শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি : সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক চাপ ছাড়া রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘বিএনপি সরকারের ৬ মাস হয়েছে। এই সরকারের দেশের জন্য ভালো কিছু করার ইনটেনশন আছে।’
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বহু বছর পরে, ১৭ বছরের আমাদের অত্যাচার-অনাচার একটা অগণতান্ত্রিক পরিবেশ থেকে আমরা একটি গণতান্ত্রিক ধারায়, একটি ডেমোক্রেটিক প্রসেসে আমরা ফেরত এসেছি বাংলাদেশ। গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরে প্রধানমন্ত্রী প্রথম এই জাতিসংঘের সাধারণ সভায় অংশগ্রহণ করবেন। যেখানে এই বিএনপির যে ফরেন পলিসি, “বাংলাদেশ ফার্স্ট” বা “সবার আগে বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যকে মাথায় রেখে বা সামনে রেখে বাংলাদেশকে তুলে ধরার একটি বিশাল সুযোগ, যেখানে আমাদের জাতীয় স্বার্থ গুরুত্ব পারবে পাবে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের কি কি সম্ভাবনা আছে সেগুলো গুরুত্ব পাবে এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নতি কিভাবে হতে পারে সেটা গুরুত্ব পাবে। সবকিছু মিলিয়েই এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
শামা ওবায়েদ বলেন, ‘জাতিসংঘের সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করবেন আমাদের বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। সব দিক দিয়ে এই আগামী এই সেপ্টেম্বরের সেশনটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে আমাদের জন্য।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের শান্তিরক্ষী মিশনের জন্য জাতিসংঘ বাংলাদেশকে রেসপেক্ট করে। তারা হাইলি রিগার্ড করে আমাদের আমাদের বাংলাদেশিদের সাহসিকতা ও রেজিলিয়েন্সকে।’
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ নতুন সরকারের ছয় মাস অতিক্রম হয়েছে। বাংলাদেশ প্রেজেন্ট গভর্নমেন্ট হ্যাজ দ্য পলিটিক্যাল উইল অ্যান্ড দ্য ইনটেনশন যে কিছু ভালো কিছু করার। আমরা শুধু ভালোটা বহির্বিশ্বে শুধু গিয়ে প্রচার করতে চাই না, আমরা আদতেই ভালো কিছু করতে চাই যাতে আপনারা গিয়ে বলতে পারেন যে ভালো কিছু হচ্ছে।’
আন্তর্জাতিক চাপ না হলে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান করা কঠিন হবে বলে জানান তিনি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, ‘রোহিঙ্গা ইস্যু, এটা ১০ বছর হয়ে গেছে, বাংলাদেশের জন্য একটা বিশাল সমস্যা, কিন্তু এটা বাংলাদেশের সমস্যা না, এই সমস্যাটা বাংলাদেশ তৈরি করেনি। এই ইস্যু নিয়ে এবার ইউএনজিতে একটা সেশন হবে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। আমাদের এই রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আমরা অনেক কথা বলছি, কিন্তু আদতে এই সমস্যাটা আরও ঘনীভূত হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘যেহেতু বর্ডারের ওই পাড়ে মায়ানমার সরকার, আরাকান আর্মি বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত, স্টেকহোল্ডাররা, বিভিন্ন দেশের ওখানে স্টেক আছে, সেই জায়গাটা চিন্তা করে আমাদের রিজিওনাল যে কমপ্লিকেশনটা তৈরি হয়েছে ওখানে, সেখানে কিন্তু আন্তর্জাতিক একটা চাপ না হলে এই সমস্যা সমাধান করা ডিফিকাল্ট হয়ে যাবে।’












