কুবি প্রতিনিধি
‘যেই সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছিলো সেখানে সাংবাদিকের ব্যক্তিগত কোনো বক্তব্য ছিল না। তারই প্রেক্ষিতে প্রশাসন ইকবালকে যেভাবে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করেছে তা কোনো আইন সমর্থন করে না। কোনো শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। উচ্চপর্যায়ের সভায় কারা ছিলেন, কীভাবে তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা স্পষ্ট নয়। তারা ভেবেছিলো ইকবালকে বহিষ্কারের মাধ্যমে সাংবাদিক সমিতির অন্যান্য সাংবাদিকদের কলমকে বন্ধ করে দেয়া যাবে। কিন্তু তা কখনোই সম্ভব নয়। যারা সাংবাদিকতা করেন, যারা অন্যায় ও দুর্নীতিকে তুলে ধরেন তারা নিজেদের সৎ সাহস নিয়েই করেন।’
রবিবার (৬ আগষ্ট) বিকালে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের দৈনিক যায়যায়দিনের সাংবাদিক ইকবাল মুনাওয়ারের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে ক্যাম্পাস সংবাদকর্মীদের সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচিতে এসব কথা বলেছেন দৈনিক ইত্তেফাকের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি জান্নাতুল ফেরদৌস।
এছাড়াও সমাবেশে দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি ও সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মুহা. মহিউদ্দিন মাহি বলেছেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যে ভুল করেছে সে ভুলের দায় তারা স্বীকার করতে চায় না। তারা শুধু একটা কথাই বলে ‘উচ্চ পর্যায়ের সভা’। কিন্তু কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আইনে উচ্চ পর্যায়ের সভা বলে কোনো কাঠামো নেই। তাদের এই উচ্চ পর্যায়ের সভার মাধ্যমে একটি অবৈধ, অনৈতিক এবং আইনবহির্ভূত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যে সিদ্ধান্ত রুদ্র ইকবালের শিক্ষা জীবনকে ব্যাহত করছে। অথচ কাদেরকে নিয়ে এই সভা গঠিত হয়েছে সে বিষয় প্রশাসন এখনো পরিষ্কার করে বলেনি। নিজের অপরাধকে ঢাকতে নতুন নতুন অপরাধ করছেন তিনি।
কর্মসূচিতে সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আহমেদ ইউসুফ আকাশ বলেছেন, সংবাদকর্মীরা সমাজকে সঠিক পথে পরিচালনার জন্য কাজ করে যায়। ইকবাল সংবাদ প্রকাশ করে কোন অপরাধ করেনি। তিনি শুধুমাত্র সংবাদ প্রচার করেছেন। কিন্তু উপাচার্য ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে প্রতিশোধ নিয়েছেন। উপাচার্য চরমভাবে বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছেন। আমি বলতে চাই আপনারা ভুল করেছেন সেই ভুল স্বীকার করে স্বৈরাচারী মনোভাব থেকে ফিরে আসুন। রুদ্র ইকবালের উপর আইনবহির্ভূত বহিষ্কারাদেশ নি:শর্ত প্রত্যাহার করুন। তা না হলে বাংলাদেশের সমগ্র সাংবাদিকদের নিয়ে আমরা কঠোর আন্দোলন নামতে বাধ্য হব।
এসময় কর্মসূচিতে দৈনিক সময়ের আলোর প্রতিনিধি এবিএস ফরহাদ, প্রতিদিনের সংবাদের প্রতিনিধি মঈনুদ্দিন ইরফান, দৈনিক শেয়ার বিজের প্রতিনিধি শাহীন আলম, মানবজমিনের প্রতিনিধি সাঈদ হাসান, মানবকণ্ঠের প্রতিনিধি জুবায়ের রহমান, ভোরের ডাক প্রতিনিধি রকিবুল হাসান, দেশ রূপান্তরের প্রতিনিধি নাঈমুর রহমান রিজভী, খোলা কাগজের প্রতিনিধি হাছিবুল ইসলাম সবুজ, আমার বার্তার প্রতিনিধি চৌধুরী মাসাবিহ, কালবেলার প্রতিনিধি আবু শামা, স্বদেশ প্রতিদিনের প্রতিনিধি মোহাম্মদ রাজীব, দেশের কন্ঠের প্রতিনিধি তোফাজ্জল হোসাইন, আজকের দৈনিকের প্রতিনিধি তুষার ইমরান, নয়া শতাব্দীর প্রতিনিধি তানভীর সালাম অর্ণব, দৈনিক অ ধিকারের প্রতিনিধি আনিসুর রহমান, চ্যানেল ওয়ানের অনলাইন প্রতিনিধি ফারিহা জাহান, ডাকঘরের প্রতিনিধি শাহিন ইয়াসার, রাইজিং বিডি প্রতিনিধি নাভিদ, অধিকারপত্রের প্রতিনিধি জাহিদ উপস্থিত ছিলেন।












