আটকের ৪দিন পর শরীয়তপুরে বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী নিহত

Pub: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৮ ৩:০২ অপরাহ্ণ   |   Upd: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৮ ৩:০২ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শরীয়তপুর প্রতিনিধি ॥ আটকের ৪দিন পর শরীয়তপুরে বন্দুক যুদ্ধে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। তার বাড়ি শরীয়তপুর সদর উপজেলার উত্তর বালুচরা গ্রামে। সোমবার গভীর রাতে শরীয়তপুর সদর উপজেলার আটং-ছয়গাও রাস্তায় শুকুর তালুকদারের মেগুনি কাঠ বাগানে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ বলছে সোমবার গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে আটং-ছয়গাও রাস্তায় মেগুনি কাঠ বাগানে কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মাদক ও টাকা ভাগাভাগি করছে। সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি ও পালং মডেল থানা পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল ও গুলী ছুড়ে।এতে পুলিশের এস আই রুপক, এসআই আতিয়ার কং শামীম,কংজিয়াউর রহমান, কং সামসুজ্জামান আহত হয়। পুলিশ আতœরক্ষার্থে পাল্টা গুলী ছুড়ে। প্রায় ১০/১৫ মিনিট গোলাগুলির পর মাদক ব্যবসায়ীরা পিছু হটে।এরপর ঘটনাস্থল তল্লাসী করতে গিয়ে পুলিশ একজন লোক কে গুলিবিদ্ধ আহত অবস্থায় দেখতে পায়। তার পকেট তল্লাসী করে ৫১পিছ ইয়াবা , সেখানে একটি মোটর সাইকেল,৬পিছ ককটেল,১কেজি গাজা পাওয়া যায়। পরে পুলিশ আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করে। স্থানীয় লোকের কাছে জানতে পারে নিহত ব্যক্তি শরীয়তপুর সদর উপজেলার উত্তর বালুচরা গ্রামের মৃত এসকেন পাহাড়ের ছেলে সুমন পাহাড় (২২)। তার বিরুদ্ধে পালং থানায় মাদক ও চাদাবাজিসহ ১১টি মামলা রয়েছে। এ দিকে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবী করছে ৩১ আগষ্ট সন্ধ্যায় সুমন পাহাড় তার দু’বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে পার্শ্ববতী ছয়গাও এলাকা থেকে মোটর সাইকেল নিয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন। এ সময় উত্তর বালুচরা নামস্থানে জাকির মৃধার দোকানের নিকট পৌছিলে ডিবি পুলিশ তাদের তিনজনকে আটক করে। এরপর দুজনকে ছেড়ে দিয়ে সুমন পাহাড়কে চোখ বেধে নিয়ে যায়।এরপর তার কোন খোজ মিলেনি। ডিবি ও তার পরিবারের নিকট আটকের কথা স্বীকার করেনি। মঙ্গলবার সকালে পরিবার লোকজনের মুখে সংবাদ পেয়ে সদর হাসপাতালে এসে সুমন পাহাড়ের গুলীবিদ্ধ লাশ দেখতে পায়।
নিহত সুমন পাহাড়ের বড় ভাই সুজন পাহাড় বলেন, ৩১ আগষ্ট সন্ধ্যায় সুমন পাহাড় তার দু’বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে পার্শ্ববতী ছয়গাও এলাকা থেকে মোটর সাইকেল নিয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন। এ সময় উত্তর বালুচরা নামস্থানে জাকির মৃধার দোকানের নিকট পৌছিলে ডিবি পুলিশ তাদের তিনজনকে আটক করে। এরপর দুজনকে ছেড়ে দিয়ে সুমন পাহাড়কে চোখ বেধে নিয়ে যায়।এরপর তার কোন খোজ মিলেনি।মঙ্গলবার সকালে সংবাদ পাই সুমনকে ক্রোস ফায়ার দিয়ে মেরে ফেলছে। হাসপাতালে এসে গুলীবিদ্ধ লাশ দেখতে পাই।
পালং মডেল থানার ওসি মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, পুলিশ বলছে সোমবার গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে আটং-ছয়গাও রাস্তায় মেগুনি কাঠ বাগানে কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মাদক ও টাকা ভাগাভাগি করছে। সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি -পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল ছুড়ে। পুলিশ পাল্টা গুলী ছুড়ে। এতে সুমন মারা যায়। ঘটনাস্থল থেকে ৫১পিছ ইয়াবা , একটি মোটর সাইকেল,৬পিছ ককটেল, ১কেজি গাজা উদ্ধার করা হয়েছে। সুমনের বিরুদ্ধে মাদক ও চাঁদাবাজির ১১টি মামলা রয়েছে।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ