• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

সারাদেশ

‎নির্ধারিত সময়েও বন্ধ ইউনিয়ন পরিষদ, সেবা নিতে এসে ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬ ৬:৫৪
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬ ৬:৫৪

‎নির্ধারিত সময়েও বন্ধ ইউনিয়ন পরিষদ, সেবা নিতে এসে ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

‎
‎স্টাফ রির্পোটারঃ

‎সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সকাল ৯টায় ১১ নং ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও আজ সকালেও নির্ধারিত সময়ে খোলা হয়নি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অফিস সময় পার হয়ে গেলেও পরিষদের মূল ফটক বন্ধ রয়েছে এবং কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর উপস্থিতি চোখে পড়েনি। এতে বিভিন্ন সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হন।
‎
‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জন্ম নিবন্ধন, নাগরিক সনদ, ওয়ারিশ সনদসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজের জন্য সকাল থেকেই ইউনিয়ন পরিষদে ভিড় জমাতে থাকেন সাধারণ মানুষ। তবে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও অফিস খোলা না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। অনেকেই দূর-দূরান্ত থেকে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে বাধ্য হন।
‎
‎সেবা নিতে আসা ভুক্তভোগী রিফাত বলেন, “সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সকাল ৯টায় অফিস খোলার কথা। কিন্তু আমরা এসে দেখছি এখনো ভবন বন্ধ। এতে সাধারণ মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ কাজ ফেলে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে।”

আরেকজন ভুক্তভোগী ফরহাদ মিয়া বলেন,
সকাল ৯ টা থেকে এসে বসে আছি, এখন ৯ টা ৫০ বাজে এখনো তারা অফিস খুলে নাই।আমরা অনেক ভোগান্তিতে আছি, আমরা সেবা নিতে আসলে আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে,
আমাদের দাবি প্রশাসন যেনো এই দিকে নজর দেয় আমরা খুব ভোগান্তিতে আছি
‎
‎স্থানীয়দের অভিযোগ, এটি নতুন কোনো ঘটনা নয়। প্রায়ই নির্ধারিত সময়ের পরে অফিস খোলার কারণে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এতে সরকারি সেবার মান নিয়ে জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তারা।
‎এ বিষয়ে এলাকাবাসী দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তারা ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম নিয়মিত ও সময়মতো পরিচালনার দাবি জানান, যাতে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার না হন এবং সহজে সরকারি সেবা গ্রহণ করতে পারেন।
‎
‎
‎এ বিষয়ে ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ফজলুল রহমান বলেন,আমি জরুরি কাজে উপজেলা অফিস গিয়াছি। অন্য কর্মচারি রা অফিসে নাই কেন এমন প্রশ্ন করা হলে বিভিন্ন অজুহাত দেওয়া শুরু করে।