ডেস্ক নিউজ
নেভিগেশনবিহীন অসংখ্য ব্রিজ তৈরির সমালোচনায় নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন, বিআইডব্লিউটিএ’র অনুমোদন ছাড়া ব্রিজ হবে না। এটা কেউ আগে ভেবেছে? এটা শেখ হাসিনা ভেবেছে, আওয়ামী লীগ ভেবেছে।
মঙ্গলবার (২৩ মে) দুপুরে নৌ নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষ্যে ‘নদী আমাদের মা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। নোঙ্গর ট্রাস্টের আয়োজনে জাতীয় প্রেসক্লাবে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
শিপিং লাইনের মাধ্যমে বিদেশে টাকা পাচারের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, আমরা জানি শিপিং লাইনের মাধ্যমে অর্থ দেশের বাইরে পাচার হয়ে যাচ্ছে। আমরা এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছি। বাংলাদেশের অর্থ যেন বিদেশে পাচার হতে না পারে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।
তিনি বলেন, আমাদের নদী মাতৃক বাংলাদেশ মহান মুক্তিযুদ্ধে কি অবদান রেখেছে, সেটা কি আমরা কখনো গবেষণা করেছি?
তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান কারাগার থেকে বের হয়ে এসে বলেছিলেন, নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে হবে।
তিনি বলেন, ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিআইডব্লিউটিএ সাতটা থেকে আটটা ড্রেজারে পরিণত হয় নাই। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর নদীর নাব্যতা বৃদ্ধিতে ভাবা হয় নাই।
বিএনপির আমলে নদী ও রেল নিয়ে ভাবা হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, নদীকে বাদ দিয়ে, রেলকে বাদ দিয়ে সড়কের জন্য খরচ করা হয়েছে৷ কেন? গাড়ি আমদানি করার জন্য। এতে সরকারের লোকজনের মুনাফা হবে। তারা সেটাই করেছে।
তিনি বলেন, পৃথিবীর কোনো রাজনৈতিক দলের ইসতেহারে আছে কিনা, আমরা ১০ হাজার কিলোমিটার নৌ-পথ করে দিব। আওয়ামী লীগ তাদের ইসতেহারে বলেছে। এ জন্য জনগন নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েছে।
এক সময় দেশে অনেক নৌ বিহার হতো। নৌ বিহারে নিয়ে মেজর জিয়া তরুণদের হাতে অস্ত্র ও অর্থ তুলে দিত বলে জানান খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, নদীকে দখল করা হয়েছে এভাবে।
আগামী অক্টোবর, নভেম্বরের মধ্যে একটি ক্রুস ভ্যাসেল দেশে আসছে। যার মাধ্যমে বিদেশীদের নদী দেখানো যাবে বলেও জানান নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী।

