• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • [email protected]

জাতীয়

সম্প্রীতি গড়তে হলে সবার মধ্যে সহাবস্থান জরুরি: দীনেশ ত্রিবেদী

প্রকাশ: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬ ৫:৪০
আপডেট: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬ ৫:৪০

সম্প্রীতি গড়তে হলে সবার মধ্যে সহাবস্থান জরুরি দীনেশ ত্রিবেদী
 

শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি : সংগৃহীত
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে চট্টগ্রামের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত সোয়া ৮টার দিকে রহমতগঞ্জ জেএম সেন পূজামণ্ডপে উপস্থিত হয়ে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানান।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অর্পণ কান্তি ব্যানার্জি, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিখিল দাস, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি রাজীবধর তমাল ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজিমুর রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

পরে প্রধানমন্ত্রী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধা, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন আসনের এমপিরা।

এর আগে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সরাসরি পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যান তিনি।
সম্প্রীতি গড়তে হলে সবার মধ্যে সহাবস্থান জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

তিনি বলেন, ‘শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ ও বর্ণিল পরিবেশে এবার বাংলাদেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে। সম্প্রীতি গড়তে হলে সবার মধ্যে সহাবস্থান জরুরি।’

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর উত্তরা সার্বজনীন পূজা কমিটির শারদীয় দুর্গোৎসব ২০২৬ পরিদর্শনে যান তিনি।ঘড়ি কিনুন

 

এসময় দীনেশ ত্রিবেদী আরও বলেন, ‘পূজায় হাইকমিশনার হিসেবে আসিনি, এসেছি পরিবারের সদস্য হিসেবে পূজার আনন্দ ভাগাভাগি করতে।’

এছাড়া নিরাপত্তা ইস্যূতে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং উৎসব মুখর পরিবেশে বাংলাদেশে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এদিকে দিনভর নানা আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালন করা হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজার ‘নবমী’। এ দিন দেবী দুর্গার হাতে বধ হয়েছিলো মহিষাসুর; আর রাম বধ করেছিলেন রাবণকে। যা দুর্গাপূজার অন্তিম দিন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ বছর ভক্তদের কষ্ট দূর করতে দেবী দুর্গা এসেছেন ঘোড়ায় চড়ে, আর কাল দশমীর দিন বিদায় নেবেন নৌকায়।

দুর্গোৎসবের চতুর্থ দিনের মহানবমী তিথি। দেবীর বিদায় ঘণ্টা শুরু হলো সবে। এরপরই কৈলাশে ফিরবেন দেবী। নবমীকে ধরে রাখতে তাইতো এমন আরাধনা ভক্তদের। নবমীর সূচনার প্রথম লগ্নে মন্ত্রোচ্চারণ, চণ্ডীপাঠের মধ্য দিয়ে অঞ্জলি, ঢাকঢোল ও কাঁসরের বাদ্যে হোমযজ্ঞের আনুষ্ঠানিকতায় শুরু হয় বিহিতপূজা।

সকালে তর্পণে দুর্গার মহাস্নান শেষে ষোড়শ উপচারে মণ্ডপে মণ্ডপে চলে মহাআরতি। ১০৮টি মাটির প্রদীপ জ্বালানো হয় দেবীর চরণে। বেল পাতা, আম কাঠ, ঘি দিয়ে দেবীদুর্গার কাছে আহুতি দেয় ভক্তরা।

সনাতন ধর্মমতে এ দিন ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিবসহ সমস্ত দেবতার সম্মিলিত অষ্টভুজ সাজে দেখা গেছে দেবী দুর্গাকে। অসুরকে বধ করে স্বর্গ ও মর্ত্যকে ত্রাসের হাত থেকে রক্ষা করতে সিংহের পিঠে চড়ে তাইতো ভক্তদের মহিমান্বিত করেছেন, পূজিত হয়েছেন মহিষাসুরমর্দিনী রূপে।

নবমীর সন্ধ্যায় দেবীদুর্গার ‘মহাআরতি’ করা হয় আরও একবার।

 

সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ
উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রাকেস)
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: [email protected]

© Copyright . শীর্ষ খবর ডট কম