• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

আইন-আদালত

শিরীন শারমিনের ২ দিনের রিমান্ড চেয়েছে ডিবি

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬ ৪:২৪
আপডেট: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬ ৪:২৪

শিরীন শারমিনের ২ দিনের রিমান্ড চেয়েছে ডিবি

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি সংগৃহীত
জুলাই আন্দোলনের লালবাগ থানায় আশরাফুল ওরফে ফাহিম নামে এক ব্যক্তিকে হত্যাচেষ্টা মামলায় জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর দুই দিনের রিমান্ড চেয়েছে ডিবি।

মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটের দিকে একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাসে করে শিরীন শারমিনকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনা হয়। আদালতে হাজির করার পর তাকে হাজতখানায় রাখা হয়। এদিকে তার বিরুদ্ধে ২ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছেন লালবাগ জোনের কোতোয়ালী জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোহসীন উদ্দীন। এ বিষয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে অল্প সময়ের মধ্যেই রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

গ্রেপ্তারের পর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ জানিয়েছে, শিরীন শারমিন দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। সর্বশেষ তিনি রাজধানীর ধানমন্ডিতে এক আত্মীয়ের বাসায় অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকেই মঙ্গলবার ভোরে তাকে আটক করা হয়।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, জুলাই আন্দোলনের সময় ১৮ জুলাই বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে লালবাগের আজিমপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আন্দোলনকারীরা অবস্থান করছিলেন। ওই সময় দেশি-বিদেশি অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে আশরাফুল ওরফে ফাহিম নামে এক ব্যক্তির চোখে গুলি লাগে। পরে তিনি বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এ ঘটনায় গত বছরের ২৫ মে আশরাফুল বাদী হয়ে শেখ হাসিনাসহ ১৩০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১১৫ থেকে ১২০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যা মামলাসহ মোট ৬টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তিনটি মামলায় ইতোমধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে এবং বাকি তিনটি মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

অন্যদিকে, গণ-অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের বহু নেতা-কর্মী সেনানিবাসে আশ্রয় নিয়েছিলেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) গত বছরের ২২ মে আশ্রয় গ্রহণকারীদের একটি তালিকা প্রকাশ করে, যেখানে শিরীন শারমিনের নামও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

শেখ হাসিনার সরকারের পতনের ২৭ দিনের মাথায় ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ স্পিকারের পদ থেকে পদত্যাগ করেন শিরীন শারমিন। ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে আবদুল হামিদ স্পিকার নির্বাচিত হন। পরে তাকে রাষ্ট্রপতি করা হলে ৩০ এপ্রিল ২০১৩ শিরীন শারমিন স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং এরপর টানা এই পদে দায়িত্ব পালন করেন।

এদিকে ১৫ আগস্ট ২০২৪ সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হককেও পুলিশ গ্রেপ্তার করে।