• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

শিক্ষাঙ্গন

সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ শিক্ষার্থী

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৬:৩৪
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৬:৩৪

সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ শিক্ষার্থী

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সিভিল জজ (জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট) পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের চার শিক্ষার্থী। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত পরীক্ষার ফলাফলে তাদের এ সাফল্যের বিষয়টি জানা যায়।

সুপারিশপ্রাপ্ত চার শিক্ষার্থী হলেন আইন ও বিচার বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের মোছা. ফারজানা ফেরদৌসী, শরিফুল ইসলাম ও সুস্মিতা সরকার বৃষ্টি এবং ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের নূরজাহান আক্তার।

সাফল্যের অনুভূতি জানাতে গিয়ে সুস্মিতা সরকার বৃষ্টি বলেন, এ অর্জন তার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও আবেগঘন। দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতি, ধৈর্য ও নিরবচ্ছিন্ন পরিশ্রমের ফল হিসেবেই তিনি এ সাফল্যকে দেখছেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ হওয়ার পর ২০২৪ সাল থেকে নিয়মিতভাবে বিচার বিভাগীয় পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেন তিনি। অ্যাডভোকেটশিপ সনদ অর্জনের পর পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় দুই বছর সময় লেগেছে বলেও জানান তিনি।

সুস্মিতা বলেন, এ পথচলায় পরিবার, শিক্ষক ও বন্ধুদের সহযোগিতা ছিল তার সবচেয়ে বড় শক্তি। বিশেষ করে সহপাঠী ও বিচারক আবু সাঈদ এবং বন্ধু জ্যোতি, মেহেরিমা ও সুমির সহযোগিতা ও উৎসাহ তাকে প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করেছে।

ভবিষ্যৎ পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিচার বিভাগীয় পরীক্ষায় সফল হতে ধারাবাহিক অধ্যবসায়ের কোনো বিকল্প নেই। শুধু মেধা নয়, নিয়মিত অধ্যয়ন, আত্মবিশ্বাস ও কঠোর পরিশ্রমই একজন পরীক্ষার্থীকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে পারে। প্রস্তুতির সময় হতাশা এলেও তা কাটিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

আইন ও বিচার বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. আসাদুজ্জামান নিউটন বলেন, বিভাগের চার শিক্ষার্থীর এ অর্জন অত্যন্ত গর্বের। তাদের সাফল্য বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। নতুন কর্মজীবনে তারা ন্যায়বিচার, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে দেশের বিচার ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, যারা এবার সফল হতে পারেননি, তাদের হতাশ হওয়ার সুযোগ নেই। সঠিক পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির মাধ্যমে ভবিষ্যতে তারাও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করতে পারবেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষা দেশের বিচার বিভাগে সহকারী জজ নিয়োগের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা। এ পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচিত প্রার্থীরা বিচার বিভাগে সিভিল জজ (জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট) হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পান।