গরিব কাজের মহিলা আওয়ামীলীগ নেতার লালসার শিকার

Pub: শনিবার, আগস্ট ৪, ২০১৮ ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ   |   Upd: শনিবার, আগস্ট ৪, ২০১৮ ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

রাজশাহী জেলার,বাগমারা উপজেলার-১২ নং ঝিকরা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও ঝিকরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি
আব্দুল হামিদ ফৌজদার
রণশিবাডী গ্রাম নিবাসী (………..)গরীব মহিলা,
বাসায় কাজ করে দুই-মুটো ভাত খান ।
হামিদ ফৌজদার এর বাসায় কাজ করতেন,কাজ করার সময়ে চেয়ারম্যান হামিদ ফৌজদার বিভিন্ন ভাবে ভয়-ভিতি দেখিয়ে কাজের মহিলা’র সাথে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন হামিদ ফৌজদার।
ধর্মের বাপ ডেকে ও রক্ষা পাননি কাজের মহিলা তাহার হাত থেকে ।
লোক-লজ্জা এবং চেয়ারম্যান এর ক্ষমতা ভয়ে কাউকে কিছু বলেন নাই এতো দিন।
আ:হামিদ ফৌজদারের স্ত্রী মুকুল নাহার বিষয় কি ভাবে যেনো বুঝতে পান,
মুকুল নাহার হলেন একজন ডায়াবেটিস রোগী প্রতি দিন ভোর সকালে হাটতে বাহির হতেন তিনি প্রায় ১ ঘন্টা হাটাহাটি করতেন তিনি ।
আব্দুল হামিদ ফৌজদার স্ত্রী’র ভোরে হাঁটার সুযোগ কাজে লাগিয়ে দিনের পর দিন গরীব অসহায় মহিলার সাথে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক করতেন ।
মুকুল নাহার যখন হাটতে বাহিরে যেতেন তখন বাসা একেবারে ফাঁকা থাকতো
কারন আব্দুল হামিদ ফৌজদার
১-মেয়ে/১ছেলে ।
আব্দুল হামিদ ফৌজদারের মেয়ে- পলি/ছেলে আবুল বাসার লিটন
-পলি বিবাহিত জীবনে ২ সন্তানের জননী স্বামী সন্তানের সাথে নাটোর বসবাস করেন ।
-আবুল বাসার লিটন শশুর বাডী তে ঘর-জামাই হিসাবে ঢাকায় থাকেন
লোকমুখে শুনা যাই তিনি নাকি ঢাকায় পার্থপথে ইউনিক নামে একটি ডেভেলেপার কোম্পানী সাইট ইন্জিনিয়ার পথে আছেন।
মুকুল নাহার যখন বিষয় টা বুঝতে পেয়ে পরের দিন ভোর সকালে হাটতে যাওয়ার কথা বলে বাসার পিছনে দাডিয়ে থাকে,কাজের মহিলা যখন রুমে প্রবেশ করে,করার কিছু সময় পর মুকুল নাহার বাসার পিছন দরজা দিয়ে রুমে প্রবেশ করে চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ ফৌজদার কে হাতে নাতে ধরে ফেলে বিশেষ কাজ কারার মুহুর্তে ।
তাদের পরনে কোন কাপড় ছিলো না সেই মুহুর্তে,
এই ঘটনা দেখতে পেয়ে মুকুল নাহার হাতে বাঁশ নিয়ে কাজের মহিলা মারতে মারতে মাথা ফাটিয়ে দেন মুকুল নাহার আর চেয়ারম্যান কে জুতা পিঠা করেন,মুকুল নাহার এর গালাগালি’র শুনে ঘটনা স্থানে উপস্থিত হন আব্দুল হামিদ ফৌজদার এর আপন ছোট ভাই মো:দেলবার মোরা,হামিদ ফৌজদারের ভাইয়ের মেয়ে ফারজানা ইভা ও ইয়াদ আলী,
চেয়ারম্যানের বাসা থেকে কাজের মহিলা যখন নিজের (বাডী-রণশিবাডী) যাওয়ার পথে কান্না করতে করতে রক্তাত্ত অবস্থায় তখন লোকজন জানতে চাইলে এই ঘটনা বলেন ।
তিনি আর বলেন যদি এই ঘটনা কাউকে বলো তা হলে তাকে হত্যা করবে,
মুকুল নাহার বলেন যদি মরতে না চাও তা হলে চুপ থাকবে।
তিনি এখন খুব ভয়ে ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন
এবং চেয়ারম্যান ও ওনার স্ত্রী বিচার চান ।
সরকার দলীয় চেয়ারম্যান বলে কেউ ভয়ে কিছু বলেন না।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1942 বার