জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা, জন্মদিনের কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে রবিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) গাইবান্ধায় শিল্পকলা একাডেমির ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়। এ উপলক্ষে সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্ত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে।
প্রতিষ্ঠাবাষির্কী উপলক্ষে সকাল থেকে শিল্পকলা চত্ত্বরে শিল্পী অনুরাগীসহ সাধারন মানুষের ঢল নামে। সব মানুষের আগমনে এ যেন প্রাণের মেলায় পরিণত হয়। বহুদিন পর একত্র হতে পেরে সকলের মধ্যে এক ধরনের আবেগ কাজ করে। একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করে। দেশের বাহিরে থাকা শিল্পীরা এবার আসতে পেরে বেশ খুশি। করোনায় তারা আগের উৎসব গুলোতে থাকতে না পারার কমতি কিছুটা পুসিয়ে নিচ্ছেন সকলকে কাছে পেয়ে।
জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সংগঠনের সহ-সভাপতি শাহ মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনায় বক্তরা বলেন, সংস্কৃতি মানুষের জীবনে অনেক প্রভাব ফেলে। এক জন ভাল শিল্পী তার ভাল কাজের মধ্যে দিয়ে দীর্ঘদিন মানুষের মাঝে বেঁচে থাকতে পারে। মহান মুক্তিযুদ্ধে শিল্পীদের অবদান আমরা ভুলতে পারিনা। তারা সেদিন গানের মাধ্যেমে যোদ্ধাদের মনোবল আরও দৃঢ় করে যুদ্ধ করতে সহায়তা করেছে। সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইবনে মিজান, কবি সরোজ দেব, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারন সম্পাদক প্রমতোষ সাহা, জেলা কালচারাল অফিসার মো. আলমগীর কবির প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শিরিন আকতার। শেষে সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করে শিল্পকলা একাডেমির শিশু শিল্পীরা।

