fbpx
 

না’গঞ্জে মাথায় আঘাত ও শ্বাসরোধেই মডেল কন্যা মাহমুদা হত্যা

Pub: Tuesday, September 4, 2018 4:52 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নাগবাড়ি এলাকার মডেল কন্যা মাহমুদা আক্তারকে মাথায় আঘাত ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। ময়না তদন্তের প্রতিবেদনে (পোস্ট মর্টেম) এসেছে এ তথ্য।
সোমবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ময়না তদন্ত রিপোর্ট দেখে মামলার তদন্তকারী অফিসার সদর মডেল থানার এস আই আবুল কালাম আাজাদ জানান, মডেল কন্যা মাহমুদা আক্তার হত্যাকারী হিসেবে যাকে শনাক্ত করা হয়েছে সে ইতোমধ্যে আত্মহত্যা করেছে। অচিরেই এ মামলার প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হবে।
প্রসঙ্গত ৩০ জুলাই সদর উপজেলার গোগনগর এলাকার মোহাম্মদ আলী আকবরের তিন তলার ভবনের নিচ তলার ফ্ল্যাট বাসা থেকে তার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। ফ্ল্যাটটি গত কয়েকদিন ধরে বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ছিল। ওই ফ্লাট থেকে দুর্গন্ধ বের হলে ভাড়াটিয়ারা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ দরজার তালা ভেঙে ওই বাসার মেঝে থেকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করে। পরে নিহতের বাবা আক্কাছ বাদী হয়ে অজ্ঞাতজনদের আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
৩০ জুলাই রাতে মাহমুদার লাশ উদ্ধারে পরদিন আত্মহত্যা করেন তারই বন্ধু বাপ্পী। জানা গেছে, বাপ্পী মূলত মাহমুদাকে উচ্চবিলাসের স্বপ্ন দেখায়। তার মাধ্যমেই মাহমুদা জড়ায় মডেলিংয়ে। নামও পরিবর্তন করে তানিশা রাখেন। বাপ্পীর পরিচিতজনদের মাধ্যমে কাজ শুরু করে বিভিন্ন নাটকে। এর মধ্যে একাধিক গানেরও মডেল হয় সে। ধীরে ধীরে স্বপ্ন দেখে শোবিজ জগতে কিছু একটা করে আলোড়ন সৃষ্টি করবে। এসব কারণে একমাত্র মেয়ে জারাকেও সময় দিত না। তাকে রেখে দেয় মাহমুদার বাবা ও মায়ের কাছে। অথচ মাহমুদার বাবা হলেন দেওভোগ নাগবাড়ীতে ডায়াবেটিক হাসপাতালের প্রহরী।
সাগর ইসলাম বাপ্পী সে মুন্সিগঞ্জ জেলার নগর কসবা কুটিবাড়ি এলাকার জহিরুল ইসলামের ছেলে। কয়েক বছর আগে নারায়ণগঞ্জ শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কে টপটেন নামক কাপড় ও সংশ্লিষ্ট বিক্রির চেইন শপে চাকরি করতো।
নিহত মাহমুদা আক্তার শহরের দেওভোগ নাগবাড়ি এলাকার আক্কাস আলীর মেয়ে। মাহমুদার মা সুফিয়া বেগম জানান, মাহমুদার আগে একটি বিয়ে হয়। বছরখানেক আগে স্বামী হাফিজুর রহমানের সঙ্গে বিয়ে বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটে। মাহমুদার আগের সংসারে রিয়ানা রহমান জারা নামের ৪ বছরের এক মেয়ে সন্তান আছে। দুই মাস আগে মাহমুদা জানান বাপ্পী নামের একজনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে। তখন থেকেই সে আলাদা বাসা ভাড়া নিয়ে গোগনগরে চলে যায়। আর রিয়া নানা ও নানীর কাছে থেকে যায়।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ