ডেস্ক নিউজ
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার বলেছেন, সরকার এবং ব্যাংক চাইলেও হুন্ডির সঙ্গে পারা সম্ভব নয়। হুন্ডিকে কীভাবে প্রপার চ্যানেলে আনা যায় সেজন্য ভারতকে অনুসরণ করে অ্যাপসের মাধ্যমে রেমিট্যান্স আনার কাজ করা হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীতে বিআইডিএস আয়োজিত গবেষণা সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেন, হুন্ডিতে বেশি টাকা দেয় সেটি সরকার বা ব্যাংকের পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্যই অ্যাপস সিস্টেম চালু করা হচ্ছে।
আব্দুর রউফ বলেন, প্রবাসীরা অ্যাপসের মাধ্যমে পছন্দ অনুযায়ী ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারবে। এটি করতে পারলে রেমিট্যান্স বাড়বে। এজন্য ভারতকে অনুসরণ করা হচ্ছে। কারণ ভারত হুন্ডিকে প্রপার চ্যানেলে আনতে এ ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছিল। এটি করতে তারা প্রায় ২-৩ বছর সময় নিয়েছিল। বাংলাদেশেও করা সম্ভব এবং সেক্ষেত্রে ১-২ বছর সময় লাগবে। তারপর প্রবাসীরা অ্যাপের মাধ্যমে ঘরে বসে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারবে।
এ সময় ফাইন্যান্সিয়াল সারপ্লাস কমার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, আগে বিদেশি লোনগুলো সস্তা ছিল। এ কারণে দেশের প্রাইভেট সেক্টরগুলো বিদেশ থেকে সহজ শর্তে বেশি লোন নিয়েছে। এখন লোন সস্তা না হওয়ায় এর প্রভাব পড়েছে ফাইন্যান্সিয়াল সারপ্লাসের ওপর। এ কারণে ফাইন্যান্সিয়াল সারপ্লাস কমছে। বর্তমান ডেফিসিট রয়েছে মাইনাস ২ শতাংশ। আগামী দুই মাসের মধ্যে যা জিরোতে নামিয়ে আনার কাজ করা হচ্ছে। এটি করতে পারলে রিজার্ভ বাড়বে।
ডলার রেটের বিষয়ে তিনি বলেন, ডলারের একচেঞ্জ রেটের সব বিষয় নিয়ে গবেষণা করা হচ্ছে। আশা করা যায়, এখন মাল্টিপল রেট থাকলেও আগামী ৩-৪ মাসের মধ্যে ডলার এক রেটে চলে আসবে।













