শরীয়তপুরে গৃহবধূকে গনধর্ষন করে হত্যা ৩ জনে মৃত্যুদন্ড

Pub: বুধবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮ ৫:২০ অপরাহ্ণ   |   Upd: বুধবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮ ৫:২০ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শরীয়তপুর প্রতিনিধি ॥ শরীয়তপুরের এক গৃহবধুকে গনধর্ষন করে হত্যা করার দায়ে শরীয়তপুরের নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনালের জজ মোঃ আবদুস সালাম খান ৩ জন আসামীকে মৃত্যু দন্ডের আদেশ দিয়েছেন। ১৭ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহনের পর আজ বুধবার অপরাহ্নে জনাকীর্ন আদালতে এ আদেশ দিয়েছেন।এর মধ্যে ফাসির দন্ডপ্রাপ্ত দুইজন আসামী কারাগারে থাকলে মুল আসামী উচ্চ থেকে জামিন প্রাপ্ত হয়ে মামলার শুরু থেকেই পলাতক রয়েছে।মামলা বিবরনে ও কোট সুত্রে জানা যায়, ২০১২ সালে শরীয়তপুর সদর উপজেলার দক্ষিন বালুচরা গ্রামের প্রবাসি ইসাহাক মোল্যার সঙ্গে একই উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়নে মধ্য চরোসুন্ধি গ্রামের হাফিজ উদ্দিন পাটোয়ারীর মেয়ে শরীয়তপুর সরকারী গোলাম হায়দার খান মহিলা কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী সামসুন্নাহার তানির বিয়ে হয়। ২০১৪ সালে ১৭ আগষ্ট বিকেলে তার স্বামীর বাড়ি থেকে প্রাইভেট পড়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়। এরপর সে আর বাড়ি ফিরেনি। ঐ দিন রাতেই ইচহাক এর বড় ভাই কাসেম মোল্যা পালং মডেল থানায় একটি সাধারন ডাইরী করে। মোবাইল প্রযুক্তির মাধ্যমে পুলিশ ঘাতক রেজাউল করিম সুজনকে সনাক্ত করে গ্রেফতার করে। তার স্বীকারোক্তি মতে তারই সহযোগী সাইফুল ইসলাম ও দুলাল মাদবরকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের দেখানো মতে ২০১৪ সালের ২১ আগষ্ট দিবাগত গভীর রাতে সদর উপজেলার ধানুকা গ্রামের নাসির উদ্দিন কালুর বাড়ির বাগানের একটি ডোবার কচুরিপনার নিচে থেকে তানি’র ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়। এরপর আসামীরা চীফ জুডশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী দেয়। তাদের স্বীকারোক্তি মতে তানি কে পরকীয়া প্রেমের ফাদে ফেলে ডেকে নিয়ে তিন বন্ধু গনধর্ষন করে ধারালো ছুরি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে গলায় রশি দিয়ে ফাঁস দিয়ে নৃশংস ভাবে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় কাসেম মোল্যা বাদী হয়ে ৩জনকে আসামী করে পালং মডেল থানায় মামলা দায়ের করে। এর মধ্যে ফাসির দন্ডপ্রাপ্ত প্রধান আসামী রেজাউল কবীর সুজন উচ্চ থেকে জামিন প্রাপ্ত হয়ে মামলার শুরু থেকেই পলাতক রয়েছে। অন্য দুইজন সাইফুল ইসলাম পেদা ও দুলাল মাদব কে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আদালত স্বাক্ষী প্রমান শেষে আসামীদের দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় দিয়েছেন। আসামী পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করে এড. মুরাদ ও মোঃ শাহ আলম। সরকার পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন এড. পিপি মীর্জা হজরত আলী।
এ্যাভোকেট মির্জা হযরত আলী পিপি বলেন,নির্যাতিত ও ধর্ষনের পর হত্যার মামলায় ৩ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছে। এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।
ফাসির দন্ড প্রাপÍ আসামী সাইফুল ইলামের বড় ভাই বিল্লাল পেদা ও দুলালের বাবা আঃ মান্নান মাদবর বলেন,আমরা এ মামলায় ন্যায় বিচার পাইনি। আমরা উচ্চ আলাদতে আপিল করবো।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1113 বার