আজকে

  • ৭ই ভাদ্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • ২২শে আগস্ট, ২০১৮ ইং
  • ১০ই জিলহজ্জ, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

সাটুরিয়ায় ৫২ মণ ওজনের ষাঁড় ‘রাজা বাবু’

Pub: শুক্রবার, আগস্ট ১০, ২০১৮ ২:২৯ অপরাহ্ণ   |   Upd: শুক্রবার, আগস্ট ১০, ২০১৮ ২:২৯ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সাটুরিয়ায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত ২০৯৪ কেজি ওজনের এ গরুটির দাম হাঁতা হয়েছে ২০ লাখ টাকা
সাটুরিয়া উপজেলায় ৫২ মণ ওজনের ষাঁড় ‘রাজা বাবু’কে নিয়ে হৈচৈ পড়ে গেছে। এটির পাশে দাঁড়িয়ে মোবাইল ফোনে সেলফি তুলতে প্রতিনিয়ত ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। খান্নু মিয়া নামে দরিদ্র এক কৃষক ষাঁড়টিকে সন্তানের মতো লালন-পালন করে বড় করেছেন।

তার দাবি এটাই দেশের সবচেয়ে বড় গরু। সামনে কোরবানির ঈদ। তাই ষাঁড়টি বিক্রির প্রস্তুতি নিয়েছেন তিনি।

উপজেলার দিঘুলিয়া ইউনিয়নের দেলুয়া গ্রামের খান্নু মিয়া জানান, ষাঁড়টি হলস্টেন ফিজিয়ান জাতের। এটির বয়স তিন বছর ১০ মাস। সাদা-কালো রঙের আট ফুট দৈর্ঘ্যরে রাজা বাবুর ওজন প্রায় ২০৯৪ কেজি। চিকিৎসকের পরামর্শে ষাঁড়টির খাবারের পেছনে খান্নু প্রতিদিন তিন হাজার টাকা ব্যয় করছেন।

এবার ২০ লাখ টাকায় ষাঁড়টি বিক্রি করতে পারবেন বলে তিনি আশা করছেন। ২০১৬ সালে কোরবানির ঈদে ‘লক্ষ্মীসোনা’ নামে ২৭ মণ ওজনের একটি ষাঁড় ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন ছয় কন্যা সন্তানের জনক খান্নু মিয়া। এরপর তিনি এ ষাঁড়টি কিনে নাম দেন ‘রাজা বাবু’। গত বছরের ঈদে সাড়ে ১৪ লাখ টাকা দাম উঠলেও এটি তিনি বিক্রি করেননি।

খান্নু মিয়ার স্ত্রী পরিস্কার বেগম জানান, তার ছোট মেয়ে ইতি আক্তার ‘রাজা বাবুর’ দেখাশোনা করে। চিঁড়া, গুড়, মিষ্টি কুমড়া, কলা, গমের ভুসি ও খড় খাইয়ে ষাঁড়টিকে বড় করা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অবৈধ ওষুধ খাওয়ালে এ ভ্যাপসা গরমে রাজা বাবুকে বাঁচানো যেত না।

রাজা বাবুর বর্তমান ওজন ৫২ মণ বলে স্বীকার করেছেন সাটুরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. খোরশেদ আলম ও ভেটেরিনারি সার্জন ডা. সেলিম জাহান। তারা বলেন, মূলধনের ঝুঁকি নিয়ে বিশাল ষাঁড় পালনে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন খান্নু মিয়া। তাকে অনুসরণ করে সাটুরিয়ায় অনেকে বিশালাকার কোরবানির গরু পালনে উৎসাহিত হয়েছে। এ বিষয়ে খামারিদের প্রায় নিয়মিত পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

এদিকে খান্নু মিয়াকে অনুসরণ করে উপজেলায় কোরবানির গরু লালন-পালনে অঘোষিত প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। দিঘুলিয়া ইউনিয়নে সাফুল্লি গ্রামের মো. বিল্লাল একটি দেশি প্রজাতির ষাঁড় লালন-পালন করছেন। এটির নাম রাখা হয়েছে ‘সিনবাদ’। সাদা- কালো রঙের ষাঁড়টির বয়স চার বছর। এর ওজন ৩৪ মণ।

বিল্লাল জানান, শুধু ব্যবসা নয়, শখের বশে ঝুঁকি নিয়ে তিনি সিনবাদকে লালন করছেন। এটি ১৮ লাখ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন বলে তিনি আশা করছেন। সাটুরিয়া থানাসংলগ্ন নান্দেশ্বরী গ্রামের এমএ কদ্দুস মিয়া একটি গুরু লালন-পালন করছেন। ‘সম্রাট’ নামের গরুটির ওজন ৪২ মণ। কুদ্দুস মিয়ার আশা এবারের ঈদে গরুটির দাম ১৮ লাখ টাকার ওপরে উঠবে।

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1045 বার

 
 
 
 
আগষ্ট ২০১৮
রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
« জুলাই    
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
 
 
 
 
WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com