
শুধু তাই নয় জুলাই আন্দোলনে শুধুমাত্র পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট করায় রিপোর্টার এ কে এম শহীদুল্লাহকে জুলাই মাসের প্রাপ্ত সম্মানী কেটে দিয়ে অফিস ডিউটি থেকে দুরে রাখেন। ৫ আগস্ট বিজয়ের পর ফোন করে এই রিপোর্টারকে অফিসে এনে নিজেকে তাৎক্ষণিক জুলাই যোদ্ধা ঘোষণা করেন। যদিও পরবর্তীতে ১৩ বছর কাজ করা সত্ত্বেও উক্ত রিপোর্টার কাজ পারেনা এমন অভিযোগ এনে বিনা নোটিশে তাকে চাকুরিচ্যুত করেন। মুন্সী ফরিদের এ কাজে যিনি সহযোগিতা করেন তিনি হলেন বিটিভির উপ মহাপরিচাক বার্তা সৈয়দা তাসমিনা আহমেদ। যার স্বাক্ষরে ঘটে সব অন্যায় অবিচার।
তাকেও ব্ল্যাকমেইলিং করেন এই ফরিদ। মুন্সী ফরিদ বিভিন্ন সময় ঠাট্টার ছলে বলেন, মহসিন ভাইর বন্ধু দুর্যোগের সিনিয়র সচিব শাহ কামাল জেলে আর একই পদে তিনি বাসায় এসির বাতাস খান। মুন্সীর এই ডায়ালগে তিনি যা করতে বলেন তাসমিনা তাই করেন। কারণ স্বামীর প্রভাবে আওয়ামীলীগ আমলে এই সৈয়দা তাসমিনা আহমেদ বিটিভির বার্তা সম্পাদক থেকে রাতারাতি প্রমোশন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত ডিজি পর্যন্ত হয়েছিলেন।
তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিটিভিতে তিনটি পদোন্নতি নিয়েছেন। তিনি অর্থ বিভাগ, উপ-মহাপরিচালক বার্তা ও অনুষ্ঠান বিভাগে দায়িত্ব পালন করেন। নিয়োগবিধি লঙ্ঘন করে তার মূলপদ উপ-মহাপরিচালক (বার্তা, গ্রেড-৩) থেকে বিটিভির মহাপরিচালক (গ্রেড-১) পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেছেন। তার পদগুলোতে কাউকে পোস্টিং দেয়া হলেও তিনি ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে সেগুলো বন্ধ করে দিতেন। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আস্থাভাজন হিসেবে তিনি সরকারি খরচে ২১ বার বিদেশ ভ্রমণ করেছেন, যা বিটিভিতে রেকর্ড হয়ে আছে।
শুধু তাই নয় বিটিভি সূত্র জানায়, বিটিভিতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শিল্পী তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে ব্যাপক আর্থিক দুর্নীতির সাথে ড. সৈয়দা তাসমিনা আহমেদ জড়িত রয়েছেন। হাসিনার শেষ সময়ে বিটিভিতে শিল্পী, নাট্যকার, গীতিকার ও কলাকুশলী তালিকাভুক্তি এবং গ্রেডেশন সংক্রান্ত নীতিমালা অনুযায়ী যে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছিল, নীতিমালা লঙ্ঘন করে তিনি সেই কমিটির আহ্বায়ক হয়েছিলেন। নীতিমালার ৫ নম্বর ধারার খ-তে বলা আছে, উপ-মহাপরিচালক (অনুষ্ঠান)/ পরিচালক (অনুষ্ঠান)/ জেনারেল ম্যানেজার অডিশন বোর্ডের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। সর্বশেষ যে অডিশন বোর্ড গঠন করা হয় সে সময় ড. সৈয়দা তাসমিনা আহমেদ অনুষ্ঠান বিভাগের উপ-মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও সে জায়গায় একজন যুগ্ম সচিবকে (জহিরুল ইসলাম) দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। তবে ড. সৈয়দা তাসমিনা আহমেদ তা উপেক্ষা করে ক্ষমতাবলে নিজেই অডিশন বোর্ডের আহ্বায়ক বা সভাপতি থেকে যান। নানা অনৈতিক ও আর্থিক সুবিধা নিয়ে তালিকাভুক্ত করেন ১৭৯১ জন শিল্পীকে। বিষয়টি জানাজানি হলে মন্ত্রণালয় গঠন করে তদন্ত কমিটি যার রিপোর্ট খুব শিগগিরই প্রকাশ হবে বলে জানা যায়।

বিটিভি নিউজে এখনও রিপোর্টাররা স্ক্রিপ্ট এ ফ্যাসিস্ট হাসিনা লেখায় তা কেটে এডিট করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী লিখতে বাধ্য করেন এই বিটিভি নিউজের এই দুই শীর্ষ কর্মকর্তা।
জুলাই আন্দোলন চলাকালে যখন পুলিশের গুলিতে নির্মমভাবে শহীদ হচ্ছেন ছাত্ররা তখন এই মুন্সী ফরিদুজ্জামান ও হাসিনার সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী এ আরাফাত মিলে বিটিভিতে প্রচার করে হাসিনার গুণগান নিয়ে সম্মৃদ্ধির অগ্রযাত্রা নামের অনুষ্ঠান। আর সে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পান বিটিভির সেরা কর্মকর্তার পুরস্কার।
হাসিনা পলানোর পর নিজেকে রক্ষা করতে কিছু চুক্তিভিত্তিক রিপোর্টারকে বিনা নোটিশে বাদ দেন এই মুন্সী ফরিদুজ্জামান। অথচ হাসানুল হক ইনু ও হাছান মাহমুদের হাতে নিয়োগপ্রাপ্ত রিপোর্টাররাই এখন তার আস্থাভাজন। করাচ্ছেন তাদের দিয়ে নানা চাঁদাবাজি। আর ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে কখনো উপদেষ্টাদের নাম, কখনো প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং নাম ভাঙিয়ে নিজের চেয়ার শক্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন এই সুযোগ সন্ধানী হাসিনাস ম্যান মুন্সী ফরিদুজ্জামান। বিভিন্ন বিষয়ে তার তদবির যে রিপোর্টার করতে পারবে না তাকেই চাকুরী থেকে অব্যাহতির হুমকি দেন তিনি।
তাসমিনা ও মুন্সী ফরিদ গং তাদের অবস্থান ধরে রাখতে তাদেরই আস্থাভাজন নির্বাহী প্রযোজক শামসুল আলমকে বিটিভির পক্ষ থেকে যুক্ত করেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ। নিয়ম ভেঙে নিউজের কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও অতিরিক্ত দায়িত্ব দেন প্রোগ্রাম ম্যানেজার হিসেবে। এক্ষেত্রেও নাম ভাঙ্গানো হয় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এর। আর শামসুল আলম তাদের আস্থাভাজন হবার কারনতো একটা রয়েই গেছে ২০২৪ এর ৭ জুলাই বিটিভি কর্তৃপক্ষ ছাত্রদের আন্দোলন দমনে এবং সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী এ আরাফাতের নির্দেশে মিথ্যা প্রপাকাণ্ডের যে সংবাদ প্রচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সেখানে শামসুল আলমকে প্রধান করে ৭ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। যার স্মারক নম্বর -১৫.৫৪.৩০২৫।০২৫.১৮.০০২.২২.১৫৭। দুঃখের বিষয় হলেও সত্যি ছাত্র হত্যার নেতৃত্বদানকারী শামসুল আলম এখন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং সদস্য। বিটিভি থেকে শামসুল ইসলামের মনোনয়ন হিসেবে বলা হয় বর্তমান প্রেস সচিবের চাহিদা ? সত্যি কি তাই ? আদৌ কি জানতেন তার সম্পর্কে বর্তমান প্রেস সচিব জুলাইযোদ্ধা শফিকুল আলম ?
উল্লেখ : উক্ত বিষয়টি নিয়ে বিটিভির ডিজি মাহবুব আলম এর সাথে যোগাযোগ করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে গেলেও ডিজি মাহবুব আলমকে মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়নি। অনেক বার কল করার পরে ও ডিজি মাহবুব সাহেব কল রিসিভ করেননি।

পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, বিটিভির মতো রাষ্ট্রীয় প্রচার মাধ্যমে যদি এখনো ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার দোসর ও দুর্নীতিবাজরা বহাল থেকে যায় এবং তাদের অপসারণে উদ্যোগ না নেয় হয়, তাহলে সময় ও সুযোগ বুঝে তারা অন্তর্বর্তী সরকারকে বিপাকে ফেলে দেবে। তথ্য মন্ত্রণালয় ও বিটিভি কর্তৃপক্ষের উচিৎ, তাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ যথাযথ তদন্ত করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া। শুধু তদন্ত কিংবা বিটিভির অন্যত্র বদলি করলেই হবে না, ফ্যাসিবাদের এই দোসরদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ১ বছর অতিবাহিত হলেও বিটিভি নিউজ ফ্যাসিস্ট হাসিনার আস্থাভাজনদের নিয়ন্ত্রণে –

মোহাম্মদ অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার
সভাপতি : ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলন


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com