না’গঞ্জের ফতুল্লার বিসিকে আবারো শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

Pub: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ৬, ২০১৮ ৭:০৭ অপরাহ্ণ   |   Upd: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ৬, ২০১৮ ৭:০৭ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার শিল্পনগরী বিসিক এলাকা আবারও শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। বিসিকের এনআর গার্মেন্টেসের শ্রমিকরা উৎপাদন ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভ করেছে। এ সময় ভাংচুর, মারামারি, কেরোসিন দিয়ে আগুন জ্বালানোর ঘটনাও ঘটে। পুলিশ বাধাঁ দিতে চেষ্টা করলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও পুলিশের সাথে সংঘর্ষে শ্রমিক ও পুলিশ সদস্যসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের নগরীর ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল ও স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনার এক পর্যায়ে এক শ্রমিক নিহত হয়েছে বলেও গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এতে শ্রমিকরা আরও উত্তেজিত হয়ে পড়ে। অবস্য পরে জানা যায়, বেশ কয়েকজন শ্রমিক আহত হলেও নিহতের ঘটনা ঘটেনি। এনআর গার্মেন্টেসের শ্রমিকরা অভিযোগ করে বলেন, অন্যান্য গার্মেন্টেসের শ্রমিকদের চেয়ে আমরা শ্রম কোন অংশে কম দেই না। উল্টো বেশিই দেই। কিন্তু আমাদের বেতন-ভাতা দেয়া হয় কম। আমরা এর প্রতিবাদ জানিয়েছে বেশ কয়েকবার। কিন্তু মালিকপক্ষ তা কর্ণপাত করেননি। আমাদের বেতনও বৃদ্ধি করতে হবে। অন্তত ফকির ও ক্রোনী গার্মেন্টেসের মতো আমাদের বেতন করতে হবে। এই ঘটনায় আমাদের অর্ধ শতাধিক শ্রমিক আহত হয়েছে।
শিল্প পুলিশ-৪ এর পুলিশ সুপার মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকরা খুব উত্তেজিত ছিল। আমরা অনেক চেষ্টা করেছি শ্রমিকদের শান্ত করার। মাইক লাগিয়ে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেছি। সকাল ১০টা ৪০ পর্যন্ত সব ঠিক ছিল। এরপর শ্রমিকরা ভাংচুর, কেরোসিন দিয়ে আগুন জ্বালানো, স্টাফদের মারধর, পুলিশের উপর ইট-পাটকেল মারা শুরু করে। তখন পুলিশ তাদের বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের উপরও চড়াও হয়। এ সময় ৯ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। শ্রমিকের সংখ্যা অর্ধশতাধিক না হলেও ৪০/৫০ জন হবে আহত হয়েছে। আহতরা আপাতত চিকিৎসাধীন আছে। তবে কেউ মারা যায়নি। আপাতত পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলেও জানান তিনি।
এদিকে খবর পেয়ে ফতুল্লা থানার একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌছায়। ঘটনাস্থলে পৌছান নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ একেএম শামীম ওসমান। তিনি ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য শ্রমিকদের সাথে কথা বলেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তবে আবার যেকোন সময়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1030 বার