fbpx
 

রোজিনা খাতুনকে ছাত্রলীগ সভাপতির মারধর চাঁদা না পেয়ে

Pub: মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ৪, ২০১৮ ৭:৪৬ অপরাহ্ণ   |   Upd: মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ৪, ২০১৮ ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ডেস্ক নিউজ:লাখ টাকা চাঁদা দাবী করছিলেন নাটোর উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি জেমস। চাঁদা না পেয়ে সোমবার মধ্যরাতে মনিরুজ্জামানের বালুবাহী ট্রাকটি নিয়ে আসেন জেমস। মঙ্গলবার সকালে এ বিষয়ে রোজিনা খাতুন অভিযোগ জানাতে থানায় গেলে ক্ষিপ্র হয়ে তার পিছু নেয় জেমস ও তার দলবল। দক্ষিণ বড়গাছার একটি ময়দা মিলের সামনে অবস্থানরত ট্রাকটির সামনে গেলে রোজিনাকে মারতে উদ্যত হয় জেমসরা। এসময় রোজিনা দৌড়ে রিওনের বাড়ির সামনে আসে। স্টেশন এলাকা ঘুরে দক্ষিণ বড়গাছা ছোটমোড়ে ভাইয়ের বাড়ির সামনে রোজিনাকে দেখেই এগিয়ে আসে জেমসের নেতৃত্বে রুবেল , হাসিবুল, সালমান, মকবুল সহ ৮/১০ জন। তারা রোজিনাকে ধরতে উদ্যত হলে রিওন বাধা দেয়। এসময় রিওনের বামপায়ের উরুতে গুলি করে মারধর করা হয়। গুলির শব্দে লোকজন এগিয়ে এলে পিছু হটে জেমস ও তার দলবল।
ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামানের স্ত্রী রোজিনা অভিযোগ করেন, গত ২০শে নভেম্বর রাতে জেমস ও তার দলবল তাদের বড়গাছার বাড়িতে গিয়ে নগদ ৫০ হাজার টাকা, ৩ ভরি স্বর্ণালংকার, পাসপোর্ট, গাড়ির কাগজপত্রসহ বেশ কিছু জিনিস ছিনিয়ে নেয়। সেগুলো ফেরত পেতে ১০ লাখ টাকা দাবী করে। এ বিষয়ে নাটোর থানায় অভিযোগ করতে গেলে ফিরিয়ে দেন অফিসার ইনচার্জ কাজী জালাল উদ্দীন। এর পর থেকেই আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে জেমস। সর্বশেষ মঙ্গলবার রাতে স্বামী মনিরুজ্জামান সেন্টুু গাড়িটি জোরপূর্বক নিয়ে আসে জেমস। আজ দুপুরে ভাইয়ের বাড়ির সামনে জেমস ও তার দলবল হত্যার উদ্দেশ্য গুলিবর্ষণ করলে আমি কোনরকমে বেঁচে যাই কিন্ত ভাতিজা রিওন গুলিবিদ্ধ হয়।

এ ব্যাপারে নাটোর জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রাকিবুল হাসান জেমসের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার বড়ভাই রিপন হোসেন গুলিবর্ষণের অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট মন্তব্য করে জানান, উল্টো রিওন ও স্থানীয়রা তাদের উপর হামলা চালায়। রিওনই জেমসকে উদ্দেশ্য করে গুলবির্ষণ করেন এবং তা ভুলবশত রিওনেরই পায়ে লেগে যায়। এছাড়া রোজিনা বেগমের নিকট থেকে চাদা চাওয়ার কোন প্রশ্নই আসেনা বলে জানান তিনি।

নাটোর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী জালাল উদ্দীন আহমেদ বলেন, লাখ টাকা চাঁদা দাবী করছিলেন ছাত্রলীগ সভাপতি জেমস। চাঁদা না পেয়ে সোমবার মধ্যরাতে মনিরুজ্জামানের বালুবাহী ট্রাকটি নিয়ে আসেন জেমস। মঙ্গলবার সকালে এ বিষয়ে রোজিনা খাতুন অভিযোগ জানাতে থানায় গেলে ক্ষিপ্র হয়ে তার পিছু নেয় জেমস ও তার দলবল। দক্ষিণ বড়গাছার একটি ময়দা মিলের সামনে অবস্থানরত ট্রাকটির সামনে গেলে রোজিনাকে মারতে উদ্যত হয় জেমসরা। এসময় রোজিনা দৌড়ে রিওনের বাড়ির সামনে আসে। স্টেশন এলাকা ঘুরে দক্ষিণ বড়গাছা ছোটমোড়ে ভাইয়ের বাড়ির সামনে রোজিনাকে দেখেই এগিয়ে আসে জেমসের নেতৃত্বে রুবেল , হাসিবুল, সালমান, মকবুল সহ ৮/১০ জন। তারা রোজিনাকে ধরতে উদ্যত হলে রিওন বাধা দেয়। এসময় রিওনের বামপায়ের উরুতে গুলি করে মারধর করা হয়। গুলির শব্দে লোকজন এগিয়ে এলে পিছু হটে জেমস ও তার দলবল।
ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামানের স্ত্রী রোজিনা অভিযোগ করেন, গত ২০শে নভেম্বর রাতে জেমস ও তার দলবল তাদের বড়গাছার বাড়িতে গিয়ে নগদ ৫০ হাজার টাকা, ৩ ভরি স্বর্ণালংকার, পাসপোর্ট, গাড়ির কাগজপত্রসহ বেশ কিছু জিনিস ছিনিয়ে নেয়। সেগুলো ফেরত পেতে ১০ লাখ টাকা দাবী করে। এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করতে গেলে ফিরিয়ে দেন অফিসার ইনচার্জ কাজী জালাল উদ্দীন। এর পর থেকেই আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে জেমস। সর্বশেষ মঙ্গলবার রাতে স্বামী মনিরুজ্জামান সেন্টুু গাড়িটি জোরপূর্বক নিয়ে আসে জেমস। আজ দুপুরে ভাইয়ের বাড়ির সামনে জেমস ও তার দলবল হত্যার উদ্দেশ্য গুলিবর্ষণ করলে আমি কোনরকমে বেঁচে যাই কিন্ত ভাতিজা রিওন গুলিবিদ্ধ হয়।

এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রাকিবুল হাসান জেমসের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার বড়ভাই রিপন হোসেন গুলিবর্ষণের অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট মন্তব্য করে জানান, উল্টো রিওন ও স্থানীয়রা তাদের উপর হামলা চালায়। রিওনই জেমসকে উদ্দেশ্য করে গুলবির্ষণ করেন এবং তা ভুলবশত রিওনেরই পায়ে লেগে যায়। এছাড়া রোজিনা বেগমের নিকট থেকে চাদা চাওয়ার কোন প্রশ্নই আসেনা বলে জানান তিনি।

নাটোর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী জালাল উদ্দীন আহমেদ বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোন পক্ষই অভিযোগ করেনি। আমরা তদন্ত শুরু করেছি। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোন পক্ষই অভিযোগ করেনি। আমরা তদন্ত শুরু করেছি। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ