• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

জাতীয়

শতভাগ রাজনীতিমুক্ত হবে ‘কৃষক কার্ড’, উদ্বোধন পহেলা বৈশাখে: কৃষিমন্ত্রী

প্রকাশ: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬ ৩:০৫
আপডেট: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬ ৩:০৫

শতভাগ রাজনীতিমুক্ত হবে ‘কৃষক কার্ড’, উদ্বোধন পহেলা বৈশাখে: কৃষিমন্ত্রী

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি সংগৃহীত
আসন্ন পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ এর মাধ্যমে প্রণোদনার বার্ষিক আড়াই হাজার টাকা পাচ্ছেন ২০ হাজার ৬৭১ জন কৃষক। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইলে এই কর্মসূচির উদ্ধোধন করবেন। এটি শতভাগ রাজনীতিমুক্ত হবে।

রবিবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে পিআইডি মিলনায়তনে কৃষি মন্ত্রণালয় আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ এসব কথা জানান।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, এর মাধ্যমে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকেরা ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন। অতীতে যা হয়েছে, তা হবে না। নানা দল মত আছে, কৃষক কার্ড দলের ঊর্ধ্বে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বব্যাপী জ্বালানির সংকট একটি বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। তবে স্যালো টিউবওয়েলের জ্বালানি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। একই সঙ্গে ট্রাক্টরের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহের বিষয়টিও সমাধান হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এর ফলে কৃষকের সেচ কার্যক্রমে কোনো ধরনের জ্বালানি সংকট থাকবে না এবং এই কার্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে অপচয়ও কমে আসবে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষক কার্ড চালুর ফলে চাহিদা ও উৎপাদনের মধ্যে সমন্বয় তৈরি হবে, যার মাধ্যমে কৃষকেরা ন্যায্যমূল্য পাবেন। তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে ২ কোটি ২৭ লাখ কৃষক আগামী চার বছরের মধ্যে এই কার্ডের আওতায় আসবেন। এরই মধ্যে সব ধরনের কৃষকের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের ভেদাভেদ থাকবে না; রাজনৈতিক পরিচয়, নারী বা পুরুষ—সব যোগ্য কৃষকই এই সুবিধা পাবেন।

তিনি আরও জানান, পহেলা বৈশাখে সারাদেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু করা হবে। প্রাক-প্রাথমিক বা প্রাক-পাইলটিং এই কার্যক্রমে ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। আগামী চার বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে ১ কোটি ৬৫ লাখ কৃষক এই কার্ডের আওতায় আসবেন। এর মাধ্যমে কৃষকেরা ন্যায্যমূল্যে সার, বীজ এবং অন্যান্য কৃষি উপকরণ পাবেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, কৃষক কার্ডের আওতায় সরকারি ভর্তুকি, প্রণোদনা, ন্যায্যমূল্যে সেচসুবিধা এবং সহজ শর্তে কৃষিঋণের সুযোগ থাকবে। পাশাপাশি কার্ডধারীরা কৃষিবিমা সুবিধা, ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রয়ের সুযোগ, কৃষিবিষয়ক প্রশিক্ষণ, আবহাওয়ার পূর্বাভাস এবং রোগবালাই প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পরামর্শও পাবেন।