নওগাঁ প্রতিনিধি
ছবিঃ সংগৃহীত
ব্যাঙের ছাতারমত গড়ে ওঠা ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিকগুলোর জবাবদিহি নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
রবিবার (২৩ আগস্ট) সকালে নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসাপাতালে হঠাৎ পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘গত ১৭ বছর এদের কোনো একাউন্টেবিলিটি ছিল না। বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আসার পর এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা শুরু হয়েছে। সারাদেশে লাইসেন্সবিহিন ক্লিনিক-ডায়গনস্টিকগুলো বন্ধ করা হচ্ছে, ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
এ সময় তিনি হাসপাতালের কিছু ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি থাকায় ব্যবস্থা নেন। কথা বলেন হাসপাতালটির বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি রোগীদের সঙ্গে। এ সময় জানতে পারেন যে, কলেরার স্যালাইন রোগীদের কিনতে হচ্ছে বাহির থেকে। এজন্য সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের দায়িত্বরত নার্স ইনচার্জ মাসুদাকে তত্বাবধায়কের কাছে কারন জানাতে বলেন। রান্না ঘরে গ্যাসের সিলিন্ডার ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকায় ক্ষোভ জানান তিনি।
আগামী ৭ কার্য দিবসের মধ্যে রান্নাঘরের শৃঙ্খল পরিবেশ ফিরিয়ে এনে জানাতে বলেন। এছাড়া সাড়ে ১১টা পর্যন্ত সোহেল নামে এক চিকিৎসক অনুপস্থিত থাকায় তাকে ফোন দেন মন্ত্রী।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যেকটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ এবং জেলা সদর হাসপাতালের জন্য ১০ শয্যা করে ডায়ালাইসিস ইউনিট প্রতিস্থাপন করা হবে। যাতে করে টারশিয়ারি লেভেলে রোগীদের ঢাকায় যেতে না হয়।’
মন্ত্রী বলেন, ‘অত্যাধুনিক প্যাথলজি ল্যাব তৈরি করা হবে, অত্যাধুনিক প্যাথলজি সেবা দেওয়া হবে। আল্ট্রাসাউন্ড মেশিন থেকে সব মেশিন দিয়ে এগুলো করা হবে। গত ১৭ বছরে কোনো নতুন ডাক্তার নিয়োগ হয়নি, যেই পরিমাণ আমাদের দরকার। ২০ কোটি মানুষের বিপরীতে ডাক্তার খুবই অপ্রতুল। সরকার শিগগিরই ৫ হাজার ডাক্তার নিতে যাচ্ছে।’
এ সময় নওগাঁ-৫ সদর আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু, নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ২৫০ শয্যা নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালের তত্তাবধায়ক ডা. আখতারুজ্জামান, সিভিল সার্জন ডা. আমিনুল ইসলামসহ স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

