জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রাথমিকভাবে ১২৫টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। গতকাল বুধবার (১০ ডিসেম্বর) ঢাকায় দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। তালিকা ঘোষণার সময় এনসিপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
মনোনয়ন ঘোষণাকালে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন জানান, এটি প্রথম ধাপ। পরবর্তী সময়ে আরও আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে। এ সময় তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাদের প্রার্থিতা বাতিল করা হবে।’
ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে এনসিপির একাধিক প্রথম সারির নেতা থাকায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে। বিশেষ করে বিএনপির বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থীর সঙ্গে সরাসরি লড়াইয়ে নামবেন এনসিপির শীর্ষ নেতারা। তবে যেসব আসনে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছে, সেসব আসনের কয়েকটি তাদের জোট নেতাদের ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এদিকে জামায়াতও বসে নেই। দলটি তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত ঘোষণা না দিলেও জামায়াতের খসড়া তালিকার প্রার্থীরা ইতোমধ্যে মাঠে নির্বাচনি প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।
এনসিপির শীর্ষ দুজন নেতার মধ্যে আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী হয়েছেন। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এম এ কাইয়ুম। সদস্যসচিব আখতার হোসেন রংপুর-৪ আসনের প্রার্থী হয়েছেন। এ বিএনপি নেতা মোহাম্মদ এমদাদুল হক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যদিকে ঢাকা-১১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান ও রংপুর-৪ আসনে এ টি এম আজম খান।
এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আসনে দলীয় প্রার্থী দেবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে এনসিপি। তিনি ফেনী-১, দিনাজপুর-৩ ও বগুড়া-৭ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট করবেন। ফেনী-১ ও বগুড়া-৭ আসনে এনসিপি প্রার্থী ঘোষণা করেনি। তবে দিনাজপুর-৩ আসনে এনসিপির দলীয় প্রার্থী হিসেবে আ হ ম শামসুল মুকতাদিরের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি এনসিপির দিনাজপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক।
বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এনসিপি নেতা আব্দুল্লাহ আল ওয়াকি।
ঢাকা-১৫ আসনে এনসিপির মনোনয়ন পেয়েছেন মেজর (অব.) মুহাম্মদ আলমগীর ফেরদৌস। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী আছেন মো. শফিকুল ইসলাম খান ও জামায়াতের প্রার্থী দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
ঢাকা-১৮ আসনে এনপিসির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বিএনপি নেতা আমিনুল হক। এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ আশরাফুল হক।
এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ নোয়াখালী-৬ আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হচ্ছেন মোহাম্মদ মাহবুবের রহমান শামীম। ঢাকা-১৬ আসনে এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিবের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে থাকবেন বিএনপির প্রার্থী আমিনুল হক ও জামায়াতের আব্দুল বাতেন।
এ ছাড়া এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর সঙ্গে কুমিল্লা-৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ও জামায়াতের প্রার্থী সাইফুল ইসলাম শহীদ। এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম পঞ্চগড়-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নওশাদ জমির ও জামায়াত নেতা অধ্যাপক ইকবাল হোসেনের সঙ্গে।
ঢাকা-৯ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন আবিবুর রশিদ হাবিব ও জামায়াতের প্রার্থী কবির আহমদ।
নরসিংদী-২ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। তাকে লড়তে হবে বিএনপি নেতা ড. আব্দুল মঈন খান ও জামায়াতের উপাধ্যক্ষ মাওলানা আমজাদ হোসাইনের সঙ্গে।
ঢাকা-১৭ আসনে প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন পেয়েছেন এনসিপির নেত্রী তাসনুভা জাবীন। এই আসনে বিএনপির জোটের প্রার্থী আন্দালিব রহমান পার্থ ও জামায়াতের ডা. এস এম খালিদুজ্জামান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এই আসনে এনসিপির প্রার্থী সাগুফতা বুশরা মিশমা ও জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী। কক্সবাজার-১ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এনসিপির নেতা মো. মাইমুল আহসাম খান ও জামায়াতের আব্দুল্লাহ আল ফারুক।
টাঙ্গাইল-১ আসনে ছাত্র আন্দোলনের সময় নিহত সাজিদের পরিবারের সদস্য সাইদুল ইসলামকে মনোনয়ন দিয়েছে এনসিপি। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন ও জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ মন্তাজ আলী।
এ ছাড়া ঠাকুরগাঁও-২ আসনে এনসিপি নেতা মো. রবিউল ইসলামের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম ও জামায়াতের মাওলানা আব্দুল হাকিম। ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে এনসিপির মো. গোলাম মর্তুজা সেলিমের সঙ্গে বিএনপির মো. জাহিদুর রহমান জাহিদ ও জামায়াত নেতা মিজানুর রহমানের ভোটের লড়াই হবে।
দিনাজপুর-৫ আসনে এনসিপি নেতা মো. আব্দুল আহাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বিএনপির নেতা এ কে এম কামরুজ্জামান ও জামায়াতের মো. আনোয়ার হোসেন।
নীলফামারী-২ আসনে এনসিপির নেতা কামরুল ইসলাম দর্পণের সঙ্গে ভোটের মাঠে লড়াই হতে যাচ্ছে বিএনপি নেতা এ এইচ মো. সাইফুল্লাহ রুবেল ও জামায়াতের অ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতিফের।
নীলফামারী-৩ আসনে এনসিপির নেতা মো. আবু সায়েদ লিয়ন মনোনয়ন পেয়েছেন। এই আসনে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা হয়নি। তবে জামায়াতের হয়ে লড়বেন মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফি।
লালমনিরহাট-২ আসনে এনসিপির নেতা রাসেল আহমেদ মনোনয়ন পেয়েছেন। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা হয়নি, তবে ভোটের মাঠে জামায়াতের প্রার্থী রয়েছেন অ্যাডভোকেট ফিরোজ হায়দার লাভলু।
লালমনিরহাট-৩ আসনে এনসিপির নেতা মো. রকিবুল হাসানের সঙ্গে ভোটের মাঠে লড়াই হবে বিএনপি নেতা আসাদুল হাবিব দুলু ও জামায়াতের প্রভাষক হারুন-অর রশীদের।
রংপুর-১ আসনে প্রার্থী বিএনপি নেতা মোকাররম হোসেন সুজনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে এনসিপির নেতা মো. আল মামুন ও জামায়াতের অধ্যাপক রায়হান সিরাজীর সঙ্গে।
কুড়িগ্রাম-১ আসনে বিএনপির সাইফুল ইসলাম রানার সঙ্গে ভোটে লড়বেন এনসিপির মো. মাহফুজুল ইসলাম ও জামায়াতের আনোয়ারুল ইসলাম।
কুড়িগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সোহেল হোসেন কায়কোবাদের সঙ্গে লড়াইয়ে নামবেন এনসিপির নেতা আতিক মুজাহিদ ও জামায়াতের ইয়াছিন আলী সরকার। কুড়িগ্রাম-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী তাজভীর উল ইসলামের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন এনসিপির মো. আবু সাঈদ জনি ও জামায়াতের মাহবুব আলম সালেহী।
গাইবান্ধা-৩ আসনে এনসিপি নেতা নাজমুল হাসান সোহাগ মনোনয়ন পেয়েছেন। তার সঙ্গে লড়াই হবে বিএনপি নেতা ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক ও জামায়াত নেতা মাওলানা নজরুল ইসলামের সঙ্গে।
গাইবান্ধা-৫ আসনে এনসিপির নেতা খ ম আসাদুজ্জামান লড়বেন বিএনপির মো. ফারুক আলম সরকার ও জামায়াতের আব্দুল ওয়ারেছের সঙ্গে।
জয়পুরহাট-১ আসনে গোলাম কিবরিয়া এনসিপির মনোনয়ন পেয়েছেন। তার লড়াই হবে বিএনপির মো. মাসুদ রানা প্রধান ও জামায়াতের ডা. ফজলুর রহমান সাঈদের সঙ্গে।
জয়পুরহাট-২ আসনে এনসিপি নেতা আবদুল ওয়াহাব দেওয়ান কাজল লড়াই করবেন বিএনপির আব্দুল বারী ও জামায়াতের এস এম রাশেদুল আলম সবুজের সঙ্গে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলামের সঙ্গে লড়াইয়ে নামবেন এনসিপির মু. নাজমুল হুদা খান (রুবেল খান) ও জামায়াতের ড. মিজানুর রহমানের সঙ্গে।
নওগাঁ-১ আসনে এনসিপির প্রার্থী কৈলাশ চন্দ্র রবিদাস লড়বেন বিএনপি নেতা মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও জামায়াতের মাহবুবুল হকের সঙ্গে।
এ ছাড়া এনসিপি নওগাঁ-২ আসনে মো. মাহফুজার রহমান চৌধুরীকে, নওগাঁ-৩ আসনে পরিমল চন্দ্র (উরাও), নওগাঁ-৪ আসনে মো. আব্দুল হামিদ ও নওগাঁ-৫ আসনে মনিরা শারমিনকে মনোনয়ন দিয়েছে। আসনগুলোতে বিএনপির প্রার্থীরা হলেন যথাক্রমে মো. সামসুজোহা খান, ফজলে হুদা বাবুল। ইকরামুল বারী টিপু ও জাহিদুল ইসলাম দুলু। জামায়াতের রয়েছেন যথাক্রমে এনামুল হক, মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, খন্দকার মুহাম্মদ আব্দুর রাকিব ও আ স ম সায়েম।
নাটোর-২ আসনে মান্নাফকে ও নাটোর-৩ আসনে এস এম জার্জিস কাদিরকে মনোনয়ন দিয়েছে এনসিপি। তাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বতা করছেন বিএনপির রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও ৩ আসনে মো. আনোয়ারুল ইসলাম। জামায়াতের রয়েছেন ২ আসনে অধ্যাপক মো. ইউনুস আলী, ৩ আসনে সাইদুর রহমান।
এনসিপি সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে দিলশানা পারুল, ৪ আসনে অরণ্য চৌধুরী (প্রীতি), ৫ আসনেমনজুর কাদের, ৬ আসনে এস এম সাইফ মোস্তাফিজকে মনোনয়ন দিয়েছে। এই আসনগুলোতে বিএনপির প্রার্থীরা হলেন- যথাক্রমে ভিপি আয়নুল হক, এম আকবর আলী, আমিরুল ইসলাম খান, এম এ মুহিত। জামায়াতের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন যথাক্রমে মুহাম্মদ আব্দুস সামাদ, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, অধ্যক্ষ আলী আলম ও অধ্যাপক মিজানুর রহমান।
পাবনা-৪ আসনে এনসিপি নেতা মো. আবদুল মজিদের সঙ্গে লড়বেন বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব ও জামায়াতের আবু তালেব মণ্ডল।
মেহেরপুর-১ আসনে এনসিপি নেতা মো. সোহেল রানা ও ২ আসনে সাকিল আহমাদ মনোনয়ন পেয়েছেন। ১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাসুদ অরুন ও ২ আসনে মো. আমজাদ হোসেন লড়বেন। জামায়াতের প্রার্থী মেহেরপুর-১ আসনে মাওলানা তাজউদ্দিন খান ও মেহেরপুর-২ আসনে মো. নাজমুল হুদা ভোটের মাঠে রয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে এনসিপির নেতা মোল্লা মোহাম্মদ ফারুক এহসান লড়বেন বিএনপির প্রার্থী শরীফুজ্জামান ও জামায়াতের চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে মাসুদ পারভেজ রাসেলের সঙ্গে।
ঝিনাইদহ-১ আসনে লাবাবুল বাসার (দয়াল বাসার) এনসিপির মনোনয়ন পেয়েছেন। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা হয়নি তবে জামায়াতের রয়েছে এএসএম মতিয়ার রহমান।
যশোর-৪ আসনে এনসিপি নেতা মো. শাহজাহান কবীর লড়বেন বিএনপির টি.এস. আইয়ুব ও জামায়াতের অধ্যাপক গোলাম রসুলের সঙ্গে।
মাগুরা-২ আসনে এনসিপির প্রার্থী তরিকুল ইসলাম লড়বেন বিএনপির নেতা নিতাই রায় চৌধুরী ও জামায়াতের এএমবি বাকেরের সঙ্গে।
বাগেরহাট-২ আসনে এনসিপির মনোনয়ন পেয়েছেন মোল্যা রহমাতুল্লাহ। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা হয়নি, জামায়াতের আছেন শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ।
খুলনা-১ আসনে এনসিপির প্রার্থী মো. ওয়াহিদ উজ জামান খুলনা-২ আসনে ফরিদুল হক। খুলনা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আমির এজাজ খান ও ২ আসনে নজরুল ইসলাম মঞ্জু। খুলনা ১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী ও খুলনা-২ শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল।
পটুয়াখালী-১ আসনে এনসিপি নেতা জহিরুল ইসলাম মুসা ও পটুয়াখালী-২ আসনে মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন। এই দুই আসনে বিএনপির প্রার্থী যথাক্রমে এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী ও শহীদুল আলম তালুকদার। জামায়াতের প্রার্থী যথাক্রমে অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান ও ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
ভোলা- ১ আসনে এনসিপির প্রার্থী মো. জিয়াউর রহমান লড়বেন বিএনপি নেতা নবী আলমগীর ও জামায়াতের মো. নজরুল ইসলামের সঙ্গে।
বরিশাল-৪ আসনে এনসিপির আবু সাঈদ মুসা ও বরিশাল- ৫ আসনে মো. নুরুল হুদা চৌধুরী মনোনয়ন পেয়েছেন। এ দুই আসনে বিএনপির প্রার্থী যথাক্রমে মো. রাজীব আহসান ও মজিবুর রহমান সারওয়ার। এ দুই আসনে জামায়াতের প্রার্থী যথাক্রমে মাওলানা আবদুল জব্বার ও অ্যাডভোকেট মোয়াযযম হোসাইন হেলাল।
ঝালকাঠি-১ আসনে এনসিপির মাহমুদা আলম মিতু লড়বেন বিএনপির রফিকুল ইসলাম জামাল ও জামায়াতের মাওলানা হেমায়েত উদ্দিন/ফয়জুল হকের সঙ্গে।
পিরোজপুর-৩ আসনে এনসিপির নেতা শামীম হামিদী লড়বেন বিএনপির রুহুল আমিন দুলাল ও জামায়াতের আবদুল জলিল শরীফের সঙ্গে।
টাঙ্গাইল-৩ আসনে এনসিপির মনোনয়ন পেয়েছেন সাইফুল্লাহ হায়দার, ৫ আসনে মাসুদুর রহমান রাসেল, ৭ আসনে খন্দকার মাসুদ পারভেজ। তাদের সঙ্গে লড়বেন যথাক্রমে বিএনপির এসএম ওবায়দুল হক নাসির, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী। এসব আসনে জামায়াতের প্রার্থীরা হচ্ছেন- হুসনে মোবারক বাবুল, আহসান হাবীব মাসুদ ও অধ্যক্ষ আবদুল্লাহ তালুকদার।
জামালপুর-৪ আসনে এনসিপি নেতা মো. মোশাররফ হোসেন লড়বেন বিএনপির মো. ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম ও জামায়াতের অ্যাডভোকেট আবদুল আউয়ালের সঙ্গে।
শেরপুর-১ আসনে এনসিপি নেতা মো. লিখন মিয়া লড়বেন সানসিলা জেবরিন ও জামায়াতের হাফেজ রাশেদুল ইসলামের সঙ্গে।
ময়মনসিংহ-১ আসনে এনসিপির মনোনয়ন পেয়েছেন মো. আবু রেহান, ৩ আসনে সেলিম বালা, ৫ আসনে মিয়াজ মেহরাব তালুকদার, ৬ আসনে জাবেদ রাসিন, ৭ আসনে এ টি এম মাহবুব-উল আলম। আসনগুলোতে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন যথাক্রমে সৈয়দ এমরান সালেহ, এম ইকবাল হোসেইন, মোহাম্মদ জাকির হোসেন, মো. আখতারুল আলম ও ডা. মো. মাহবুবুর রহমান। এসব আসনে জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন- যথাক্রমে মাহফুজুর রহমান, মাওলানা বদরুজ্জামান, মতিউর রহমান আকন্দ, কামরুল হাসান ও আসাদুজ্জামান।
নেত্রকোনা-২ আসনে এনসিপির প্রার্থী ফাহিম রহমান খান পাঠান, ৩ আসনে ইফতেখার হোসেন সিদ্দিকী (শামীম)। এখানে বিএনপির প্রার্থীরা যথাক্রমে মো. আনোয়ারুল হক ও রফিকুল ইসলাম হিলালী। জামায়াতে প্রার্থীরা হচ্ছেন যথাক্রমে অধ্যাপক মাওলানা এনামুল হক ও দেলাওয়ার হোসেন সাইফুল।
কিশোরগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিনের সঙ্গে আবু সাঈদের লড়াই হবে। এ আসনে জামায়াতের রয়েছেন শফিকুল ইসলাম মোড়ল।
মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে এনসিপি নেতা আলী নেওয়াজ ও ২ আসনে মাজেদুল ইসলাম মনোনয়ন পান। এ দুটি আসনে বিএনপির প্রার্থীরা হলেন যথাক্রমে শেখ মো. আবদুল্লাহ ও মিজানুর রহমান সিনহা। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন যথাক্রমে একেএম ফখরুদ্দীন রাজী ও অধ্যাপক এবিএম ফজলুল করিম।
ঢাকা-১ আসনে এনসিপির প্রার্থী মো. রাসেল আহমেদ, ৪ আসনে জাহিদুল ইসলাম, ৫ আসনে এস এম শাহরিয়ার, ৭ আসনে তারেক আহম্মেদ আদেল, ১২ আসনে নাহিদা সারওয়ার নিভা, ১৩ আসনে আকরাম হুসাইন, ১৯ আসনে ফয়সাল মাহমুদ শান্ত, ২০ আসনে নাবিলা তাসনিদ। আসনগুলোতে বিএনপির প্রার্থী আছেন যথাক্রমে খন্দকার আবু আশফাক, তানভীর আহমেদ রবিন, নবী উল্লাহ নবী, হামীদুর রহমান, সাইফুল আলম নীরব, ১৩ আসন জোটকে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। ১৯ আসনে দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন, ২০ আসনে এখনো প্রার্থী ঘোষণা করেনি বিএনপি।
ঢাকা-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ব্যারিস্টার নজরুল ইসলাম, ৪ আসনে সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, ৫ আসনে মোহাম্মদ কামাল হোসেন, ৭ আসনে হাজি হাফেজ মো. এনায়েতুল্লাহ, ১২ আসনে সাইফুল আলম খান মিলন, ১৩ আসনে ডা. মুহাম্মদ মোবারক হোসাইন, ১৭ আসনে ডা. এস এম খালিদুজ্জামান।
ঢাকা-১৮ আসনে অধ্যক্ষ আশরাফুল হক, ১৯ আসনে আফজাল হোসাইন এবং ২০ আসনে মাওলানা আব্দুর রউফ।
নরসিংদী-১ আসনে এনসিপির মনোনয়ন পেয়েছেন মো. আবদুল্লাহ আল ফয়সাল, ৪ আসনে মো. মামুনুর রহমান জাহাঙ্গীর, ৫ আসনে মো. নাজমুল হক সিকদার। এখানে বিএনপির প্রার্থী আছেন, ১ আসনে খায়রুল কবির খোকন, ৪ আসনে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ৫ আসনে আশরাফ উদ্দিন বকুল। জামায়াতের রয়েছেন- নরসিংদী-১ ইব্রাহিম ভূঁইয়া, ৪ আসনে মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম, ৫ আসনে মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এনসিপির প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল আমিন, ৫ আসনে আহমেদুর রহমান তনু। বিএনপি এই আসনে জোট প্রার্থী দেবে। ৫ আসনের প্রার্থী মো. মাসুদুজ্জামান।
ফরিদপুর-৩ আসনে এনসিপির প্রার্থী সৈয়দা নীলিমা দোলা লড়বেন বিএনপির নায়াব ইউসুফ আহমেদ ও জামায়াতের অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলামের সঙ্গে।
গোপালগঞ্জ-১ আসনে এনসিপির প্রার্থী প্রলয় কুমার পাল ও ৩ আসনে মো. আরিফুল দাড়িয়া লড়বেন বিএনপির মো. সেলিমুজ্জামান মোল্ল্যা ও জামায়াতের এস এম জিলানীর সঙ্গে।
শরীয়তপুর-১ আসনে এনসিপির প্রার্থী মো. আব্দুর রহমান লড়বেন বিএনপি নেতা সাইদ আহমেদ আসলাম ও জামায়াতের মোশাররফ হোসেন মাসুদের সঙ্গে।
সিলেট বিভাগের ১ আসনে এনসিপির মনোনয়ন পেয়েছেন এহতেশাম হক, ৩ আসনে নুরুল হুদা জুনেদ, ৪ আসনে মো. রাশেল উল আলম, মৌলভীবাজার-৪ আসনে প্রীতম দাশ।
হবিগঞ্জ-৪ আসনে নাহিদ উদ্দিন তারেক। সিলেট-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির চৌধুরী, সিলেট-৩ আসনে আবদুল মালিক, সিলেট-৪ আসনে আরিফুল হক চৌধুরী, মৌলভীবাজার-৪ আসনে মজিবর রহমান চৌধুরী, হবিগঞ্জ-৪ আসনে এস এম ফয়সাল। এসব আসনে জামায়াতের প্রার্থী যথাক্রমে মাওলানা হাবিবুর রহমান, মাওলানা লোকমান আহমদ, জয়নাল আবেদীন, অ্যাডভোকেট আবদুর রব, ও মাওলানা মোখলেসুর রহমান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে এনসিপির প্রার্থী মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদি, ৩ আসনে মো. আতাউল্লাহ। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন বিএনপির জোট নেতারা পাবেন, ৩ আসনের প্রার্থী মো. খালেদ হোসেন মাহবুব।
কুমিল্লা-৬ আসনে এনসিপির নেতা নাভিদ নওরোজ শাহ লড়বেন বিএনপির মো. মনিরুল হক চৌধুরী ও জামায়াতের কাজী দ্বীন মোহাম্মদের সঙ্গে।
চাঁদপুর-১ আসনে এনসিপির প্রার্থী আরিফুল ইসলাম, ২ আসনে ইসরাত জাহান বিন্দু, ৫ আসনে মো. মাহাবুব আলম। এসব আসনে বিএনপির প্রার্থীরা যথাক্রমে আ ন ম এহসানুল হক মিলন, মো. জালাল উদ্দিন ও মো. মমিনুল হক। জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন- মাওলানা আবু নসর আশরাফী, ডা. আবদুল মবিন ও অধ্যাপক আবুল হোসাইন।
ফেনী-৩ আসনে এনসিপির মোহাম্মাদ আবুল কাশেম লড়বেন বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী আব্দুল আওয়াল মিন্টু ও জামায়াতের মোহাম্মদ ফখরুদ্দিনের সঙ্গে।
নোয়াখালী-১ আসনে এনসিপির প্রার্থী মো. ওমর ফারুক, নোয়াখালী-৫ আসনে হুমায়রা নূর। এসব আসনে বিএনপির প্রার্থীরা হলেন যথাক্রমে এ এম মাহবুব উদ্দিন ও ফখরুল ইসলাম। জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন যথাক্রমে মাওলানা মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ ও বেলায়েত হোসাইন।
চট্টগ্রাম-৬ এনসিপির মনোনয়ন পেয়েছেন মহিউদ্দিন জিলানী, চট্টগ্রাম-৮ আসনে মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ, চট্টগ্রাম-৯ আসনে মো. রিয়াজুল আনোয়ার চৌধুরী সিন্টু, চট্টগ্রাম-১১ আসনে মোহাম্মদ আজাদ দোভাষ, চট্টগ্রাম-১৩ আসনে জুবাইরুল আলম মানিক, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে মুহাম্মদ হাসান আলী, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে আব্দুল মাবুদ সৈয়দ, চট্টগ্রাম-১৬ আসনে মীর আরশাদুল হক, কক্সবাজার-২ আসনে আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজা উদ্দিন, কক্সবাজার-৪ আসনে মুহাম্মদ হোসাইন।
আসনগুলোতে বিএনপির প্রার্থীরা হলেন যথাক্রমে হুম্মাম কাদের চৌধুরী, এরশাদ উল্লাহ, আবু সুফিয়ান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর ছেলে সম্ভাব্য প্রার্থী, মোহাম্মদ এনামুল হক, সরওয়ার জামাল নিজাম, ১৪ আসনে জোট প্রার্থী দেওয়া হবে, ১৫ আসনে নাজমুল মোস্তাফা আমিন, ১৬ আসনে মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, কক্সবাজার-২ আসনে আলমগীর মাহফুজ উল্লাগ ফরিদ, কক্সবাজার-৪ শাহজাহান চৌধুরী।
জামায়াতের রয়েছেন- চট্টগ্রাম-৬ শাহজাহান মঞ্জু, চট্টগ্রাম-৮ ডা. আবু নাসের, চট্টগ্রাম-৯ ডা. ফজলুল হক, চট্টগ্রাম-১১ মুহাম্মদ শফি, চট্টগ্রাম-১২ ইঞ্জি. লোকমান, চট্টগ্রাম-১৩ অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান, চট্টগ্রাম-১৪ ডা. শাহাদাত হোসাইন, চট্টগ্রাম-১৫ শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৬ মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।
কক্সবাজার-১ আব্দুল্লাহ আল ফারুক, কক্সবাজার-২ মাওলানা এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, কক্সবাজার-৪ নুর আহম্মেদ আনোয়ারী।
পার্বত্য অঞ্চলে এনসিপির প্রার্থী খাগড়াছড়িতে মনজিলা সুলতানা, রাঙামাটিতে প্রিয় চাকমা, বান্দরবান মংসা প্রু চৌধুরী। আসনগুলোতে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন- খাগড়াছড়ি আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, রাঙামাটিতে দীপেন দেওয়ান, বান্দরবান আসনে প্রার্থী হচ্ছেন সাচিং প্রু। জামায়াতের প্রার্থী- বান্দরবান অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, রাঙামাটি অ্যাডভোকেট মোখতার আহমেদ, খাগড়াছড়ি- এয়াকুব আলী চৌধুরী।সূত্রঃ খবরের কাগজ













