ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
দিনাজপুরে বিএনপির পদযাত্রায় অংশ নিতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের শতাধিক নেতা কর্মী। আহতদের দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন জায়গাতে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
বুধবার (১৯ জুলাই) ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা তৈয়মুর রহমান এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, একদফা দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভাগীয় পদযাত্রায় অংশ নেওয়ার জন্য সকাল থেকেই রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলার বিএনপির নেতাকর্মীরা দিনাজপুরে আসেন। এ সময় ঠাকুরগাঁও থেকে গাড়িবহরে নেতা কর্মীরা দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। বেলা দেড়টার দিকে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পৌছালে ছাত্রলীগ নেতা কর্মীরা পথরোধ করে হামলা চালায়। এ সময় শুধুমাত্র ঠাকুরগাঁও জেলারই শতাধিক নেতাকর্মী হামলার শিকার হন।
গাড়িবহরে থাকা জেলা বিএনপির যুগ্মসম্পাদক পয়গাম আলী বলেন, আকস্মিক এ হামলা সম্পর্কে আমাদের ধারণা ছিলো না। হামলাটি করেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা। ঠাকুরগাঁও থেকে আমরা ৬০থেকে ৭০গাড়ি নিয়ে রওয়ানা হয়েছিলাম।
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সামনে গেলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বিশ্ববিদ্যায় ভবনের ছাদ থেকে ইট পাথর নিক্ষেপ করতে থাকে। আমাদের দলীয় লোকজনের কারো মাথা ফাটছে, কারো কান ফেটে রক্ত বের হচ্ছে, অনেকের শরীরের বিভিন্ন জায়গাতে আঘাত হেনেছে নিক্ষেপ করা পাথর। আহতদের তালিকা করা হচ্ছে।
আহতদের মধ্যে ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি আছেন পীরগঞ্জ উপজেলার সাবেক কাউন্সিলর জয়নাল আবেদিন, সদর উপজেলা বড়গাঁও ইউনিয়নের ছাত্রদলের দুই কর্মী ও একই উপজেলার মোহাম্মদপুর গিলাবাড়ী বিএন পির সদস্য মুকুল হোসেন। এর মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছেন মুকুল। তার মাথায় ৮থেকে ১০টি সেলাই করা হয়েছে।
হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা রকিবুল ইসলাম বলেন, মুকুলকে পর্যবেক্ষনে রাখা হয়েছে। তার শারিরীক অবস্থা সম্পর্কে এখুনি কিছু বলা যাচ্ছে না।












