প্রথম আলো: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড, ঢাকার সায়েন্স ল্যাবের কাছের ভবন এবং সর্বশেষ সিদ্দিক বাজারের ভবন—এসব দুর্ঘটনার মধ্যে মিল বা অমিল কী দেখেন?
ইয়াসির আরাফাত: দেখুন, সীতাকুণ্ডের দুর্ঘটনাটি অন্যগুলোর থেকে আলাদা। এটি শিল্পকারখানায় সংঘটিত দুর্ঘটনা, যেখানে প্রচণ্ড চাপ উৎপন্ন হয়ে অক্সিজেন ট্যাংক ও সেপারেশন ইউনিট বিস্ফোরিত হয়েছে এবং বিস্ফোরণ-পরবর্তী অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।
প্রতিটি দুর্ঘটনার ব্যাপ্তি আলাদা হলেও ঢাকার সায়েন্স ল্যাবের কাছের ভবন, সিদ্দিক বাজারের ভবন ও ২০২১ সালে মগবাজারের দুর্ঘটনাগুলো একই প্রকৃতির। যেখানে জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ধরনের ঘটনাকে বলা হয় কনফাইন্ড স্পেস এক্সপ্লোশন। বদ্ধ জায়গায় গ্যাস জমে বাতাসের সঙ্গে এক্সপ্লোসিভ মিক্সচার তৈরি করলে এ ধরনের বিস্ফোরণ হতে পারে।
তবে ঢাকার সায়েন্স ল্যাবের কাছের ভবনে বিস্ফোরণ হয়েছিল ভবনের তিনতলায়। ফলে চাপে দেয়াল ভেঙে সহজে প্রশমিত হয়েছে। সিদ্দিক বাজারের বিস্ফোরণের কেন্দ্রস্থল ভবনের বেজমেন্টে হওয়ায় নিচে প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয়েছে, যাতে ভবনের সিঁড়িঘর, বেজমেন্ট ছাদ ভেঙে ওপরে এসে পাশের দেয়াল ও ওপর তলা কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ভবনের কলামগুলো বেশ ক্ষতিগ্রস্ত













