• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

সারাদেশ

লাহিড়ীপাড়া কেন্দ্রে আমার এজেন্টকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি : হিরো আলম

প্রকাশ: বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ২:০৯
আপডেট: বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ২:০৯

লাহিড়ীপাড়া কেন্দ্রে আমার এজেন্টকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি : হিরো আলম

বগুড়ায় উপনির্বাচনে ভোট দিয়েছেন আলোচিত-সমালোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম।

আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বগুড়া সদরের এরুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন তিনি।

ভোট দেওয়া শেষে হিরো আলম বলেন, আমরা সবাইকে বলেছি সুষ্ঠু ভোট হবে এবার। আপনারা সবাই কেন্দ্রে এসে ভোট দেবেন। নির্বাচনের শেষ পর্যন্ত অবশ্যই থাকার নিয়ত আছে। শেষ পর্যন্ত সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমি দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়লাভ করবো।

তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ আমার ইউনিয়নে ভালো আছে। বগুড়া-৪ আসনের খবরও এখন পর্যন্ত ভালো পেয়েছি। আমি আগে থেকেই আশঙ্কা করছিলাম সদরে ভোটের দিন গ্যাঞ্জাম হতে পারে। সে হিসেবে আমাদের লাহিড়ীপাড়া কেন্দ্রে আমার এজেন্টকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। আমি অনেকবার ফোন দেওয়ার পর নির্বাচন কর্মকর্তা ফোন ধরেছে। তাদের বিষয়টি জানিয়েছি। তারা বিষয়টি দেখবে বলে জানিয়েছে।

অনেকেই বলেন, মাঝপথে আপনি পালিয়ে যাবেন নির্বাচন থেকে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাঝপথে এক প্রার্থী কখন পালিয়ে যায়, যখন দেখেন আমার এজেন্টকে বের করে দেওয়া হচ্ছে। জোর করে ভোটে সিল দিতেছে। যখন তো ভোটে থাকার থেকে না থাকাই ভালো। তখন মাঝপথে চলে যাওয়া হয়। এখন পর্যন্ত এরকম ঘটনা ঘটেনি। ওই রকম ঘটনা ঘটলে তখন চিন্তা করবো।

হিরো আলম বলেন, দুই আসন থেকে এখন এই মুহূর্তে বলতে পারতেছি না। কারণ বগুড়া সদরে ইতোমধ্যে ঝামেলা শুরু হয়েছে। বগুড়া সদর থেকে পাশ করবো কিনা জানি না। তবে কাহালু-নন্দীগ্রামে পরিবেশ এখনও ভালো আছে। ওখান থেকে আমি খুব ফোন পাচ্ছি। তারা ভোট দিতেছে। খুবই ভালো পরিবেশ আছে।

বগুড়ায় উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। এই দুই আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন হিরো আলম। নির্বাচন উপলক্ষে দুই আসনে ৩ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটে ও ৩৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছেন। পাশাপাশি ১৪ প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাব ১৭ টহল দল মোতায়ন আছে। এ ছাড়াও ভোটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সাড়ে ৪ হাজার নিরাপত্তা কর্মী কাজ করছেন।