• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

সারাদেশ

আড়াইহাজারে দারোগাকে ঘুষ না দেয়ায় থানায়আসামির ছেলেকে মারধর করে পা ভাঙার অভিযোগ

প্রকাশ: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৭:০৩
আপডেট: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৭:০৩

আড়াইহাজারে দারোগাকে ঘুষ না দেয়ায় থানায়আসামির ছেলেকে মারধর করে পা ভাঙার অভিযোগ

এম আর কামাল, নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানায় আটক বাবাকে খাবার দিতে গিয়ে পুলিশের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ওই কর্মকর্তা তাঁকে মারধর করেন এবং এতে তাঁর বাম পা ভেঙে যায় বলে অভিযোগ করেছেন আরমান হোসেন (২৫)। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আড়াইহাজার থানায় এ ঘটনা ঘটে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন। তাঁর দাবি, আরমানকে তিনি আগে থেকে চেনেন না এবং তাঁর কাছে কোনো টাকা চাননি।
আহত আরমান হোসেন আড়াইহাজার উপজেলার গহরদী এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরমান বলেন, থানায় টাকার জন্য আমাকে মেরে পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এখন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছি। পরে পুরো ঘটনা বলব।
পরিবারের অভিযোগ, একটি হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে আরমানের বাবা আনোয়ার হোসেনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে আইনগত কার্যক্রম চলছিল। ওই মামলায় দেলোয়ারসহ কয়েকজন আসামি রয়েছেন। মামলার একপর্যায়ে আসামিদের একজন উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান। পরে দেলোয়ার আটক হওয়ার পর তাঁর স্বজনদের কাছে বিভিন্নভাবে টাকা দাবি করা হয়।
পরিবারের দাবি, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রুহুল আমিন দেলোয়ারের স্বজনদের কাছে টাকা দাবি করে আসছিলেন। একপর্যায়ে তিন দফায় মোট ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হয় বলেও দাবি করা হয়েছে।
এর মধ্যে গত শুক্রবার আনোয়ার হোসেনকে আটক করা হয়। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, ওই দিন দুপুর তিনটার দিকে বাবাকে খাবার দিতে আড়াইহাজার থানায় যান আরমান। এ সময় এসআই রুহুল আমিন আবারও তাঁর কাছে টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
আরমানের অভিযোগ, টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে থানার ভেতরে তাঁকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাঁর বাম পা ভেঙে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এসআই রুহুল আমিন বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি আরমানকে আগে থেকে দেখিনি, চিনিও না। কে মারছে বা কারা মারছে, তা থানার সিসিটিভি ফুটেজ দেখলেই জানা যাবে। সে আহত হওয়ার পর আমি তাকে দেখেছি। আর তার কাছে টাকা চাওয়ার অভিযোগও মিথ্যা। তার কাছে টাকা চাইনি।