সাধারন মানুষের দোরগোড়ায় পুলিশিং সেবা পৌছে দিতে হবে

Pub: Friday, August 7, 2020 1:30 AM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

কামরুজ্জামান শাহীন,ভোলা॥
ভোলা জেলা নবাগত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আবুল কালাম আজাদ বলেছেন,কমিউনিটি ও বীট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে সাধারন মানুষের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌছে দিতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহীনি কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডকেন্দ্রিক বীট পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
বৃহস্পতিবার(৬আগষ্ট) বিকাল ৪টার দিকে চরফ্যাশন থানা পরির্দশনে এসে পুলিশ সদসদের সাথে মতবিনিময় কালে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি সাধারন জনগনের দোরগোড়ায় পুলিশিং সেবা পৌছে দিতে হবে। তাই বাংলাদেশ পুলিশ বাহীনি সাধারন মানুষের দোরগোড়ায় পুলিশিং সেবা পৌছে দিতে বীট পুলিশিং সেবা চালু করতে যাচ্ছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা পুলিশ ও জনগনের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ নিশ্চিত করে। এটি একটি প্রতিরোধমূলক ও সমস্যা সমাধানভিত্তিক পুলিশী ব্যবস্থা। এ ব্যবস্থায় জনগণ এলাকার সমস্যা ও সমস্যার কারণ চিহ্নিত করে তা সমাধানের লক্ষ্যে পুলিশের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করার সুযোগ পায়। পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সমঝোতা ও শ্রদ্ধা বৃদ্ধি পায়। জনগণের নিকট পুলিশের জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়। পুলিশ ও জনগণের মধ্যে দূরত্ব কমে এবং জনগনের মধ্যে পুলিশ ভীতি ও অপরাধ হ্রাস পায় এবং জনগণ পুলিশকে সহায়তা করার জন্য উদ্বুদ্ধ হয়। জনগণের সহায়তায় পুলিশ নির্দিষ্ট এলাকার সমস্যা সমাধানের কারণ চিহ্নিত করে তা সমাধানের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিতে পারে। জনগণ পুলিশের কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পাওয়ায় জনগণের প্রত্যাশা ও পূরণ হবে।
তিনি পুলিশের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে আরো বলেন, ‘গণমানুষের দোরগোড়ায় পুলিশিং সেবা পৌঁছে দিতে হবে। বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে প্রান্ত থেকে কেন্দ্র সর্বত্র হাতে নিতে হবে উন্নয়নমুখী উদ্ভাবনী পুলিশিং কার্যক্রম। ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডকেন্দ্রিক বিট পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে তার এলাকার প্রত্যেক নাগরিকের সুখ-দুঃখের খোঁজ নেবেন। বিপদে ও প্রয়োজনে মানুষের পাশে দাঁড়াবেন। এক্ষেত্রে তিনি তার নির্ধারিত এলাকায় অপরাধ সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে এলাকাবাসীর নিকট গৃহ-ডাক্তারের মতোই কাজ করবেন। এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা শিগগিরই সব ইউনিটে পৌঁছে দেওয়া হবে। পুলিশ সদস্যরা কোনোভাবেই কোনও ধরনের দুর্নীতি বা অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন না। পুলিশকে দূর্নীতিমুক্ত হতে হবে।

এছাড়া তিনি পুলিশ সদস্যদেরকে মাদকের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, ”মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের কঠোর অবস্থান ’’জিরো টলারেন্স”। কোনও পুলিশ সদস্য মাদকের সঙ্গে অথবা মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত থাকলে, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনা অনুযায়ী উন্নয়নশীল দেশের ন্যায় পুলিশকেও আধুনীক ও যুগোপযোগী হিসেবে গড়ে উঠতে হবে বলে জানান।
পরে তিনি বেতুয়া নদীর পাড় ও জ্যাকব টাওয়ার ও শেখ রাসেল শিশু ও বিনোদন পার্ক ঘুরে দেখেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি লালমোহন থানার উদ্দেশ্যে চরফ্যাশন ত্যাগ করেন।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়ন সহকারী পুলিশ সুপার(চরফ্যাশন সার্কেল) শেখ সাব্বির হোসেন, চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সামসুল আরেফিন, ওসি তদন্ত মো. মুরাদ হোসেন প্রমূখ।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
নিউজটি পড়া হয়েছে 1003 বার

Print

শীর্ষ খবর/আ আ