• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

ভেদরগঞ্জে মসজিদ নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২২ ৪:০১
আপডেট: মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২২ ৪:০১

96002 7

ভেদরগঞ্জে মসজিদ নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাওঁ কাজী দিদার বক্স ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন মসজিদ নির্মাণ কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন খোদ মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি । সভাপতি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিষ্টারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।যার প্রেক্ষিতে ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন বোর্ড কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া ও মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে মাদ্রাসার পানির ট্যাং কমিটিকে না জনিয়ে গোপনে বিক্রির অভিযোগ তুলেছেন। মাদ্রাসার সুপার বলছেন নির্মাণ কাজে অনিয়ম হয়নি। তবে পানির ট্যাংকি শিক্ষকরা বিক্রি করেছেন। তিনি এ বিষয়ে জানতেন না। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলছেন, এ বিষয় তদন্ত চলছে। আরো কিছুদিন সময় লাগবে।
কাজী দিদার বক্স ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটি ও সরেজমিন ঘুরে জানাগেছে, ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাওঁ কাজী দিদার বক্স ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন মসজিদ নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। ২০১৯ সালে ”ওয়ামী” নামের একটি সংস্থা মাদ্রাসার ছাত্র ছাত্রি ও শিক্ষক দের নামাজ কালাম পড়ার সুবিধার্থে দীর্ঘদিনের চেষ্টার ফলে একটি মসজিদ নির্মানের জন্য কিছু টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সংস্থা কতৃক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এ নির্মান কাজটি করেছেন। কাজের শুরুতেই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি কাজী রাশেদুর রহমান নান্নু নিম্মমানের মালামাল দিয়ে কাজ করতে বারন করেন। এ সময় সভাপতি ঠিকাদার ও মাদ্রাসা সুপারের নিকট কাজের নকশা ও সিডিউল দেখতে চান। তারা কেউ কমিটির সভাপতি বা সদস্যদেরকে সিডিউল বা নকশা দেখায়নি। এ মসজিদের নির্মাণ কজের বরাদ্দ পর্যন্ত কমিটির কাউকে জানায়নি।সুপারের সাথে যোগসাজসে নিম্মমানের মালামাল দিয়ে মসজিদের কাজ শেষ করে ঠিকাদার চলে গেছেন বলে সভাপতি অভিযোগ করেছেন। তাদের ধারনা ২৫/৩০ লাখ টাকা নির্মাণ কাজে বরাদ্দ ছিল। এছাড়া মাদ্রাসার সুপার আমিমুল এহসান সেকান্দর মাদ্রাসা েেথকে ৫০০লিটারের একটি পানির ট্যাং কমিটির কাউকেই না জানিয়ে বিক্রি করেছেন। এ ঘটনা প্রকাশ হলে কমিটির সভাপতি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা কাজী রাশেদুর রহমান নান্নু জানতে চাইলে সুপার স্বীকার করে লিখিত দিয়েছেন। এ বিষয়ে সভাপতি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিষ্টারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। যার প্রেক্ষিতে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেয়। ইতোমধ্যে গত শনিবার নির্বাহী অফিসার সরেজমিন তদন্ত করেন। তিনি উভয় পক্ষের সাক্ষ্য প্রমাণ গ্রহন করছেন।
মাদ্রাসার শিক্ষক কেএম মকবুল হোসাইন বলেন, পানির ট্যাংকি ঘরে পরেছিল। এটা মসজিদের ঠিকাদার দেখে বলছেন আমি অপনাদের টাকা দিয়ে দেই। ট্যাংকিটা মসজিদের কাজে লাগাই। তখন আমরা দিয়েছিলাম। পরে সভাপতি আপত্তি দিলে ১০০০ লিটারের ট্যাংকি কিনে দিতে চাইছি। সে রাজি না।
মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আমিমুল এহসান বলেন, মসজিদ নির্মানের জন্য আমি চেষ্টা করেছি। মসজিদের নির্মাণ কাজের বরাদ্দ আমি জানিনা। কোন খারাপ মালামাল দিয়ে কাজ করেনি। পানির ট্যাং আমি বিক্রি করিনি। আমি ঢাকায় ছিলাম। তখন শিক্ষকরা এটা বিক্রি করেছে। পরে ১০০০ লিটারের পানির ট্যাং কিনে দিতে চাইছি। সভাপতি মানে না।
এ ব্যাপারে মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি কাজী রাশেদুর রহমান নান্নু বলেন, মসজিদ নির্মাণ কজের বরাদ্দ আমাকে আজও জানতে দেয়া হয়নি। কোন নকশা বা সিডিউল আমাকে দেয়নি। মসজিদ নির্মাণ কজে অনিয়ম হয়েছে। নির্মাণ সামগ্রী নিম্মমানে ছিল। আমি খারাপ মালামাল দিয়ে কাজ করতে বারন করলেও সে শুনেনি। আমাদের মাদ্রাসার পানির ট্যাংকি কমিটিকে না জানিয়ে সুপার বিক্রি করেছে।আমি এর বিচার চাই।
ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমার কাছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড অভিযোগের তদন্ত দিয়েছে। আমি সরেজমিন তদন্ত করছি। আর কদিন সময় লাগবে। আমি রিপোর্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠিয়ে দিব। কর্তৃপক্ষ বিষয়টির ব্যাপারে ব্যবস্থা নিবে।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com