শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি : সংগৃহীত
পাবনায় সাংবাদিকদের আলটিমেটামের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই প্রত্যাহার করা হলো জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি রাশেদুল ইসলামকে। তাকে পাবনা থেকে রংপুর রেঞ্জে পাঠানো হয়েছে।
ঐতিহ্যবাহী পাবনা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও অশোভনীয় ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ডিবি ওসির ভূমিকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ ওঠে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকার অ্যাডিশনাল ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহির স্বাক্ষরিত এক আদেশে রাশেদুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়। সংশ্লিষ্ট আদেশে তাকে রংপুর রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়েছে।
ডিবি ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, তার অফিসে এক নারীকে জিম্মি করে কুচক্রী মহলের যোগসাজশে পাবনা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও অশোভনীয় বক্তব্যের ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করা হয়। পরে পরিকল্পিতভাবে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন পাবনায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) পাবনা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে জেলার কর্মরত সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে শহরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন সাংবাদিকরা। মানববন্ধনে ডিবি ওসি রাশেদুল ইসলামকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহারসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবিতে আলটিমেটাম দেন তারা। পরে পাবনা পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি দেন সাংবাদিকরা।
মানববন্ধনে সাংবাদিকরা অভিযোগ করেন, ডিবি কার্যালয়ের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনায় একজন নারীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বা জিম্মি করে একজন সাংবাদিক নেতার বিরুদ্ধে সাজানো ভিডিও ধারণ এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও একজন সংবাদকর্মীর সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন?
এদিকে ওসি রাশেদুল ইসলামের প্রত্যাহারের পর এখন সাংবাদিকদের দাবি, শুধু ওসি প্রত্যাহার করলেই হবে না; ভিডিও তৈরির সঙ্গে জড়িত এবং এর পেছনে থাকা প্রত্যেক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
আ/আ













